IMG-LOGO

বুধবার, ২৬ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১২৫ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ গ্রেফতার ১সালিসে ১ লাখ ৫০ হাজার জরিমানা, হাতে গেল ১ লাখ—বাঁকি ৫০ হাজার চেয়ারম্যানের ‘খাটুনির মজুরি’?নন্দীগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তারজামিন আবেদন নাকচ, দুই বছরের সাজার মামলায় কারাগারে বিদিশাচাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক দেলোয়ার , সদস্য সচিব হেলালতারাগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালীপুঠিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডরাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়ীপ্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়মান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ রাউন্ড গুলি, আতঙ্কফুলবাড়ী কয়লা খনি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিশ্বাসঘাতকতা বললেন অধ্যাপক আনু মোহাম্মদনিয়ামতপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনেআলোচনা ও দোয়া মাহফিলপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বমানের করে সাজানো হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজএনসিপি কার্যালয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমানঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎপাকিস্তানে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
Home >> টপ নিউজ >> নগর-গ্রাম >> সালিসে ১ লাখ ৫০ হাজার জরিমানা, হাতে গেল ১ লাখ—বাঁকি ৫০ হাজার চেয়ারম্যানের ‘খাটুনির মজুরি’?

সালিসে ১ লাখ ৫০ হাজার জরিমানা, হাতে গেল ১ লাখ—বাঁকি ৫০ হাজার চেয়ারম্যানের ‘খাটুনির মজুরি’?

ধূমকেতু প্রতিবেদক,বদলগাছী : পারিবারিক জমির বিরোধ মীমাংসায় সালিস বসেছিল দুই দিন। বিরোধ মিটল, জমি ছাড়ার বিনিময়ে নির্ধারিত হলো ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, সেই টাকা পুরোটা ভুক্তভোগীর হাতে পৌঁছায়নি।

ভুক্তভোগীর হাতে ১ লাখ টাকা দেওয়া হলেও বাকি ৫০ হাজার টাকা সালিসের ‘খাটুনির /মজুরি’ হিসেবে রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম রেজাউল কবির পল্টনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আধাইপুর ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর নামক গ্রামে।

অভিযোগকারী নুর ইসলামের স্ত্রী তাহমিনা বেগমের দাবি, চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে গত ১৭ই আগষ্ট সোমবার ও ১৮ই আগষ্ট মঙ্গলবার দুই দিন ধরে সালিসের পর জমির বিরোধ মীমাংসা হয়। সেখানে নুর ইসলামকে জমির অংশ ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তাহমিনা বেগম বলেন, ১৯ আগস্ট বুধবার ওই টাকা আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের কক্ষে দেওয়া হয়। পরদিন রাতে চেয়ারম্যান তাঁদের ডেকে নিয়ে তাঁর হাতে ১ লাখ টাকা ধরিয়ে দেন। বাকি ৫০ হাজার টাকা নিজের কাছে রেখে দেন চেয়ারম্যান।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য, “চেয়ারম্যান আমার হাতে ১ লাখ টাকা দিয়েছেন। আর ৫০ হাজার টাকা তিনি রেখে দিয়েছেন। চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘আমরা খেটেছি, আমরা খাব না?”

ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, ১৭ ও ১৮ আগস্ট বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে তাঁদের বাড়ির সামনে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে জমির বিরোধ নিয়ে সালিস হয়। পরদিন ১৯ আগস্ট টাকা দেওয়ার পর ২০ আগস্ট রাতে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে ডেকে ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা বলছে, সালিসের খরচ বাবদ নুরে আলম বাবুর পক্ষ থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছিল। এ ছাড়া বকশিশ দেওয়ার কথাও ছিল। নুরে আলমের পক্ষে মুমিন নামে এক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের কাছে টাকা পৌঁছে দেন ।
তবে ইউপি সদস্য মাহাতাব আলী প্রামাণিকের বিরুদ্ধে বিচারের আগে ২০হাজার টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ করেছে তাহমিনা বেগম , কিন্তু ইউপি সদস্য মাহাতাব আলী প্রামানিক তা তিনি অস্বীকার করেছেন।

মাহাতাব আলী বলেন, আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। টাকা-পয়সার বিষয়ে আমার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। ওই নারী একবার চেয়ারম্যানের কথা বলছেন, আবার আমার কথাও বলছেন। মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব।

চেয়ারম্যান একেএম রেজাউল কবির পল্টনের বিরুদ্ধে এর আগেও সালিসের নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেছেন।

তাঁদের ভাষ্য, কয়েক মাস আগে বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের মিষ্টিআলার মোড়ের একটি জমি নিয়ে সালিসে এক পক্ষের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ ছাড়া বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায়ও ৯হাজার ৫শত টাকা চেয়ারম্যান নিয়েছেন বলে স্থানীয়দের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন। এ ছাড়া উত্তর আধাইপুর হিন্দু পাড়াতে প্রেমিক প্রেমিকার সম্পর্ক। প্রেমিকা গর্ভে সন্তানের বিচারেও লক্ষাধিক টাকার লেনদেন করার অভিযোগ আছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের কেউ কেউ রসিকতা করে বলেন, “সালিসে বিরোধ মিটলে এক পক্ষ জমি পায়, আর চেয়ারম্যান পান ‘খাটুনির মজুরি’—এমন অভিযোগই এখন এলাকায় আলোচনার বিষয়।

অভিযোগের বিষয়ে আধাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম রেজাউল কবির পল্টন বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। রাজনৈতিক চক্রান্তে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ