IMG-LOGO

বুধবার, ২১ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এয়ার রোভার স্কাউট গ্রুপের চার সদস্য পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পরিভ্রমণ করবেসিরাজগঞ্জে সাত্তার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এলাকাবাসীর মাঝে হ্যান্ড ওয়াশ বিতরণরাজশাহীতে আখচাষীদের মাঝে ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানমান্দায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৫ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগমান্দায় হাটবাজার উন্নয়নের নামে সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগযে কোনো পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সামরিক প্রস্তুতির পরামর্শ ওয়াকার-উজ-জামানেরবিতর্কিত জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, কড়া নজরদারিতে চীনা নৌবাহিনীসিংড়ায় ১৮ বছর ধরে চলছে দুর্গাপূজায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পনাটোরের দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাগমারার আনোয়ারেরফুলবাড়ীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন, চলছে সংস্কার কাজরাজশাহী মহানগরীতে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২২চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যুহযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন‘সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে’নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১০
Home >> অর্থনীতি >> টপ নিউজ >> প্রবাসী আয়ে দুঃসংবাদ

প্রবাসী আয়ে দুঃসংবাদ

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : প্রবাসী আয়ে দুঃসংবাদ দিল বিশ্বব্যাংক। করোনাভাইরাসের প্রভাবে আগামী বছর বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৪ শতাংশ কমতে পারে বলে ধারণা করছে সংস্থাটি।

২০১৯ সালের সঙ্গে তুলনা করে এই অনুমান হিসাব করে ব্যাংকটির মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক সর্বশেষ পূর্বাভাসে এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। বিশ্বব্যাংক এই রিপোর্ট প্রকাশ করে ২৯ অক্টোবর।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ২০২০ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭ শতাংশ কমে ৫০৮ বিলিয়ম ডলারে দাঁড়াবে। আর এই প্রবাহ ২০২১ সালে আরও দশমিক ৫ শতাংশ কমবে। অর্থাৎ ২০২১ সালে বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স প্রবাহ সাড়ে ৭ শতাংশ কমে নেমে আসবে ৪৭০ বিলিয়ন ডলারে।’

কী কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমবে?

রেমিট্যান্স প্রবাহ কমার মূল কারণের মধ্যে আছে অভিবাসীদের কর্মসংস্থান করা দেশগুলোতে দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রের স্থবিরতা, তেলের দামের পড়তিভাব ও মার্কিন ডলারের তুলনায় রেমিট্যান্সের উৎস দেশগুলোর মুদ্রার অবচয় অর্থাৎ মুদ্রার দাম কমে যাওয়া।

ওই পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ২০২০ ও ২০২১ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই অবনতি বিশ্বের সব অঞ্চলকে প্রভাবিত করবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমবে ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়ায়। এই দুই বছর এই অঞ্চলে যথাক্রমে ১৬ ও ৮ শতাংশ করে কমবে। এরপর রয়েছে পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল। এখানে কমবে যথাক্রমে ১১ ও ৪ শতাংশ, মধ্য প্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় দুই বছরই কমবে ৮ শতাংশ করে। সাব-সাহারান আফ্রিকায় কমবে ৯ ও ৬ শতাংশ করে, দক্ষিণ এশিয়ায় কমবে ৪ ও ১১ শতাংশ এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ২০২০ সালে কমবে ০.২ শতাংশ আর ২০২১ সালে কমবে ৮ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও মাইগ্রেশন স্টিয়ারিং গ্রুপের চেয়ারম্যান মমতা মুরথি বলেছেন, ‘অভিবাসন লেন্সের নিচে ফেলে কোভিড-১৯’র প্রভাব দেখলে দেখা যাবে অনেক বড় মাপের ক্ষতির মুখে পড়েছেন অভিবাসীরা। আর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোতে।’

রেমিট্যান্স প্রবাহ আশঙ্কাজনক হ্রাসের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক অর্থায়নের অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত এই খাতটি ২০২০ সালে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ হয় ৫৪৮ বিলিয়ন ডলার, যা ওই বছরের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ- এফডিআইর চেয়ে বেশি। কারণ, ২০১৯ সালে এসব দেশে এফডিআই আসে ৫৩৪ বিলিয়ন ডলার আর বিদেশি সহায়তা আসে ১৬৬ বিলিয়ন ডলার। রেমিট্যান্স ও এফডিআই’র মধ্যকার এই ব্যবধান আরও বাড়বে বলে ধরা হচ্ছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, চাপে পড়া অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমার চেয়েও বেশি পরিমাণে কমবে সরাসরি বিদেশি বিনিযোগ।

বিশ্বের অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন নোম্যাডের প্রধান দিলিপ রাঠা বলেন, এই সংকটকালে অভিবাসীরা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও কর্মী ছাঁটাই আতঙ্কে রয়েছেন।

ভিসা জটিলতার মুখে পড়ার কারণেও অনেক অভিবাসী কর্মসংস্থানে যোগ দিতে না পারায় বেকারত্ব সমস্যাও বেশ শক্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলেও আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে ব্যাংকটি সোশ্যাল প্রোটেকশন অ্যান্ড জবস গ্লোবাল প্র্যাকটিস বিভাগের বৈশ্বিক পরিচালক মিচেল রটকোভস্কি বলেন, যে সব অভিবাসী হাসপাতাল, ল্যাব, কারখানাসহ সামনের সারিতে কাজ করেন; মানবিক দিক বিবেচনা করে হলেও তাদের পাশে আরও আন্তরিকতা নিয়ে দাঁড়ানো উচিত।

তিনি আরও বলেন, অবশ্যই অভিবাসীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া দেশগুলোকে আরও সহায়ক নীতিতে এগিয়ে আসা দরকার যখন অভিবাসীরা তাদের নিজ দেশ বা মধ্যবর্তী কোন দেশ থেকে তাদের কাজে ফিরতে চান।

নিজ দেশে ফেরত আসা অভিবাসীদের পাশেও দাঁড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। চাকরি খুঁজে দেয়া, ব্যবসা খুলে দেয়ার মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে, না হলে তারা ভারী বোঝায় পরিণত হবে। এমনকি আবাসন সুবিধা দিয়েও তাদের সহায়তা করতে হবে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930