IMG-LOGO

শনিবার, ২৪ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নতুন আইন করা হচ্ছে’গোমস্তাপুরে ১৯ মামলার পলাতক আসামি আটকজেলা প্রশাসন সিরাজগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযাননিয়ামতপুরে আদিবাসী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাভূমিমন্ত্রীর আশু রোগমুক্তি কামনায় রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের দোয়া মাহফিলপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে প্রত্যাশাবদলগাছীতে পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ, গ্রাম পুলিশসহ গ্রেপ্তার ২খোকশাবাড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম রোকনীর সমর্থনে শতাধিক মোটরসাইকেলের শোডাউনশারীরিক অবস্থার উন্নতি, আগের চেয়ে সুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুবাংলাদেশ স্কাউটস, সিরাজগঞ্জ জেলা রোভারের নির্বাহী কমিটির সভা৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ভূমিমন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলটঙ্গী ইজতেমা ময়দানে সাদপন্থীদের কার্যক্রম বন্ধের দাবি হেফাজতে ইসলামেরবাগমারায় ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মামুন, সম্পাদক পলাশমহাদেবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুরাজশাহী মহানগরীতে মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১১
Home >> অর্থনীতি >> টপ নিউজ >> খেলাপি ঋণ লাগামহীন

খেলাপি ঋণ লাগামহীন

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য নানা সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। উল্টো বাড়ছে খেলাপির পরিমাণ।

সব মিলিয়ে এখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৩ হাজার ২৭৩ কোটি টাকার বেশি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ছিল ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। গত বছরে মোট ঋণের ৭ ৬৬ খেলাপি হলেওে এ বছরে মোট ঋণের প্রায় ৮ শতাংশ খেলাপি।

সে হিসেবে গত ডিসেম্বরে সমাপ্ত অর্থবছরে এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৪ হাজার ৫৩৯ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ১ হাজার ৭৯৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

সেপ্টেম্বর শেষে মোট ঋণ স্থিতি ছিল ১২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে খেলাপি এক লাখ এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যা ছিল মোট ঋণের ৮ দশমিক ১২ শতাংশ।

গত বছরের জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ১২ লাখ ১৩ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ছিল ৯৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ৩ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা।

এর আগে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ৬ হাজার ৮০২ কোটি টাকা। নতুন যে খেলাপি ঋণ বেড়েছে, তার মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি বেড়েছে বেসরকারি ব্যাংকে, সরকারি ব্যাংকে বেড়েছে ২ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই পরিমাণ বাড়ার কারণে সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণকে ছাপিয়ে গেল বেসরকারি ব্যাংক। তবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর তুলনায় সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার তিন গুণেরও বেশি। রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকে যত ঋণ বিতরণ হয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশই খেলাপি হয়ে আছে। আর ১ বছরে অনেকটা বাড়লেও বিতরণ করা ঋণের মধ্যে খেলাপির হার ৫ শতাংশের কিছু বেশি।

এই এক বছরে সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতির অবনতি হলেও বিশেষায়িত তিন ব্যাংকের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে পেরেছে।

খেলাপি ঋণ কমাতে যেসব সুবিধা দেয়া হয়েছিলো:

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে আ হ ম মুস্তফা কামাল অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পর খেলাপি ঋণ আর এক টাকাও না বাড়ার ঘোষণা দিয়ে ঋণ নিয়মিতকরণ করতে নানা সুবিধা ঘোষণা করেন।

২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ঋণ নিয়মিত করার সুবিধা দেয়া হয় শুরুতে। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়মিত হয়। ২০২০ সালের মার্চে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর কিস্তি না দিয়েও খেলাপিমুক্ত থাকার সুবিধা দেয় হয়। পুরো বছরই চালু থাকে এই সুবিধা।

২০২১ সালের শুরুতে কিস্তি না দিয়ে খেলাপিমুক্ত থাকার ঢালাও সুবিধা কিছুটা কমানো হয়। সে বছর নানা সময় কিস্তিুর একাংশ জমা রাখলেই খেলাপিমুক্ত থাকার সুযোগ দেয়া হয়।

প্রথমে বলা হয়, ডিসেম্বরের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করেই খেলাপি হবেন না গ্রাহক। তবে করোনার সময় ব্যবসা বাণিজ্যের সমস্যার কথা বলে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে জমা করার পরিমাণ কমানো হয়। সবশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণের কিস্তির ১৫ শতাংশ জমা দিলে খেলাপি না করার নির্দেশনা ছিল, যার মেয়াদ গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। মেয়াদ শেষ হলেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ সুবিধা আরও ২০ দিন মৌখিকভাবে বাড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

খেলাপির হার সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে

২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে রাষ্ট্রীয় সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট ও বেসিকে এ ছয় ব্যাংক মোট ঋণ বিতরণ করে ২ লাখ ৩৩ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। মোট ঋণের যা ১৯ দশমিক ২৮ শতাংশ।

এক বছরে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ছিল ৪২ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। ওই সময় বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930