IMG-LOGO

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২২ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
এনবিআর আন্দোলনে জড়িত ২০ কর্মকর্তার শাস্তি প্রত্যাহারমায়ের মূর্ত প্রতীকই হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া : ভূমিমন্ত্রী‘গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ’নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতা আদরের মাতার ইন্তেকালসিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসননিয়ামতপুরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণরহনপুরে চক্ষু হাসপাতালের উপকেন্দ্রের উদ্বোধনসিংড়ায় ঢেউটিন প্রদান, চলনবিলে পোনা মাছ অবমুক্ত ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণধামইরহাটে কবর থেকে কঙ্কাল চুরি, জড়িত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরায়গঞ্জে একটি রাস্তা না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্হানীয় মুসল্লিরাসিংড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান পরিষ্কার করলেন এলাকাবাসীবাগমারায় স্বামী-সন্তান ফেলে গর্ভে সন্তান নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও গৃহবধূরাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ান মোহনপুরের হাতে পুরস্কার তুলে দেন :ভূমিমন্ত্রী মিনুফুলবাড়ী কয়লাখনি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্ত্রীকে হাসুয়া দিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা
Home >> রাজশাহী >> বিশেষ নিউজ >> তানোরে ১০ বছরে ৬ হাজার বিঘা কৃষি জমিতে পুকুর খনন

তানোরে ১০ বছরে ৬ হাজার বিঘা কৃষি জমিতে পুকুর খনন

ধূমকেতু প্রতিবেদক, তানোর : রাজশাহীর তানোরে বিগত ১০ বছরে কমেছে ৬ হাজার বিঘা কৃষি জমি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এতথ্য মানতে নারাজ উপজেলার কৃষিবিদরা। ৬ হাজার বিঘা না তার কয়েকগুন বেশি কৃষি জমিতে পুকুর ও হিমাগার নির্মান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফসলী জমিতে কোন কিছুই করা যাবে না। সারা বিশ্বে চলছে মন্দা, খাদ্য ঘাটতি, এমন নির্দেশনার পরও স্থানীয় প্রশাসানের উদাসিনতায় কমতেই আছে কৃষি জমি।

বিশেষ করে কামারগাঁ ইউপির হাতিনান্দা মাঠে তিন ফসলী জমিতে হিমাগার তৈরির জন্য সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রায় ১২-১৪ বিঘা জমিতে হবে হিমাগার। এর আগে তানোর টু মুন্ডুমালা রাস্তার দেবিপুর মোড়ের পশ্চিমে ও আড়াদিঘি মোড়ের পূর্বে চার ফসলী জমিতে রহমান গ্রুপের দুটি, ও কাশিম বাজার এবং কালিগঞ্জ এলাকায় আমান গ্রুপ, তামান্না গ্রুপ মদিনা নামের একটি করে তিনটি হিমাগার তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে রহমান ২ হিমাগার ও রাস্তার দক্ষিনে আমান গ্রুপের আমান হিমাগার নির্মানের জায়গা নির্ধারন করা হলেও মামলার কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে পতিত অবস্থায় আছে প্রায় ১৫ বিঘা মত চার ফসলী জমি। অবাক করার বিষয় জমির শ্রেনী পরিবর্তন না করে হিমাগার নির্মান হলেও কৃষি জমির খাজনা নিতে হচ্ছে ভূমি দপ্তরকে। পুকুর খনন হয়েছে, মাছ চাষ হচ্ছে, কিন্তু কৃষি জমির খাজনা নিতে হচ্ছে। এতে করে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত।

ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, উপজেলায় বিগত ১০-১৫ বছরে নিম্মে হলেও ৮০০ থেকে ১ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে পুকুর খনন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। কিন্তু জমির শ্রেণী পরিবর্তন না হওয়ার কারণে কৃষি জমির খাজনা নিতে হচ্ছে। কৃষি জমি এক শতকে মাত্র ২ টাকা খাজনা। আর পুকুরে এক শতকে ৬০ টাকা খাজনা। যদি ৮০০ হেক্টর জমিতে পুকুর হয় তাহলে ৬ হাজার বিঘা জমিতে হয়েছে, শতকে ৫৮ টাকা করে কম আদায় হয় খাজনা। সেই হিসেবে বছরে ৩৩ শতক পুকুরে খাজনা আসে ১৯৮০ টাকা, আর কৃষি জমিতে বছরে ৩৩ শতকে মাত্র ৬৬ টাকা খাজনা আদায় হয়। ৩৩ শতকে সরকারের গচ্ছা ১৯১৪ টাকা। ৬০০০ বিঘা কৃষি জমি শতক হিসেবে আসে ১৯ লাখ ৮০ হাজার শতক, বছরে খাজনা আসে ১ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কৃষি জমি হিসেবে ১৯ লাখ ৮০ হাজার শতকে ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা খাজনা আসে। সরকারের গচ্ছা যাচ্ছে ৮০ লাখ টাকা। যাকে বলে শুভংকরের ফাকি।

জানা গেছে, উপজেলার চান্দুড়িয়া ইউপির হাড়দহ বিল, জুড়ানপুর মাঠ, ব্রীজ ঘাটের দুপার, রাতৈলসহ প্রায় পুরো এলাকায় কৃষি জমিতে হয়েছে পুকুর। প্রথম অবস্থায় জমি লীজ দিলেও বিগত কয়েক বছর ধরে কৃষকরা জমি লীজ দিচ্ছে না। কিন্তু যে মাঠে পুকুর হয়েছে তার আশপাশের জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে পরবর্তীতে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

ইউপির কৃষকরা জানান, এত পরিমান কৃষি জমিতে পুকুর হয়েছে কল্পনাতীত। কৃষি শ্রমিকরা কাজ পাচ্ছেনা। বাধ্য হয়ে জেলা শহরে অন্য কর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

এছাড়াও কামারগাঁ ইউপির লবাতলা ব্রীজের দুপারে প্রায় ১০০-১৫০ বিঘা জমিতে পুকুর হয়েছে। উপজেলার আনাচে কানাচেও অনেক কৃষি জমিতে পুকুর হয়েছে।

কৃষকরা জানান, কৃষি জমিতে একবার পুকুর খনন হলে ধীরে ধীরে পুরো মাঠ পুকুর হয়ে যায়। যার জলন্ত প্রমান চান্দুড়িয়া ইউপি এলাকা।

সূত্র মতে, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর হুশিয়ারি কৃষি জমিতে পুকুর তো দুরে থাক কোন শিল্প কলকার খানা করা যাবে না। কারণ বিশ্বে চলছে খাদ্য ঘাটতি। এজন্য এক ইঞ্চি জমিও পতিত রাখা যাবে না। কিন্তু কে শুনে কার কথা, মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের উদাসিনতায় হতেই আছে পুকুর। যেহেতু জমির শ্রেণী পরিবর্তন হবে না, এজন্য স্থানীয় ভাবে মেনেজ করেই হচ্ছে পুকুর বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।

তানোর সদর ভূমি অফিসের তহসিল দার লুৎফর রহমান জানান, জমির শ্রেণী পরিবর্তন না হলে কিছুই করনীয় নাই। কৃষি জমিতে পুকুর হলেও শ্রেণী পরিবর্তন না হওয়ায় ২ টাকা শতক হিসেবে খাজনা নিতে হয়। এক শতকে ৫৮ টাকা গচ্ছা। তবে কর্তৃপক্ষকে এসব বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে, নতুন ভাবে রেকর্ড না হওয়া পর্যন্ত এনিয়মেই খাজনা আদায় হবে বলে মনে হচ্ছে।

মুন্ডুমালা ভূমি অফিসের তহসিলদার রবিউলও একই কথা জানিয়ে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে, আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031