IMG-LOGO

বৃহস্পতিবার, ৩০ই জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৪ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৫ই সফর ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
গাড়িবহরে পুলিশের বাধা পেয়ে সড়কে বসে পড়লেন এনসিপি নেতারাঝালকাঠিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রফিকুল ইসলাম জামাল এমপিবাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে-আবু সাইদ চাঁদ এমপিফুলবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানকে আসামি করে থানায় অভিযোগমহাদেবপুরে বাসের ধাক্কায় প্রাণগেল মোটরসাইকেল আরোহীরধামইরহাটে মেধাবী শিক্ষার্থী সাবিরা আক্তারের পড়ালেখায় প্রধান বাধা দরিদ্রতাধামইরহাট সফরে সংরক্ষিত নারী এমপি আন্না মিনজ-দলীয় ও প্রশাসনে পৃথক মত বিনিময়মান্দায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ৯১ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনাপোরশায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যুমান্দায় বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্নবাবার লাশ বাড়িতে রেখে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেয়ে আয়েশাপুঠিয়ায় রাস্তা ও কবরস্থানে উদ্বোধন করলেন নজরুল ইসলাম এমপিজর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানেরব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেনইরাকে ইরানপন্থি গোষ্ঠীর ওপর সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত ৮
Home >> টপ নিউজ >> আইন-আদালত >> রামিসা হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য আদালতে আসামি সোহেল-স্বপ্না

রামিসা হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য আদালতে আসামি সোহেল-স্বপ্না

ছবি: সংগৃহীত

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হবে বুধবার।

ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এই শুনানি হবে। সেজন্য সোহেল ও স্বপ্নাকে সকালেই আদালতে নিয়ে এসে হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা, মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন, কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, এসআই ইকবাল হোসেন, চিকিৎসক নাসাদ জাবিন, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. অহিদুজ্জামান।

গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই ঘটনা সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়।

পুলিশ বলেছে, ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর ফ্ল্যাটের সাবলেট এই ভাড়াটে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন।

পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সেদিনই রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। আসামি সোহেল রানা ‘দোষ স্বীকার করে’ আদালতে জবানবন্দি দেন।

পাঁচ দিন তদন্ত করেই গত ২৪ মে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। দ্রুত বিচার শেষ করার জন্য সেদিনই মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

এরপর ঈদের ছুটি শেষে সোমবার প্রথম কার্যদিবসে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।

সোহেল সেদিন শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সামনে দাবি করেন, তিনি শুধু রামিসাকে ‘দুই টুকরো’ করেছেন। ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে ডলার নামের মিরপুরের এক ব্যক্তি। ডলারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তিনি এ কাজ করেছেন।

এরপর মঙ্গলবার হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। এক দিনেই সাক্ষ্য দেন ১৬ জন সাক্ষী। মামলার বাদী, রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা তার সাক্ষ্যে বলেন, আর কোনো বাবা-মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে পরিবারের সঙ্গে থাকত রামিসা। সে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সোহেল ও স্বপ্না ওই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকতেন। ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামিরা ‘কৌশলে’ তাকে ভবনের তৃতীয় তলায় তাদের রুমে নিয়ে যায়।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে মেয়েটির স্যান্ডেল দেখতে পান তার মা। এরপর ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে রামিসার মা ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় সোহেল ও স্বপ্নার রুমে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বাথরুমের বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পায়। স্বপ্না সেখানে দাঁড়ানো ছিলেন।

মামলায় বলা হয়, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না বলেছেন, রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেন সোহেল। লাশ গুম করার জন্য মাথা ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধ বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহ বাথরুম থেকে এনে শোবার ঘরের খাটের নিচে রেখে দেন। কাটা মাথা বাথরুমের বালতির মধ্যে রেখে জানালার গ্রিল কেটে সোহেল পালিয়ে যান।

রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ওই নৃশংস ঘটনার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ চলছে। বিভিন্ন সংগঠন ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষ সমাবেশ মানববন্ধনের মত কর্মসূচি পালন করছেন। তার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ