IMG-LOGO

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৫ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
মান্দায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে রাসিকের ৩০ ওয়ার্ডে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণগোদাগাড়ীতে অবৈধভাবে সার মজুত ডিলারের এক মাসের কারাদণ্ড,৮১৭ বস্তা সার জব্দরাজশাহী মহানগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৭সিংড়ায় অবৈধভাবে সার মজুত, চার ব্যবসায়ীকে অর্থ ও কারাদণ্ড‘পুলিশকে কোনো বেআইনি নির্দেশনা দেবে না নির্বাচন কমিশন’হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহতবাঘায় আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভাবন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে এবার ভূমিকম্প!জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আনন্দ শোভাযাত্রাকুষ্টিয়ায় যুবদল নেতার ছেলের পিস্তল হাতে ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ সম্মেলনে দাবি ‘খেলনা’মান্দায় ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিনিয়ামতপুরে খোঁয়াড় বন্দী হচ্ছে বিলুপ্তির ‘খোঁয়াড়ে’তানোরে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালনবাগমারায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত
Home >> নগর-গ্রাম >> বিশেষ নিউজ >> সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন দৃষ্টিনন্দন মিনি পার্ক

সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন দৃষ্টিনন্দন মিনি পার্ক

ধূমকেতু প্রতিবেদক, সাপাহার : নওগাঁ জেলার শেষ সীমান্তে অবস্থিত সাপাহার উপজেলা। এই উপজেলায় স্বস্থ্যের মান নিশ্চিত করতে ১৯৮২ সালে সরকারীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ১৯৮৮ সালে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ভবন হিসেবে নির্মিত হয়। পরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট শিশুবান্ধব হাসপাতাল নামে পরিচিতি অর্জন করে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন উন্নয়নের মাঝে স্থান পেয়েছে হাসপাতালের চারিপাশে মিনি পার্কের আদলে গঠিত ফুল বাগিচা। যা সাধারণ রোগী সহ পর্যটকদেরও মন কাড়ে!

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখে পড়বে পরিস্কার তকতকে রাস্তা। রাস্তার দু’পাশে নানা ধরণের ফুল গাছ। একটু ভিতরে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে মিনি পার্কের আদলে গঠিত সুসজ্জিত ফুল বাগিচা। হরেক রকম বাহারী ফুলের গাছ। ফুটে আছে লাল,নীল,হলুদ সহ নানান রঙ-বেরঙের ফুল। একদিকে ঝর্ণার পানি সংরক্ষিত রাখার ছোট্ট একটি চৌবাচ্চা। লম্বা হয়ে নেতিয়ে পড়েছে বাহারী ফুলের ডাল! চারদিকে ফুলের মৌ মৌ গন্ধ। এ যেন মুগ্ধতার এক অপরূপ দৃশ্য যা সত্যিই যেন মন কাড়ার মতো!

আরেকটু সামনে এগিয়ে গেলে দৃষ্টি পড়ে বনজ ও ঔষধী গাছের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাগান। এখানে শোভা পাচ্ছে নানা রকম বনজ ও ঔষধী গাছ।এর পাশেই শোভা পাচ্ছে শান বাঁধানো দৃষ্টিনন্দন পুকুর ঘাট। পুকুরের পানিতে শোভা পাচ্ছে জাতীয় ফুল শাপলা! তার অপর দিকে দৃষ্টি ফেরাতেই চোখে পড়বে কয়েকটি দোলনা। যাতে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন এলাকা হতে আসা শিশুরা মনের আনন্দে দোল খাচ্ছে। কোয়ার্টারের দেয়ালগুলোতে নানারকম চিত্রকর্মও যেন নজর কাড়ার মতো! একদিকে টবে সাজানো নানারকম পাতা বাহারের গাছ। একই টবে বপন করা হয়েছে নানা রকম শাক পাতার গাছ। একদিকে যেমন সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে অপরদিকে স্বাস্থ্যসম্মত শাক পাতাও পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এযেন এক ব্যতিক্রমী উদ্যেগ।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয়তলায় রয়েছে শিশু কর্ণার। বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য নানাবিধ খেলনা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই শিশু কর্ণার।

হাসপাতালের ভিতরে রোগী ও পর্যটকদের গাড়ী রাখার সুবিধার্থে তৈরী করা হয়েছে সাদৃশ্যপূর্ণ একটি গ্যারেজ। এখানে নিরাপদে গাড়ী রেখে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারে সাধারণ রোগীরা।

এই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসেন রোগীরা। মনমতো চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পরে অনেকে ফুলগাছের সাথে মেতে উঠেন ছবি উঠানোর জন্য। শুধু তাই নয় নেট দুনিয়ায় এই হাসপাতালের মিনি পার্কের ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরাও আসেন প্রশান্তির ছোঁয়া নিতে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এধরণের ব্যতিক্রমী উদ্যেগ গ্রহন করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ রুহুল আমিন ও তার টিম। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল আজকের এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী শরিফুল ইসলাম বলেন, এই হাসপাতালে প্রবেশ করলেই রোগ ৫০শতাংশ সেরে যায়। হাসপাতালের পরিবেশ ও ফুল-ফলের গাছ দেখে সত্যিই খুব মুগ্ধ হয়েছি।এরকম পরিবেশ দেশের প্রতিটি হাসপাতালে থাকা দরকার।

ছেলের চিকিৎসা নিতে আসা আসাদুল ইসলাম বলেন, মফস্বল এলাকায় হাসপাতালের দৃশ্য যে এতো সুন্দর হতে পারে তা অকল্পনীয়। আমি আমার ছেলের চিকিৎসা নেওয়ার পরে তাকে পুরো হাসপাতাল ঘুরে দেখালাম। সুন্দর পরিবেশে ঘোরার পর তার অসুস্থতা অনেকটাই কমে গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ রুহুল আমিন এ প্রতিবেদক কে জানান, হাসপাতালে আসার পর থেকে দেখি নানান রকম জিনিস পত্রাদির অভাব রয়েছে। কিছু জায়গা অব্যাবহৃত হয়ে পড়ে আছে। আমি সেসব জায়গাগুলো লোক লাগিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে ফুলের গাছ লাগানো সহ একটা সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্ঠা করেছি। এবং বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে বাইরের সব দৃশ্যগুলো সর্বস্তরের মানুষের নজর কাড়ে। আমাদের দেখে অনেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এধরণের উদ্যেগ গ্রহন করেছেন। বর্তমানে একটি পরিত্যক্ত জায়গা পরিস্কার করে নানা রকম ফলের বাগান করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি এব্যাপারে তার টিমকেও ধন্যবাদ জানান।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031