IMG-LOGO

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৩ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘আমরা রাস্তায় নেমেছি আপনাদের ঘরে গ্যাস-বিদ্যুৎ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য’তানোরে মাটির দেয়াল ধসে গৃহবধুর মৃত্যুচিত্রনায়ক রিয়াজের আগাম জামিন আবেদন ফেরত দিল হাই কোর্টবাগমারায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের দাবি এমপি ডাঃ আব্দুল বারীরতানোরের কামারগাঁ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে সোহেল রানা সকলের দোয়া প্রার্থীবাগমারায় নদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে অবৈধ সুতি জালের বাঁধ উচ্ছেদপাটের বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি রায়গঞ্জের কৃষকেরানয়াদিল্লিতে ছয় তলা মেসবাড়ি ধ্বংসস্তূপে আটকে আছে বহু শিক্ষার্থীসিংড়ায় এসএসসি ’৯৪ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণ ও নৌকা ভ্রমণএকশত পরিবারকে শুকনো খাবার দিলেন সংসদ সদস্যরাজশাহীতে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালতে দশ হাজার টাকা জরিমানা‘লংমার্চের নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে’রাজশাহী মহানগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৫রাণীনগরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনপুঠিয়ায় ৪ মাদকসেবী ও বিক্রেতা আটক
Home >> রাজশাহী >> বিশেষ নিউজ >> রামেক হাসপাতালে রোগীর টিকিটের টাকা কর্মচারীর পকেটে

রামেক হাসপাতালে রোগীর টিকিটের টাকা কর্মচারীর পকেটে

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের টিকিট কাউন্টারের সামনে দুটি সাইনবোর্ড। তাতে লেখা- ‘রোগীর টিকিট মূল্য ১০ টাকা। রোগীর ভর্তি ফি ১৫ টাকা। উপরোক্ত টাকার বেশি দিবেন না। দাবি করলে কর্তৃপক্ষকে জানান।’

কিন্তু এখানে অহরহই নেয়া হয় বাড়তি টাকা। হাসপাতালে জরুরি সেবা নিতে গিয়ে এ বাড়তি টাকা নেয়ার ব্যাপারে কেউ কর্তৃপক্ষকেও জানান না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রোগীর ভর্তি ফি ১৫ টাকার বদলে নেয়া হয় ২০ টাকা। তবে টিকিটের মূল্য নির্ধারিত ১০ টাকার বেশি নেয়া হয় না। রোগীর ভর্তি ফি ১৫ টাকার ক্ষেত্রে খুচরা নেই জানিয়ে টিকিটপ্রতি পাঁচ টাকা বেশি নেয়া হয়। এ টাকা দায়িত্বরত দুই কর্মচারীই সমানভাবে ভাগ করে নেন। তারা কখনও কখনও ভর্তি ফি ২০ টাকারও বেশি নিয়ে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

গত ২ জানুয়ারি ‘আমাদের রাজশাহী সিটি’ নামের একটি ফেসবুক আইডিতে এ ব্যাপারে একটি পোস্ট দেয়া হয়। ‘ন্যায়বান বিজয়ী’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেয়া পোস্টে বলা হয়- ‘রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্নীতিতে সাধারণ জনগণ অতিষ্ঠ। রোগী ভর্তির টিকিট ১০ টাকার জায়গায় ২০ টাকা নিয়ে থাকে এবং ভর্তি ফরম ১৫ টাকার জায়গায় ৩০ টাকা জোরপূর্বক নিয়ে থাকে। এ থেকে আমরা মুক্তি চাই।’

এমন পোস্ট নজরে আসার পর ২ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি বিভাগে গিয়ে বেশি টাকা নেয়ার চিত্র দেখা যায়। ওই রাতে কাউন্টারে টিকিট বিক্রির দায়িত্বে ছিলেন জহিরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। জরুরি বিভাগের সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়েই অন্তত ১৫ জন রোগীকে ভর্তির ক্ষেত্রে তাদের বাড়তি টাকা আদায়ের চিত্র দেখা যায়।

এর মধ্যে রাত ৮টা ৪০ মিনিটে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া রোগী সালমা (১৩), একই সময় একই ওয়ার্ডের আরেক রোগী শিমু (২০), ৮টা ৪৫ মিনিটে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া রোগী ঈশিতা (২০), একই সময় একই ওয়ার্ডের আরেক রোগী জান্নাতুন্নেসা (২৪), ৮টা ৫০ মিনিটে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া তিন দিন বয়সী শিশু বাবু, একই সময় ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের রোগী সাদেক আলী (৬০) এবং একই সময় একই ওয়ার্ডের রোগী আজিমুদ্দিনের (৪৫) স্বজনদের কাছ থেকে ১৫ টাকার ভর্তি ফরমের জন্য ২০ টাকা নিতে দেখা গেছে।

রোগীর যেসব স্বজন ভর্তি ফরম সংগ্রহ করছিলেন তারাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। অথচ ভর্তি ফরমের ওপরেও লেখা আছে এর মূল্য ১৫ টাকা।

রামেক হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভর্তি করতে হলে তার জন্য দুইবার টিকিট কাউন্টারে যেতে হয়। রোগীকে আনার পর প্রথমে ১০ টাকার একটি টিকিট নিয়ে রোগীকে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের কাছে দেখাতে হয়। এরপর তিনি যদি রোগীকে ভর্তি করানোর প্রয়োজন বোধ করেন তাহলে তার জন্য এবার ভর্তি ফরম কেনার প্রয়োজন পড়ে।

প্রথমবার টিকিটের দাম ১০ টাকা রাখা হলেও পরেরবার নেয়া হয় পাঁচ টাকা বেশি। তবে কেউ ১৫ টাকা দিলে বাড়তি টাকা চেয়ে নিতে দেখা যায়নি। কিন্তু কেউ ফরমের দাম জানতে চাইলে ২০ টাকা বলতে দেখা গেছে। মূল্য ১৫ টাকা লেখা থাকার বিষয়ে রোগীর স্বজন জানতে চাইলে কাউন্টার থেকে জানানো হয়- তাহলে খুচরা ১৫ টাকা দিন।

তবে জরুরি সেবা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা পাঁচ টাকার জন্য বাগবিতণ্ডায় জড়ান না। ২০ টাকা দিয়ে তারা ফরম নিয়ে ছোটেন। উত্তরবঙ্গের বৃহৎ এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ৭০০ জন রোগী ভর্তি হন।

প্রতিটি ভর্তি ফরমের জন্য পাঁচ টাকা বেশি নেয়া হলেও তা সাড়ে তিন হাজারে দাঁড়ায়। বাড়তি নেয়া এই টাকা কাউন্টারে দায়িত্বে থাকা হাসপাতালের কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন।

২ জানুয়ারি ফরমের মূল্য বেশি নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জহিরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান তা অকপটে স্বীকার করেন।

তবে তারা দাবি করেন, অনেক সময় অজ্ঞাত রোগী নিয়ে আসা হয় জরুরি বিভাগে। হাসপাতালে তার কোনো স্বজন থাকে না। কিন্তু তার ক্ষেত্রেও ২৫ টাকার দুটি টিকিটের প্রয়োজন হয়। তখন অন্যদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত পাঁচ টাকা এই রোগীর সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, কাউন্টারে টিকিটের অতিরিক্ত মূল্য নেয়ার কারণে সম্প্রতি এক কর্মচারীকে পাবনায় বদলি করা হয়েছে। কারও নামে যদি এ অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সুযোগ নেই।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031