IMG-LOGO

সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২২ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘আমরা রাস্তায় নেমেছি আপনাদের ঘরে গ্যাস-বিদ্যুৎ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য’তানোরে মাটির দেয়াল ধসে গৃহবধুর মৃত্যুচিত্রনায়ক রিয়াজের আগাম জামিন আবেদন ফেরত দিল হাই কোর্টবাগমারায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের দাবি এমপি ডাঃ আব্দুল বারীরতানোরের কামারগাঁ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে সোহেল রানা সকলের দোয়া প্রার্থীবাগমারায় নদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে অবৈধ সুতি জালের বাঁধ উচ্ছেদপাটের বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি রায়গঞ্জের কৃষকেরানয়াদিল্লিতে ছয় তলা মেসবাড়ি ধ্বংসস্তূপে আটকে আছে বহু শিক্ষার্থীসিংড়ায় এসএসসি ’৯৪ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণ ও নৌকা ভ্রমণএকশত পরিবারকে শুকনো খাবার দিলেন সংসদ সদস্যরাজশাহীতে বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালতে দশ হাজার টাকা জরিমানা‘লংমার্চের নামে বিরোধী দল গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা করছে’রাজশাহী মহানগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৫রাণীনগরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধনপুঠিয়ায় ৪ মাদকসেবী ও বিক্রেতা আটক
Home >> রাজশাহী >> বিশেষ নিউজ >> ‘ম্যাকাও’ পাখির কণ্ঠে মানুষের কথা

‘ম্যাকাও’ পাখির কণ্ঠে মানুষের কথা

ধুমকেতু প্রতিবেদক, জাহিদ হাসান সাব্বির : রাজশাহীতে পাওয়া যাচ্ছে ব্রাজিল থেকে আমদানীকৃত কথা বলা পাখি ‘ম্যাকাও গোল্ড ব্লু’। যার বাজার মূল্য দেড় লাখ টাকা।

প্রায় ৪ হাজার বছর আগে সৌন্দর্যকে বন্দি করতে পাখির খাঁচার সূচনা হয়েছিল। প্রাচীনকাল থেকেই পাখি মানুষের বসতির সাথে ছিল মিলেমিশে। প্রাচীন গ্রিসে প্যারাকিট পোষা হতো। রাজাদের মধ্যেও পরস্পরকে পাখি উপহার দেওয়ার রেওয়াজ ছিলো একসময়।

যদিও এদেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী খাঁচায় পাখি পোষা বা এ ধরনের ব্যবসা অনেকটাই নিষিদ্ধ। তবুও মানুষ শখের কাছে বন্দি। তাই পাখি পোষায় মনের সুখ কেনেন অনেকেই। কিছু পাখি পোষ মানে, কিছু আবার বন্য। নগর সভ্যতায় পাখি পোষাকে সৌখিনতা ও রুচিশীলতা হিসেবে গণ্য করা হয়। ব্যস্ত নাগরিক জীবনের হয়ত এতটুকুই সুখ।

রাজশাহীতে পাখি পোষার রেওয়াজ অন্তত ২০০ বছরের পুরনো। শুরুর দিকে এটি কেবল উচ্চবিত্তের শখ ছিলো। আশির দশকে প্রায় ঘরে ঘরে ময়না-তোতা রাখা হতো। অনেকে এটাকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে দেখেন।

মানুষের শখকে ঘিরে রাজশাহী নগরীতে গড়ে উঠেছে পোষা পাখি বিক্রির দোকান। নগরীতে বিভিন্ন এলাকায় পাখির দোকান রয়েছে। এর মধ্যে শিরোইল, সাগরপাড়া, কোর্ট বাজার অন্যতম। শিরোইল, সাগরপাড়ায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পাখি সংগ্রহে থাকে।

শিরোইল মোল্লামিলের পাশের আলি হোসেন বার্ড প্যালেস পাখির দোকানে গিয়ে দেখা যায় নানা জাত ও রঙের পাখির কিচিরমিচির শব্দ। এখানে পাখি কিনতে ভীড় করে নগরীর পাখিপ্রেমীরা। দোকানগুলোতে পাখি ছাড়াও আছে খরগোশ।

সারোয়ার নামে এক পাখি ক্রেতা ধুমকেতু নিউজকে বলেন, ‘পাখি পোষা আমার শখ। বাসায় আমার এক জোড়া ককাটেল পাখি আছে। পাখির জন্য খাবার নিলাম। পাখির দাম গত দিনের থেকে আজ কম আছে। করোনা ভাইরাসের প্রাদুরভাবে পাখির খাবারের দাম কিছুদিন বেশি থাকলেও এখন তা স্বাভাবিক আছে।’

লাবণ্য ইসলাম নামে অপর এক পাখি ক্রেতা ধুমকেতু নিউজকে জানান, ‘আমি বাজরিগার ও লাভবার্ড পুষে আসছি ২ মাস ধরে। এখানে এসেছি পাখি কিনতে। পাখি দেখতে সুন্দর লাগে। ঘুম ভাঙতে পাখির ডাক শুনতে ভালো লাগে আমার। তাই পোষা পাখির প্রতি এতো টান।

পাখি বিক্রেতা আলি হোসেন ধুমকেতু নিউজকে বলেন, ‘মানুষ এখন খাঁচায় পাখি ও পায়রা পুষতে খুব ভালোবাসে। মানুষের মধ্যে পাখির চাহিদাও আছে অনেক। তবে এখন করোনা প্রাদুরভাবের ফলে আমরা ক্রেতা পাচ্ছি না তাছাড়া গত কিছুদিন থেকে পাখির খাবারের দাম বাড়তি থাকায়ও ক্রেতা সমাগম হচ্ছে না আগের মতে। বিপুল পরিমান লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। বন্ধ হচ্ছে বিভিন্ন পাখির খামার।

তিনি বলেন, আমার দোকানে দেশি-বিদেশি অনেক ধরনের পাখি আছে। এগুলোর মধ্যে রোজেলা দাম ৩৫ হাজার টাকা, সান কুনর দাম ২৫ হাজার টাকা, লাভর্বাড দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা, টিয়া, পাইন অ্যাপেল টিয়া দাম ১৫ হাজার টাকা, জাপানি বাজরিকা দাম ৫ হাজার টাকা, দেশি বাজরিকা, ব্লুটিয়া এসব পাখি বিক্রি করি, এছাড়াও রয়েছে ঘুঘু (চাইনা ডাইসন ডভ), রয়েছে বিভিন্ন জাতের কবুতর যেমন: সিরাজি, লাক্খা, সাটানসহ আরো অনেক কবুতরের জাত। বিক্রি হওয়া নির্ভর করে মানুষের শখের ওপর।

তিনি ধূমকেতু নিউজকে বলেন, আমার দোকানের পাখিগুলোর মধ্যে অন্যতম ম্যাকাও গোল্ড ব্লু। এই পাখির দাম প্রায় দেড় লাখ টাকা। ব্রাজিল থেকে আমদানি করা এই জাতের পাখির নাম ম্যাকাও গোল্ডেন ব্লু। পাখিটি ঠোঁটে ঠোঁটে কথা বলে। ৬টি শব্দ উচ্চারণ করতে পারে ম্যাকাও নামের এই পাখিটি। রাজশাহীর পাখির বাজারে এটিই বর্তমানে সর্বোচ্চ দামি পাখি।

অন্যান্য জাতোর পাখির দরদাম :
কোকোটাইল পাখি জোড়াপ্রতি ৫০০০, বাজরিগার পাখি ৫০০-১০০০, ডায়মন্ড ডাব ১২০০, বাচ্চা লাভবার্ড সর্বনিম্ন ৩০০০ টাকা, লাক্ষা পায়রা ২০০০-২২০০, সিরাজি পায়রা ৩০০০- ৩২০০। বাচ্চা খরগোশ জোড়া ৫০০ টাকা, বড় খরগোশ ৭০০-৮০০ টাকা। জাত অনুযায়ী লাভ বার্ডের দাম ভিন্ন হয়।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031