ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১১ দলীয় ঐক্যে পদযাত্রা জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে পৌঁছেছে। সেখানে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য অবস্থান নিয়েছেন তারা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা (এমপি)।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে সৌদিয়া ট্রেড সেন্টারের সামনে জমায়েত শেষে এই পদযাত্রা শুরু করা হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কড়া সমালোচনা করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার দাবি জানান। সেখানে অনেকে বক্তব্য দেন।
পদযাত্রায় অংশ নেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতে যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান ছাড়াও আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের অনেকে।
সংসদ ভবন১১ দলীয় ঐক্য
আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে গুমের শিকার পরিবারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করার ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। আগামী রোববার এই কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিচারবির্হিভূতভাবে অনেকেই গুম, খুনের শিকার হয়েছে। সেগুলোর বিচারও আজ পর্যন্ত হয়নি। এগুলোকে সামনে রেখে আগামী ৩০ তারিখে বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ অভিমুখে গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পদযাত্রা করবে ১১ দলীয় ঐক্য।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দেশে যে দুর্ভোগ চলছে—গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেল, সার…. সরকারের যে ব্যর্থতা, সর্বত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। পুরো জাতি অনেক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। একদিকে পার্লামেন্টে চলছে, জুলাই সনদ, গণরায় বাস্তবায়ন না করায়… আলোচনা হয়েছে। আরেকটা হচ্ছে, গুমের শিকার পরিবারগুলো এখনও জানে না, তাদের পরিবারের যে সকল সদস্য গুম হয়েছে, তারা এখন কোথায়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন নেতারা।



