IMG-LOGO

বৃহস্পতিবার, ২৭ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ, অবতরণের পর মৃত ঘোষণানেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ১৮, বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৩৮৪‘রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করতে পারি না’চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১২৫ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ গ্রেফতার ১সালিসে ১ লাখ ৫০ হাজার জরিমানা, হাতে গেল ১ লাখ—বাঁকি ৫০ হাজার চেয়ারম্যানের ‘খাটুনির মজুরি’?নন্দীগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তারজামিন আবেদন নাকচ, দুই বছরের সাজার মামলায় কারাগারে বিদিশাচাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কমিটি অনুমোদন: আহ্বায়ক দেলোয়ার , সদস্য সচিব হেলালতারাগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালীপুঠিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডরাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়ীপ্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়মান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ রাউন্ড গুলি, আতঙ্কফুলবাড়ী কয়লা খনি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিশ্বাসঘাতকতা বললেন অধ্যাপক আনু মোহাম্মদনিয়ামতপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনেআলোচনা ও দোয়া মাহফিলপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বমানের করে সাজানো হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
Home >> কৃষি >> পুষ্টি বাগানে বদলে গেছে তারাগঞ্জের একটি গ্রাম

পুষ্টি বাগানে বদলে গেছে তারাগঞ্জের একটি গ্রাম

ধূমকেতু প্রতিবেদক, তারাগঞ্জ : পারিবারিক পুষ্টি বাগান। কৃষিতে এক নতুন দিগন্ত। প্রথমে পুষ্টির চাহিদা মেটাতে করা হয়েছে। আবার বাড়তি ফসল বিক্রি করে আয়ও হচ্ছে। রংপুরের তারাগঞ্জে কৃষি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত ও পরিবারের নিরাপদ খাদ্যের চাহিদা পূরণে গড়ে তোলা হচ্ছে এ বাগান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের সহযোগিতায় ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পে’র আওতায় রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর গোমস্তা পাড়ায় তৈরি করা হয়েছে ২৫টি পুষ্টি বাগান। ইতোমধ্যে কালিকাপুর মডেলের এসব বাগান থেকে শাকসবজি আহরণ শুরু করেছেন চাষিরা। উৎপাদিত সবজি দিয়ে তারা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করে আয়ও করছেন।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রতিটি উপজেলায় বাছাইকৃত তালিকাভুক্ত পরিবার থেকে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে প্রথমে দু’দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় দেড় শতক জমিতে নান্দনিক বেড়া দিয়ে কালিকাপুর মডেলে পুষ্টি বাগানের প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়। বাগানের মডেল এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যেন একজন কৃষক সারাবছরই এখান থেকে কিছু না কিছু ফসল পান। কখনো সবজি থাকবে, আবার কখনো থাকবে ফল। বীজ, সার, চারাসহ যাবতীয় ব্যয় সরকারের তরফ থেকে বহন করা হচ্ছে। কৃষাণ-কৃষাণী শুধু পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রতিটি বাগানে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর পাঁচটি ও দুই মাথায় দুটি বেড রয়েছে। এছাড়া দুই পাশে মাচা রয়েছে। বেডে লাগানো হয়েছে শাক-সবজি ও মাচায় লাউ-কুমড়া-সিম-বরবটি-ঝিঙা। তাছাড়া দুই মাথায় নিটি করে ছয়টি ফল ও মসলার চারা রোপণ করা হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও ফলের চারা বাগানের বাইরে অন্যত্র লাগানো হয়েছে। শাক-সবজির মধ্যে রয়েছে লাল শাক, গীমা কলমি, পুঁইশাক, ডাটা শাক, ধনিয়া, কাঁচা মরিচ, মুলা। ফলদ ও মসলা উৎপাদনে মাল্টা, থাই পেয়ারা, বাতাবী লেবু ও আদা লাগানো হয়েছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন এবং সরেজমিনে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু সায়েম রোগ ও পোকা থেকে পুষ্টি বাগান কে রক্ষা করতে সবরকম পরামর্শ দিয়ে ও সরেজমিন খোঁজ নিয়ে সার্বিক সহায়তা করছেন।

উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামের সুবিধাভোগী কৃষাণি রেনুকা সরকার জানান, বর্ষাকালীন সবজি তোলা হয়েছে। সন্তোষজনক উৎপাদন হয়েছে। প্রতিমাসে তিনি তার ৫ সদস্যের পরিবারের ১৫/২০ দিনের সবজির চাহিদা এখান থেকে মেটাতে পারছেন। এছাড়া মাঝেমধ্যে কিছু বিক্রি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিস কিনছেন।

অন্য এক সুবিধাভোগী জাহেদুল ইসলাম বলেন, আমার বাড়ির আঙিনায় কৃষি অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী সবজি চাষ করেছি। বেশ কিছুদিন ধরে বাজার থেকে আমাকে শাকসবজি কিনতে হয় না।

গোমস্তা পাড়া গ্রামের কৃষানি কামরুন্নাহার বলেন, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় কিছুদিন আগে বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ করেছি। আশা করছি নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কিছু সবজি বিক্রি করতে পারবো। এর আগেও আমরা তরিতরকারি লাগাতাম, তবে সেটা এত উন্নতভাবে নয়।

ঘনিরামপুর ব্লকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু সায়েম বলেন, উন্নতমানের বীজ, ফল ও মসলার চারা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে। চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার এবং বেড়া বাবদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই গ্রামে ২৫টি পুষ্টি বাগান স্থাপন করা হয়েছে।

তারাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ উর্মি তাবাসসুম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে ‘এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে।’ সে অনুযায়ী আমরা পারিবারিক সবজি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে বসতবাড়ির আঙিনায় অনাবাদি ও পতিত জমিতে প্রকল্পের সহযোগিতায় উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে সবজি, মসলা ও ফল উৎপাদনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, পতিত জমির সদব্যবহারের মাধ্যমে চার সদস্যের একটি পরিবারের সবজির অর্ধেক চাহিদা নিশ্চিত করতে পারে এমন ব্যবস্থা এখানে রাখা হয়েছে। পরিবারের নারীরা কাজের ফাঁকে যাতে পরিচর্যা করতে পারেন, সেজন্য তাদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031