IMG-LOGO

বৃহস্পতিবার, ২২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
গোদাগাড়ীতে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ আতঙ্কে পৌরবাসী,পরীক্ষা অনুপাতে বাড়ছে পজিটিভের হারতাইওয়ানে ২২৭ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে টাইফুন চাম্পিরাজশাহী থেকে অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলো ঢাকায়‘‘গুপ্ত’ দল ও পতিত আ. লীগ যৌথভাবে চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে’‘সাজেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি’রাতের আঁধারে শহীদ মিনার ভাঙচুর নিয়ে ধোঁয়াশা, ভাঙচুর নাকি নড়বড়ে স্থাপনা?পবার বড়বিলের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে: এমপি মিলনঅসুস্থ ভূমিমন্ত্রীকে রামেক হাসপাতালে দেখতে গেলেন রাসিক প্রশাসকবিচারের নাম করে যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধেআড়ম্বরের ভিড়ে ভক্তিটা যেন হারিয়ে না যায়: বাণিজ্যিক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রথীন্দ্রনাথ দত্তরাণীনগরে পুকুরে বিষ প্রয়োগে ১৫লাখ টাকার সিং মাছ নিধনের অভিযোগরাণীনগরে উত্ত্যক্তে বাধা দেয়ায় মন্দির কমিটির সহ-সভাপতিসহ ২জনকে ছুরিকাঘাতবাগমারায় জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবিরএবার রিয়াদের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা বিমানেরভূমিমন্ত্রী মিনু অসুস্থ হয়ে রামেক হাসপাতালেভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা
Home >> নগর-গ্রাম >> বিশেষ নিউজ >> বদলগাছীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে ব্যারাক

২৭০টি পরিবারের মধ্যে ১৮৫টি ঘরই ফাঁকা

বদলগাছীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে ব্যারাক

বদলগাছীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে ব্যারাক

বদলগাছীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে ব্যারাক। ছবি- ধূমকেতু প্রতিবেদক, বদলগাছী

ধূমকেতু প্রতিবেদক, বদলগাছী : নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের পূর্ব বনগ্রাম এর হাস্তা বিলে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্পে পূনর্বাসিত ২৭০ টি পরিবারের মধ্যে ১৮৫টি ঘরই ফাঁকা রয়েছে। আবাসন প্রকল্প দীর্ঘ ১২ বছর অতিবাহিত হলেও পূনর্বাসিত গ্রামে ফিরে যাওয়া পরিবারগুলো আর এই আবাসনে ফিরে আসেননি। আর বেশিরভাগ টিনের ব্যারাকগুলি জং-মরিচা ধরে ফুটা ফুটা হয়ে নষ্ট হয়ে পড়েছে। আবার আবাসন প্রকল্লের ভিতরের রাস্তাগুলি দিয়ে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত কাদার কারণে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর। আর এসব রাস্তা ও ব্যারাকগুলি সংস্কারের জন্য নেওয়া হয়নি কোন উদ্যোগ। আবাসন প্রকল্পের ভিতরের রাস্তা ও ব্যারাক গুলো সংস্কার করা না হলে ২/৩ বছরের মধ্যে সব ব্যারাক গুলো শুণ্য হয়ে যাবে।

জানা যায়, পূর্ব বনগ্রাম আবাসন প্রকল্পে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভূমিহীনদের তালিকা প্রনয়ণ করে ২৭০ টি পরিবারকে প্রাথমিক পর্যায়ে ঘর বরাদ্দ করে ২০১২ সালে ২৭০টি পরিবারকে এই আবাসনে পূনর্বাসন করা হয়। পূনর্বাসিত পরিবাররা প্রথম দিকে আনন্দের সংগে ওই ঘরগুলোতে বসবাস শুরু করলেও ৩/৪ মাসের মধ্যে পুরো ব্যারাকগুলো যেন ফাঁকা হয়ে যায়। তারা তাঁদের বরাদ্ধকৃত আবাসন ঘরে তালা ঝুলিয়ে গ্রামের বাড়ীতে চলে যায়। বর্তমানে ওই আবাসন প্রকল্পে মাত্র ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার বসবাস করছে যা শুরু থেকেই। প্রায় ৯ বছর পর আরো ১০ থেকে ১৫টি পরিবার এই আবাসন প্রকল্পে নতুন করে বসবাস শুরু করে। বর্তমান এখানে মোট ৮৫টি পরিবার বসবাস করছে।

সরে জমিনে গিয়ে দেখাযায়, পূর্ব বনগ্রামের আবাসন প্রল্পের ভিতরের রাস্তাগুলো সব কাদায় একাকার হয়েগেছে। বেশির ভাগ ব্যারকগুলো জং,মরিচা ধরে ভেঙ্গে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরে আছে। যে সব ব্যারকে লোকজন বসবাস করছে সেই ব্যারাকগুলোর বেশির ভাগ ব্যারাক জং-মরিচা ধরে টিনগুলো খুলে খুলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আবার কারো কারো ব্যারাকের ঘরের টিনের চাল ফুটো ফুটো হয়ে গেছে।

ব্যারাকে বসবাসকৃত রফিকুল ইসলাম সাংবাদিককে দেখতে পেয়ে বলেন, আমি আমার পরিবার নিয়ে ঘরের ভিতরে খুব কষ্টে দিন-রাত যাপন করছি। ঘরের ভিতরে নিয়ে গিয়ে টিনের চালা পুরাটাই ফুটো হয়ে গেছে সেটি দেখান।

আবাসন প্রকল্পে বসবাসকৃত লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাসানে পূর্নবাসিত করার আগে সরকারি নানা সুযোগ সুবিধার কথা বলা হয়েছিল আবাসনে বসবাসকৃত লোকজনদের। এ পর্যন্ত তারা আবাসনে বসবাস করে কয়েক বছর থেকে নাম মাত্র কিছু সুযোগ সুবিধা পেয়েছে। এই আবাসনে ২টি পুকুর রয়েছে তা অবৈধ ভাবে ইউএনও অফিস থেকে লিজ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় এ বিষয়ে দৈনিক সংবাদে এক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ২০১৮ ইং সালে পুকুর দুটি পূনর্বাসিতদের দখলে ছেড়ে দেওয়া হয়। কর্মসংস্থান না থাকায় লোকজন থাকতে চায়না এ আবাসন প্রকল্পে।

সবচেয়ে মজার বিষয় হল নিয়ম নীতিকে উপেক্ষা করে বিল বা জলাশয়ে আবাসন প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। কিন্তু জলাশয়ে বসবাস যোগ্য নয় জন্যই তৎকালীন ইউএনওর আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমানারা খানম এর স্বাক্ষর জনিত চিঠির মাধ্যমে পূর্ববনগ্রাম হাস্তা বিলসহ উপজেলার কিসমত পাঁচ ঘড়িয়া বিল, মাহমুদ বিলা ও ঐতিহ্যবাহী নহেলাকাষ্টগারী বিল সম্পূর্ন রূপে বিলের শ্রেণী পরিবর্তন করে ভিটা জমিতে রূপান্তর করা হয় বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায় । উপজেলার পূর্ব বনগ্রাম হাস্তাবিল একটি ঐতিহ্যবাহী জলাশয় যা ভিটা মাটিতে রূপান্তর করা হয়েছে।

আবাসন পরিবারের সিদ্দিক, খুদু, হামিদ, দুলাল হোসেন, নূর ইসলাম, ওয়াজদুল, কুদ্দুস, লিলিফা, লুৎফা বেগম, ফেরেজা বেগম ও শাহিদা জানান, ধুধু মাঠের মধ্যে এই আবাসন প্রকল্প নেই কোন কর্মসংস্থান। আশে পাশে কোন গ্রামও নেই যে মানুষের বাড়িতে কাজ করবো। পুকুর গুলি ৫ বছর আগে অবৈধ দখল মুক্ত হয়েছে। এছাড়াও আবাসনে বসবাসকারীরা জানালেন রাস্তা, স্কুলসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা।

বদলগাছীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে ব্যারাক
বদলগাছীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে ব্যারাক। ছবি- ধূমকেতু প্রতিবেদক, বদলগাছী

আবাসন প্রল্পের সভাপতি আব্দুল জব্বার জনায়, আবাসন প্রকল্পের যে রাস্তা রয়েছে, একটু রাত হলে চলাচল হয় বিপদজনক। ব্যারাকের ভিতরে চলাচলের যে রাস্তা রয়েছে তা ইট সোলিং না করে দিলে এখানে বসবাস করা খুব কষ্টকর। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা পিচ্ছিল ও কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আবাসনের প্রায় সব ব্যারাকগুলি এখন নষ্ট হতে শুরু করেছে। এখানে ছোট ছোট বাচ্চাদের লেখাপড়া করার জন্য নেই কোন বিদ্যালয়, ছেলে মেয়েরা কোথায় গিয়ে পড়াশুনা করবে। এখানে নামাজ পড়ার জন্য ছিলনা কোন মসজিদ। কিন্তু বছর ৩ আগে এখানে বসবাসকারীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে একটি টিনের মসজিদ তৈরি করা হয়। সেই মসজিদের টিন গুলো খুবই খারাপ। রোদ হলে প্রচন্ড গরম হয় ঘরে। টিনের ঘরে দিনের বেলায় গরমে থাকা যায় না। তার পরেও খেয়ে না খেয়ে নানা ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে বর্তমানে ৮০ থেকে ৮৫টি পরিবার এখানে বসবাস করছি। রাতে ঘরের জানালা খুলে রাখা যায় না। অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা ও নেশাখোরেরা এসে জানালায় ধাক্কাধাক্কি করে।

জব্বার আরও বলেন, এই আবাসনে বসবাসরত যাদের গ্রামে বাড়ী ঘর রয়েছে তারা আবাসনের ঘরে এক রাত বসবাস করেই তালা চাবি ঝুলিয়ে দিয়ে চলেগেছে। কিছু কিছু পরিবার আরও ২/১ দিন বেশি থেকেছে। এখন অধিকাংশ ব্যারাক ফাঁকা রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা এখানে বসবাসরত লোকজনদের কোন কর্মসংস্থান নেই। তারা সরকারিভাবে কোন পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পায় না। এই আবাসনে মোট ৫৪ টি ব্যারাক রয়েছে। প্রতি ব্যারাকে ৫টি করে পরিবার থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। অধিকাংশ ব্যারাক বর্তমানে জাং-মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর এই জং মরিচা ধরা ব্যারাক গুলি সংস্কারের কোন ব্যবস্থা করা হয়নি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহবুব হাসান এর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমি এখানে নতুন এসেছি আমি আসার অনেক পূর্বে এই আবাসন প্রকল্প নির্মিত হয়েছে। আমি ২/১ দিনের মধ্যে সেখানে সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবো। ঘুরে এসে সেখানকার সম্যসাগুলো সমাধানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়টি আমি গুরুত্ব সহকারে দেখবো।

আরও নিউজ ও ভিডিও পেতে ক্লিক করুন :

ওয়েব সাইট : https://dhumkatunews.com/
ইউটিউব ভিডিও লিংক : https://www.youtube.com/@dhumkatunews/featured
টুইটার : https://twitter.com/dhumkatunews
ইন্সটেগ্রাম : https://www.instagram.com/dhumkatunews/
লিংকডইন : https://www.linkedin.com/in/dhumkatunews/
পিনটারেস্ট : https://www.pinterest.com/dhumkatunew

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930