IMG-LOGO

শনিবার, ১৫ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩১ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ হবে’অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনবাঘায় সুষ্ঠ পরিবেশে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিযুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিতআই.এইচ.টি, রাজশাহীর গৌরবময় ৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে সাধারণ সভানিয়ামতপুরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনআগামী সপ্তাহেই দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানপত্নীতলায় পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ ২ জন আটকসরকার অসহায়, দুস্থ, এতিম, প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিনহামের উপসর্গে দেশে আরও ৪ শিশুর মৃত্যুচারঘাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্বশুর-পুত্রবধূর মৃত্যু১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণাচট্টগ্রামে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় মৃত্যু বেড়ে ৮দুই হাত হারিয়েও থামেনি, মুখ দিয়ে লিখে দাখিল পাশ করলো রিয়াদরাজশাহী মহানগরীতে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২০রাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শামীম, সম্পাদক সুমন
Home >> জানা-অজানা >> কেন মাটি বিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর জাদুকরি বস্তু

কেন মাটি বিশ্বের সবচেয়ে বিস্ময়কর জাদুকরি বস্তু

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : মাটির অসামান্য, বিস্ময়কর ক্ষমতা সম্পর্কে মানুষ কতটুকু জানে? খুবই কম। এই বিশ্বের সবচেয়ে হেলাফেলার বস্তুগুলোর একটি হলো মাটি। মানুষের কাছে মাটি মানে হলো নেহাতই প্রাণহীন নির্জীব ধুলোবালি। কিন্তু এই ধারণা শুধু ভুল নয় -চরম ভুল- বলছেন বিজ্ঞানীরা।

প্রাণহীন ধুলো-কাদা তো নয়ই বরঞ্চ মাটি এতটাই জীবন্ত যে এক গ্রাম ওজনের মাটিতে ৫০ হাজার প্রজাতির মাইক্রো-অর্গানিজম বা অণুজীব থাকতে পারে। এই বিশ্বের জনসংখ্যা যত, এক চায়ের চামচ সমান মাটিতে তার চেয়েও বেশি অণুজীব থাকতে পারে।

পায়ের নিচে এই লুকোনো যে জগত, সেখানকার যে বিশাল কর্মযজ্ঞ – এখনও মানুষ তার সামান্যই জানে। কিন্তু মাটির নিচে এসব জীব এবং অণুজীব দিন-রাত বিস্ময়কর অমূল্য সব কাজ করে চলেছে।

কোটি কোটি বছর ধরে অভিযোজনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য এসব অণুজীব অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান তৈরি করছে। মানুষ ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে বাঁচতে যেসব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করছে তার অনেকগুলোর ভিত্তিই হচ্ছে মাটির নানা অণুজীবের তৈরি অ্যান্টিবায়োটিক। সুতরাং আমরা জীবন রক্ষার ওষুধ পাচ্ছি মূলত মাটি থেকে।

এবং আমরা জানি না আমাদের পায়ের নিচে মাটির তলে চিকিৎসার আরো কত সূত্র চাপা রয়েছে। মাটির নিচে বিশেষ যে প্রাণীটি তৎপর তা হলো – কেঁচো।

বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন কেঁচো নিয়ে এতটাই বিস্ময় বোধ করতেন যে তিনি বলেছিলেন, “এই বিশ্বের ইতিহাসে কেঁচোর মত আর কোনো প্রাণী এত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে হয় না।”

মাটির নীচে বিশেষ যে প্রাণীটি তৎপর তা হলো – কেঁচো। বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন কেঁচো নিয়ে একটাই বিস্ময় বোধ করতেন যে তিনি বলেছিলেন, “এই বিশ্বের ইতিহাসে কেঁচোর মত আর কোনো প্রাণী এত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে হয়না।“

মাটির নীচে বিশেষ যে প্রাণীটি তৎপর তা হলো – কেঁচো। বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন কেঁচো নিয়ে একটাই বিস্ময় বোধ করতেন যে তিনি বলেছিলেন, “এই বিশ্বের ইতিহাসে কেঁচোর মত আর কোনো প্রাণী এত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে হয়না।“

কারণ কেঁচো শুধু মাটি তৈরিই করে না, মাটির সুরক্ষা করে। মাটির নিচে এই প্রাণীর চলাচলের ফলে যে খালি জায়গা তৈরি হয় তাতে গাছ তার শেকড় বিস্তারের সুযোগ পায়। আর মাটিতে নিচে ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়ার মাটির শক্তি বাড়ে। সেই সাথে মাটির নিচে ছড়িয়ে রয়েছে ফাঙ্গি বা ছত্রাকের বিশাল এবং জটিল জাল।

গাছ-পালা এবং ছত্রাক বেঁচে থাকার জন্য একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের মধ্যে দেয়া-নেয়ার খেলা চলে।

গাছের মত ফাঙ্গি বা ছত্রাক কার্বন ডাই অক্সাইড শুষে নিয়ে বাড়তে পারে না, কিন্তু মাটির নিচ থেকে পুষ্টি শুষে নিতে তারা অধিকতর পারদর্শী। ফলে, গাছ ও ছত্রাকের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পুষ্টির লেনদেন হয়।

পাশাপাশি, গাছ বা গাছের অংশবিশেষ মরে যায় বলে অণুজীব তা থেকে খাবার পায়। ঐ সব অণুজীব আবার পোকা মাকড়ের খাবার। পাখি আবার ঐ সব পোকামাকড় খায়। এভাবেই নিরলসভাবে চলতে থাকে প্রকৃতির এই প্রক্রিয়া। মানুষ যা খায় তার প্রায় সবটাই কোনো না কোনোভাবে মাটি থেকেই আসে।

কিন্তু বিষয়টা শুধু এমন নয় যে মাটি আমাদের জন্য কী কী করছে? মাটির গুরুত্ব অনুধাবন করা, মাটির সুরক্ষা আরো নানা কারণে জরুরি।

একশ বছরে এক চিমটি মাটি
আপনি কি জানেন যে মাত্র পাঁচ বর্গ মিলিমিটার মাটি সৃষ্টি হতে ১০০ বছরেরও বেশি সময় লাগে? কিন্তু বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে, নগরায়নের কারণে বা ভূমিধসের কারণে মুহূর্তে সেই মাটি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। কিছু মাটি বহু পুরনো – কোটি কোটি বছর পুরনো।
এক গ্রাম ওজনের মাটিতে ৫০ হাজার প্রজাতির মাইক্রো-অর্গানিজম বা অণুজীব থাকতে পারে। এই বিশ্বের জনসংখ্যা যত এক চায়ের চামচ সমান মাটিতে তার চেয়েও বেশি অণুজীব থাকতে পারে।

এক গ্রাম ওজনের মাটিতে ৫০ হাজার প্রজাতির মাইক্রো-অর্গানিজম বা অণুজীব থাকতে পারে। এই বিশ্বের জনসংখ্যা যত এক চায়ের চামচ সমান মাটিতে তার চেয়েও বেশি অণুজীব থাকতে পারে।

মনে করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো মাটি রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায় যা ৩০০ কোটি বছর আগে তৈরি। ব্রিটেনের মাটির বয়স ১৫০০০ বছর যা সর্বশেষ বরফ যুগের পরপরই তৈরি হয়েছিল।

কার্বন সঞ্চয় করে রাখার জন্য মাটির গুরুত্ব অপরিসীম। কার্বন শুষে তা ভূপৃষ্ঠের বহু নিচে আটকে রাখে মাটি। গাছপালা যত কার্বন ধরে রাখে তার তিনগুণ থাকে মাটিতে । সুতরাং অমূল্য যে সম্পদ অতি ধীরে তৈরি হয়, তার সুরক্ষা কি আমরা করতে পারছি? এক কথায় উত্তর – পারছি না।

উদ্বেগের অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তাদের অন্যতম – ব্যাপক বাণিজ্যিক চাষাবাদ। এর ফলে মাটিতে জমা কার্বন বেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে মাটি নতুন করে তৈরি হতে যে সময় লাগবে তার চেয়ে ৫০ বা একশগুণ দ্রুত গতিতে আমরা কার্বন হারাচ্ছি।

ব্রিটেনে গত ৩০ বছরে এই ব্যাপক বাণিজ্যিক চাষাবাদের কারণে মাটিতে সঞ্চিত কার্বনের ১০ ভাগ নষ্ট হয়েছে। অনেক দেশে এ নিয়ে তথ্য পর্যন্ত নেই। কী হচ্ছে জানাও সম্ভব হচ্ছে না। বহু দেশে মাটি সুরক্ষার কোনো চেষ্টাও সেই।

আমরা মাটিতে খাদ্য ফলাই, মাটির ওপর ঘরবাড়ি, অবকাঠামো বানাই। ভূপৃষ্ঠের দুষিত পানি ছেঁকে ব্যবহারের উপযোগী করে নিচে জমা রাখে মাটি। বন্যার প্রকোপ কমায়। পরিবেশের ভারসাম্য ধরে রাখে।

মাটি অসংখ্য জীব এবং অণুজীবের আশ্রয় এবং বেঁচে থাকার অবলম্বন। বিশ্বের কার্বন এবং নাইট্রোজেন চক্রের ভারসাম্যর প্রধানতম উপাদান হচ্ছে মাটি ।

কিছু ট্রাজেডি হলো যে এই মাটির সুরক্ষার জন্য লড়াই করার মানুষ খুবই কম। আমাদের কাছে মাটি মানেই নেহাতই ধুলো-বালি। .

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031