IMG-LOGO

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৯ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯ই সফর ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে’গোদাগাড়ীতে অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা করল ভ্রাম্যমাণ আদালতসিংড়ায় বিশ্ব যুব দিবস উপলক্ষে জামায়াতের যুব বিভাগের বৃক্ষরোপণকালের স্রোত পেরিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনন্য সাক্ষী ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলনগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ও ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহতবাগমারায় সৌদি আরবে নিহত শ্যামলের পরিবারের পাশে এমপি ডাঃ আব্দুল বারীরাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদার সমিতির পক্ষ থেকে বিদায়ী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীকে ক্রেস্ট প্রদানচাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‘আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার তথ্য সঠিক নয়’রাণীনগরে ৩জন সারডিলারকে ২০হাজার টাকা জরিমানাঅতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিসি অফিস ঘেরাওযুক্তরাষ্ট্রের রণতরিতে নৌ সেনাদের মধ্যে অসন্তোষের জেরে সংঘর্ষ, নিহত ৭রাণীনগরে দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিগত ৫০ বছরর পুরাতন রাস্তা জবরদখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিতভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড কলম্বিয়া, মৃত্যু বেড়ে ১৮১
Home >> টপ নিউজ >> জানা-অজানা >> কালের স্রোত পেরিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনন্য সাক্ষী ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল

কালের স্রোত পেরিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনন্য সাক্ষী ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল

ধূমকেতু প্রতিবেদক, শামীম রেজা, বাগমারা : টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল। স্থানীয়দের কাছে এটি ধনবাড়ী রাজবাড়ী, নবাব বাড়ি বা নবাব প্যালেস নামেও পরিচিত। চুন-সুরকির প্রাচীন দেয়াল, দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য, প্রশস্ত প্রাঙ্গণ, বাগান, দিঘি, প্রাচীন মসজিদ ও কবরস্থান সব মিলিয়ে পুরো স্থাপনাটি যেন বাংলার জমিদারি ও নবাবি আমলের জীবন্ত ইতিহাস।

ধনবাড়ীর এই ঐতিহাসিক স্থাপনার ইতিহাস শুধু উনিশ বা বিশ শতকে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে মিশে আছে মুঘল আমলেরও ইতিহাস। বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ধনপতি সিংহকে পরাজিত করার পর মুঘল সেনাপতি ইস্পিঞ্জর খাঁ ও মনোয়ার খাঁ ধনবাড়ীতে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। ধনবাড়ী মসজিদটি তাঁদের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হয়।

মসজিদটির নির্মাণের নির্দিষ্ট তারিখের কোনো শিলালিপি পাওয়া যায়নি; তবে প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে এটি জাহাঙ্গীরের আমলের স্থাপনা।

নওয়াব আলী চৌধুরীর হাত ধরে নতুন অধ্যায়

ধনবাড়ীর ইতিহাসে সবচেয়ে উজ্জ্বল নামগুলোর একটি হলো খান বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ধনবাড়ীর জমিদার পরিবার ও জমিদারবাড়ির বিকাশের সঙ্গে তাঁর নাম গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে খান বাহাদুর, নওয়াব ও C.I.E.সহ বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করে। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম দিকের মুসলিম মন্ত্রীদের একজন এবং উপমহাদেশের শিক্ষা ও রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।

নওয়াব আলী চৌধুরী শুধু জমিদার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের সরকারি তথ্যেও তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য; সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তিনি দেশে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে জমি দান করেছিলেন।

ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলের স্থাপত্যে উপমহাদেশের জমিদারি ও নবাবি আমলের প্রভাব স্পষ্ট। প্রাসাদটি মূলত ইট, চুন-সুরকি ও লোহার কাঠামোর সমন্বয়ে নির্মিত। পুরো প্রাসাদ কমপ্লেক্সকে ঘিরে ছিল সুরক্ষিত বেষ্টনী প্রাচীর। প্রাসাদের সামনের অংশে রয়েছে দীর্ঘ বারান্দা এবং অভ্যন্তরে প্রশস্ত উঠান। বিভিন্ন অংশে খিলান, স্তম্ভ ও নান্দনিক নকশার ব্যবহার স্থাপনাটির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।

প্রাসাদকে ঘিরে রয়েছে সবুজ বাগান ও খোলা প্রাঙ্গণ। একসময় জমিদার পরিবারের বসবাস, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অতিথি আপ্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই এলাকা। জমিদারি আমলের কাচারি ও আবাসিক ভবনসহ পুরো স্থাপনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত কমপ্লেক্সের অংশ।

ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলের সঙ্গে ব্রিটিশ আমলের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনাও জড়িয়ে আছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিবরণে উল্লেখ পাওয়া যায়, নওয়াব আলী চৌধুরী ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড রোনাল্ডশেকে অভ্যর্থনা জানানোর উদ্দেশ্যে প্রাসাদটি নির্মাণ ও সাজসজ্জা করেন। ১৯১৯ সালে লর্ড রোনাল্ডশে স্টিমারে করে কইড়া এলাকায় আসেন এবং তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রায় ৩০টি হাতি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে স্থানীয় ও পর্যটনভিত্তিক বিভিন্ন বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।

তবে প্রাসাদটির নির্মাণকাল নিয়ে বিভিন্ন উৎসে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। কোথাও উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়কে জমিদারবাড়ির প্রতিষ্ঠাকাল বলা হয়েছে, আবার বর্তমান প্রাসাদের নির্দিষ্ট অংশের নির্মাণের ক্ষেত্রে বিশ শতকের শুরুর দিকের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই পুরো জমিদারি কমপ্লেক্স এবং বর্তমান দৃশ্যমান প্রাসাদের নির্মাণকালকে একই সময় ধরে দেখা ঠিক নয়।

পাশে ঐতিহাসিক নওয়াব শাহী জামে মসজিদ

নবাব মঞ্জিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ঐতিহাসিক ধনবাড়ী নওয়াব শাহী জামে মসজিদ। দিঘির পাড়ে অবস্থিত এই মসজিদটি মুঘল স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। প্রাচীন এই মসজিদটি একাধিকবার সংস্কার করা হয়েছে। বর্তমানে এর কাঠামোতে সেই প্রাচীন স্থাপত্যের অনেক বৈশিষ্ট্য এখনও দৃশ্যমান।

মসজিদটি মূলত তিন গম্বুজবিশিষ্ট ছিল। পূর্ব দেয়ালে রয়েছে তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশপথ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালেও প্রবেশপথ রয়েছে। কিবলা দেয়ালে তিনটি মিহরাব রয়েছে। কেন্দ্রীয় মিহরাবের নকশায় ফুলেল অলংকরণ দেখা যায়। মসজিদের অভ্যন্তরে চিনি-টিকরি মোজাইক ও ফুলেল নকশার ব্যবহার প্রাচীন নির্মাণশৈলীর সৌন্দর্য বহন করে।

নওয়াব আলী চৌধুরী পরবর্তীকালে মসজিদটির সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেন। বর্তমানে মসজিদটি স্থানীয় মুসল্লিদের নামাজের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের কাছেও ঐতিহাসিক আকর্ষণের অন্যতম স্থান।

মসজিদের পাশেই রয়েছে প্রাচীন একটি কবরস্থান। বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, কবরস্থানটি দেয়ালঘেরা এবং প্রায় অর্ধবিঘা জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। মসজিদ, কবরস্থান ও দিঘিকে ঘিরে ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলের ঐতিহাসিক পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হয়েছে।

প্রাসাদের পাশের দিঘিটিও পুরো কমপ্লেক্সের সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রাচীন স্থাপত্যের সঙ্গে জলাশয়, সবুজ বাগান ও খোলা প্রাঙ্গণের সমন্বয় দর্শনার্থীদের জন্য আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে।

কালের পরিক্রমায় বাংলার জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে। কিন্তু ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলের স্থাপত্য ও ঐতিহ্য এখনো অনেকাংশে সংরক্ষিত রয়েছে। নওয়াব পরিবারের উত্তরসূরিদের তত্ত্বাবধানে প্রাসাদটির বিভিন্ন অংশ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের থাকার জন্য প্রাসাদ প্রাঙ্গণে কটেজসহ আবাসন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়েছে এবং এটি ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পুরাকীর্তি-সংক্রান্ত তথ্যেও ধনবাড়ী নওয়াব প্যালেসকে জেলার উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি তথ্যে প্রাসাদটির সঙ্গে বাগান, জলাশয় ও পর্যটন সুবিধার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

ধনবাড়ীর নওয়াব পরিবার শুধু জমিদারি পরিচালনার জন্যই পরিচিত ছিল না; শিক্ষা, রাজনীতি ও সমাজসেবাতেও তাঁদের ভূমিকা ছিল। নওয়াব আলী চৌধুরীর পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁদের মধ্যে হাসান আলী চৌধুরীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পূর্ব পাকিস্তান আমলে তিনি শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল কেবল একটি পুরোনো ভবন নয় এটি একটি পরিবারের ইতিহাসের পাশাপাশি বাংলার জমিদারি ব্যবস্থা, ব্রিটিশ আমলের রাজনীতি, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক পরিবর্তনেরও সাক্ষী।

ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলের বিশেষত্ব শুধু পুরোনো ভবনে নয়। প্রাসাদকে ঘিরে থাকা সবুজ পরিবেশ, বাগান, দিঘি, মসজিদ, কবরস্থান ও প্রাচীন স্থাপত্য একসঙ্গে মিলে এখানে তৈরি করেছে অনন্য পরিবেশ। প্রাসাদের দেয়ালে সময়ের ছাপ পড়লেও স্থাপত্যের সৌন্দর্য এখনো দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে।

প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিহাসপ্রেমী, পর্যটক ও দর্শনার্থীরা ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল দেখতে আসেন। বিশেষ করে শীত মৌসুমে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়ে।

ইতিহাস-ঐতিহ্যের এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয় ইতিহাসপ্রেমীরা। প্রাসাদের পুরোনো স্থাপত্য, মসজিদ, কবরস্থান, দিঘি ও অন্যান্য ঐতিহাসিক নিদর্শনের যথাযথ সংরক্ষণ করা গেলে ধনবাড়ী আরও বড় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিলের প্রতিটি দেয়াল যেন অতীতের একটি করে গল্প বলে। মুঘল আমলের জমিদারি থেকে শুরু করে নওয়াব আলী চৌধুরীর রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড, ব্রিটিশ আমলের স্মৃতি, প্রাচীন মসজিদ ও কবরস্থান সবকিছু মিলিয়ে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আজ জমিদারি নেই, নেই সেই নবাবি শাসনও। কিন্তু ধনবাড়ীর মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা এই প্রাসাদ এখনো নীরবে বলে যায় সেই সময়ের কথা। তাই ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল শুধু একটি দর্শনীয় স্থান নয়; এটি বাংলার অতীত, স্থাপত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031