IMG-LOGO

শুক্রবার, ২৪ই জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই সফর ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনতানোরে শিক্ষার্থীদের জলবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিফুলবাড়ীতে কেন্দ্রীয় কালিমন্দির থেকে কেন্দ্রীয় শিবমন্দিরে উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিতমহাদেবপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদেরমাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণরাজশাহীতে ২১তম অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিতআজ পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন‘শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আন্দোলন থামবে না’সবুজ নগরী গড়তে জাতীয় পেশাজীবী দলের উদ্যোগে রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণতানোরে ১৫০ পিস নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারি গ্রেফতারগ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ মামা-ভাগনির মৃত্যুরাণীনগরে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণচাঁপাইনবাবগঞ্জে গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে ৭ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা রুখে দিল ১৬ বিজিবিরাজশাহীতে বিআরটিএর পেশাজীবী গাড়িচালকদের দক্ষতা ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিতসফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন স্পিকারগোমস্তাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা
Home >> টপ নিউজ >> রাজশাহী >> তানোরে শিক্ষার্থীদের জলবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি

তানোরে শিক্ষার্থীদের জলবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি

ধূমকেতু প্রতিবেদক,তানোর : যত সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটু পানি, কোমর পানিসহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় রাজশাহীর তানোর পৌর সদর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিতে। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এঅবস্থা চললেও কোন গুরুত্ব নেই কর্তৃপক্ষের। চলতি মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে কখনো হাঁটু পানি আবার কখনো কোমর পানি হয়ে থাকে রাস্তাটি।

এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হলেও চরম উদাসীন পৌর কর্তৃপক্ষ। শুধু মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা না হিন্দুপাড়া গ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তি নিয়ে জলাবদ্ধতার মধ্যে স্কুল করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করে পানি নিষ্কাশনের জোর দাবি তুলেছেন। নচেৎ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ জনসাধারণ মানববন্ধন সহ পৌর কর বন্ধের কথা ভাবছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, থানা মোড় থেকে উত্তর পূর্ব দিকে ও পৌরসভা থেকে পশ্চিম দিকে সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়। থানা মোড় ও পৌরসভার মুল রাস্তা থেকে নিচু রাস্তা স্কুলে যাওয়ার। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে একবার রাস্তা ও ড্রেন নির্মান করা হয়। নির্মাণের পর থেকে রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কোন সংস্কার করা হয়নি।

যার কারনে সামান্য বৃষ্টি হলে হাটু পানি ও ভারি বৃষ্টি হলে কোমর পানি জমে থেকে রাস্তায়। রাস্তার পূর্ব দিকে প্রয়াত শামসুদ্দিন মাস্টারের বাড়ি, রয়েছে দুটি চায়ের দোকান। পশ্চিমে একটি চা স্টল ও দুটি মুদি দোকান। ভারি বৃষ্টি হলে ড্রেন ওভার হয়ে দোকানের ভিতরে পানি চলে যায়। স্কুলে রাস্তা শুরু হয় নেপালের দোকান থেকে । নেপালের দোকান থেকে স্কুল গেট পর্যন্ত হয় প্রচুর জলাবদ্ধতা।

শিক্ষকরা জানান, পৌর কর্তৃপক্ষকে একাধিক বার বলার পরেও রাস্তাটির কোন ব্যবস্থা হয়না। বৃষ্টি হলেই স্কুলে আসতে চায় না শিক্ষার্থীরা। স্কুলে আসা যাওয়ার একটিই রাস্তা। সেই রাস্তায় কখনো হাটু পানি আবার কখনো কোমর সমান পানি জমে থাকে। যতক্ষণ পানি না কমে ততক্ষণ বাড়ি যেতে পারেনা। আবার পানি হলে স্কুলে আসতে চায়না শিক্ষার্থীরা। সদরের প্রতিষ্ঠানের রাস্তার যদি এঅবস্থা হয় তাহলে কি বলার আছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা।

কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানান, পানি হলেই রাস্তা দিয়ে হাটা যায়না। রাস্তায় পানি থাকে অনেক। রাস্তায় হাঁটলেই পড়ে যেতে হয়। জামা কাপড়, বই খাতা ভিজে যায়। আবার অনেকে ড্রেনের গর্তে পড়ে যায়। রাস্তার পানি স্কুলের গেট দিয়ে মাঠে ঢুকে পড়ে। সদরের স্কুলের রাস্তা কেন এমন হবে বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তারা।

সুত্র জানায়, নেপালের দোকান থেকে হিন্দুপাড়া সুজনের দোকান পর্যন্ত রাস্তায় জলবদ্ধতা ও ড্রেনের পচা কাঁদায় ভরা। সুজনের দোকান থেকে পূর্ব দিকের মন্দির পর্যন্ত ও সেখান থেকে হিন্দুপাড়ার ভিতর দিয়ে তানোর পাড়া প্রয়াত কচিমের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় জলবদ্ধতা এবং কাদায় ভরপুর।

স্কুল রাস্তা সংলগ্ন দোকানী মান্নান, নেপাল, বিলাশ, বিপুল, অনন্তসহ অনেকে জানান, চলতি মৌসুমের বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নামমাত্র ভাঙ্গা ইট ও যত সামান্য বালু দেয়া হয়। সপ্তাহ না যেতেই অনেক জায়গার ইট সরে গেছে। রাস্তা টা অনেক নিচু। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাড়ি যাওয়ার সময় জামা কাপড় ভিজে যায়। অনেকে পড়ে যায়।

অভিভাবকরা জানান, স্কুল থেকে পৌরসভা, উপজেলা কয়েকগজ দূরে। তারপরও তাদের নজরে আসেনা। এখন মেয়র নাই। ইউএনও প্রশাসক। তারপরও যদি দুর্ভোগ দূর না হয় তাহলে কি বলার আছে। তার সন্তান তো এস্কুলে পড়েনা, পড়লে বুঝতে পারত। তার সন্তান তো আর স্কুলে পড়েনা বা তিনি নিজেও তো এসে পরিদর্শন করেনা।

এত ভিডিও প্রকাশ হয় কিন্তু তাদের নজরে আসে কিনা জানিনা। হিন্দুপাড়া গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার ও পুরোহিত সাগর দাদা, বিকেল তিনটার পরে ছেলেকে স্কুল থেকে রাস্তার জলাবদ্ধতার মধ্যে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রচুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ছেলে মেয়েরা হাঁটু পানির মধ্যে হেটে বাড়িতে যাচ্ছে। এসব কি পৌর প্রশাসন দেখতে পায়না। তাদের এনে এসব পানিতে চুবাতে হবে না হলে মালা পড়াতে হবে তাহলে যদি এসব সংস্কার হয়। তাছাড়া এদের ঘুম ভাঙবেনা।

পৌর কার্যসহকারী মাহবুর জানান, রাস্তাটি আরসিসি ভাবে নির্মান করতে হবে। এক জায়গায় প্রকল্প দেয়া হয়েছিল, তা কার্যকর হয়নি। কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

পৌর প্রশাসক ও ইউএনও নাঈমা খান জানান, প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে, একারনে জলাবদ্ধতা। কিছুদিন আগে সংস্কার করা হয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনরায় সংস্কারসহ ড্রেনেজ সমস্যার সমাধান করা হবে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ