IMG-LOGO

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
মায়ের মূর্ত প্রতীকই হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া : ভূমিমন্ত্রী‘গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ’নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতা আদরের মাতার ইন্তেকালসিংড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসননিয়ামতপুরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণরহনপুরে চক্ষু হাসপাতালের উপকেন্দ্রের উদ্বোধনসিংড়ায় ঢেউটিন প্রদান, চলনবিলে পোনা মাছ অবমুক্ত ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণধামইরহাটে কবর থেকে কঙ্কাল চুরি, জড়িত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরায়গঞ্জে একটি রাস্তা না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্হানীয় মুসল্লিরাসিংড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান পরিষ্কার করলেন এলাকাবাসীবাগমারায় স্বামী-সন্তান ফেলে গর্ভে সন্তান নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও গৃহবধূরাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ান মোহনপুরের হাতে পুরস্কার তুলে দেন :ভূমিমন্ত্রী মিনুফুলবাড়ী কয়লাখনি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্ত্রীকে হাসুয়া দিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যাদাঁড়িয়ে থাকা লরির পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, কেরালায় ৮ শিক্ষার্থী নিহত
Home >> আইন-আদালত >> জাতীয় >> ৩২ বছরের সীমা হত্যার বিচার ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

৩২ বছরের সীমা হত্যার বিচার ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সাক্ষ্য দেয়ার অনীহার কারণে ৩২ বছর ধরে ঝুলে থাকা সীমা হত্যার বিচার আগামী তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আইনজীবী ইসরাত হাসান বিষয়টি নজরে আনলে এম ইনায়েতুর রহিম ও মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন।

আইনজীবী ইসরাত হাসান আজ চাঞ্চল্যকর এ মামলার বিষয়টি লিখিতভাবে আদালতকে জানান। আদালত তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। এই সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে হাইকোর্টে। মামলা নিষ্পত্তি করতে না পারলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার শুনানিতে হাইকোর্ট উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ৩২ বছরে একটি মামলা শেষ হবে না, এর দায়দায়িত্ব কি কারও থাকে না? আদালত বলেন, ৫০৯ ধারায় প্রবিশন আছে সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।

সীমা হত্যা মামলাটি বর্তমানে ঢাকার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক চমন বেগম চৌধুরীর আদালতে বিচারাধীন। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. মো. আনোয়ার হোসেনের সাক্ষ্য না দেয়ার কারণে মামলাটি ৩২ বছর ধরে ঝুলে আছে।

প্রসঙ্গত পুরান ঢাকার জগন্নাথ সাহা রোডে ১৯৮৮ সালের ২৬ এপ্রিল খুন হন সীমা মোহাম্মদী (২০)। বাড়িতে ঢুকে ছুরিকাঘাত করে সীমাকে হত্যা করে মোহাম্মদ আহমদ ওরফে আমিন নামে এক যুবক। ঘটনার পর পরই ওই যুবকের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন সীমার মা ইজহার মোহাম্মদী। দুই মাস পর ২৫ জুন পলাতক আমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে সীমাকে বিয়ে করতে না পেরে সে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। আদালত থেকে আসামিকে হাজিরের জন্য ১৯৯৯ সালের ২২ জুন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

২০০১ সালের ২৯ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের পরও সাক্ষ্য দিতে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের অনীহার কারণে মামলার বিচারকাজ বারবার পিছিয়ে যায়। অজামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের তৎকালীন প্রভাষক আনোয়ার হোসেন সাক্ষ্য দিতে অদ্যাবধি আদালতে হাজির হননি।

ওই চিকিৎসককে এ পর্যন্ত অর্ধশত অজামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানো হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এ পর্যন্ত মামলার তারিখ পড়েছে ১১২ বার। ১১ জন বিচারক বদল হয়েছেন। সরকার পাল্টেছে ১০ বার। মামলার একমাত্র আসামি আমিন এখনও পলাতক।

এদিকে মামলার বাদী সীমার মা বিচারের অপেক্ষায় থেকে শেষ পর্যন্ত মারা গেছেন। বাবারও মৃত্যু হয়েছে।
সীমার পরিবারের সদস্য ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, আসামি ধরতে পুলিশ প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই। একই সঙ্গে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সাক্ষ্য দেয়ার অনীহায় বিচারকাজ আরও বিলম্বিত হচ্ছে। একের পর এক সমন জারির পরও বিচারিক আদালতে তাকে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না। সাক্ষীকে হাজির করতে বিচারক বেশ কয়েকটি আদেশও দিয়েছেন।

গত সোমবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মো. আনোয়ার হোসেনের সাক্ষ্য দেয়ার তারিখ ছিল। কিন্তু এদিনও হাজির না হওয়ায় আদালত ফের সমন জারি করেছেন।

একটি সূত্র জানায়, অনেক আগেই ডা. মো. আনোয়ার হোসেন অবসরে গেছেন। তবে বর্তমানে একটি বেসরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি চাকরি করছেন। ওই ঠিকানায় আদালতের সমন পৌঁছে কিনা, তা-ও কেউ বলতে পারছেন না।

মামলার চার্জশিট থেকে জানা যায়, আসামি আমিন একজন আটকেপড়া পাকিস্তানি। তার বাবার নাম মো. জামিল। বাংলাদেশে তার কোনো স্থায়ী ঠিকানা নেই। ঘটনার দুই মাস আগে তিনি তেজগাঁওয়ের উর্দু রোডের আল আমিন বোর্ডিংয়ের ৫৫ নম্বর রুমে দৈনিক ২৮ টাকা ভাড়ায় থাকতেন। সীমাকে খুন করার পর ওই বোর্ডিংয়ে আর যাননি আমিন। এর পর থেকে আর তার কোনো হদিস পায়নি পুলিশ। জানা গেছে, পলাতক আমিন গত বছর উচ্চ আদালতে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করে। পরে আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031