IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে’নাটোরের বনপাড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১০গোমস্তাপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি বিতরণবাঘায় শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে পুলিশ-আনসার ও ভিডিপির সতর্ক পাহারারাজশাহী হলদিবোনা গ্রামে যুব ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আদিবাসী নারীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণরাজশাহীতে মেয়েদের ‘জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা জেলা পর্যায়ের বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিতকানাডার সামরিক ঘাঁটিতে আগুনে পুড়ে নিহত ৪দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, বদলগাছীতে ৪০০ দুস্থের হাতে শাড়ি-লুঙ্গিবাগমারায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টফাইনাল অনুষ্ঠিতরাজশাহীতে ১৭৭ পূজামণ্ডপে ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা অনুদান দিল জেলা পরিষদরায়গঞ্জে ফল, বেকারি, কসমেটিকস ও নিত্যপণ্যের দোকানে জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান‘নতুন এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কোরিয়া’দুর্গাপূজার মধ্যে রাজশাহীতে আগমন প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক সফর: ভূমিমন্ত্রী মিনুরাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিরবিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করা হবে : রাসিক প্রশাসকমহাদেবপুরে ৯৭ জন গ্রাম পুলিশপেলেন বাইসাইকেল
Home >> বিশেষ নিউজ >> রাজশাহী >> লিড নিউজ >> রাজশাহীতে কার্তিকেও ভ্যাপসা গরম

রাজশাহীতে কার্তিকেও ভ্যাপসা গরম

ধূমকেতু প্রতিবেদক : ‘আশ্বিনে গা করে শিনশিন।’ গ্রামের চিরায়িত খনারবচনটি দিনদিন বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। আশ্বিন মাস চলে গেছে। কিন্তু গা শিনশিন করাতো দূরের কথা গ্রীস্মের খরতাপ ও প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরমে চৈত্রের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে মানুষকে। মানুষ ভুলতে বসেছে খনার বচনগুলো। আশ্বিন মাস চলে গেলেও রাজশাহীতে শীতের অনুভূতি নেই। নেই সকালের কুয়াশা। বিগত তিন বছর আগেও আশিন মাসে কিছুটা শীতের অনুভব হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম আশ্বিন মাসে রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে চৈত্রের খরতাপ বিরাজ করে। কার্তিক মাসের আজ দ্বিতীয় দিন। আশ্বিনে শীতের দেখা না পেলেও কার্তিক মাসের শুরুতে কিছুটা শীতের আগমন লক্ষ করা যায়। দেখা যায় সকালে কুয়াশা। কিন্তু কার্তিক মাসে এসেও রাজশাহীর অঞ্চলে সেই গ্রীষ্মের মতই অবস্থা বিরাজ করছে। কার্তিক মাসে এসোও খরতাপে পুড়ছে রাজশাহী অঞ্চল।

দেখা গেছে এবার শরতের প্রকৃতি ছিল আগের মতই। ফুটেছে কাশফুল, শীতের আগমনে গাছিরা শুরু করেছে খেজুর গাছের পরিচর্যা। তারপরও এবার শরতের ভিন্ন রূপ। আশ্বিন মাস থেকেই পাড়া মহল্লায় ধুমপড়ে ভাপা পিঠার উৎসব। সকালে খেজুরের মিস্টি রসের স্বাদ নেন মানুষ। শীত আগমনের প্রথম ভাপা পিঠা খেতে নগরী ও গ্রামাঞ্চলের মোড়ে মোড়ে শুরু হয় উৎসবের আসর। কিন্তু এবার নেই নগরীর পাড়া মহল্লা বা মোড়ের দোকানে ভাপা পিঠার উৎসব। নেই সুমিষ্ট খেজুর রস। গ্রামাঞ্চলের গাছিরা খেজুর গাছ পরিচর্যা করলেও এখনো নামতে শুরু করেনি রস। বাজারে উঠেনি খেজুর রসের গুড়। কিন্তু তবুও চলছে কার্তিক মাস। চলে যাচ্ছে শীতের দ্বিতীয় মাস।

রাজশাহীর আবহাওয়া অফিসের জেষ্ঠ্য পর্যবেক্ষক রাজিব খান জানান, কার্তিক মাস পড়ার পর শুক্রবার প্রথম দিন দিনের তাপমাত্রা মাত্র এক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দুই তাপমাত্রাই এক ডিগ্রি কমে গেছে। পুরো আশ্বিন মাসজুড়ে গ্রীষ্মেরমত তাপমাত্রা বিরাজ করলেও শুক্রবার এক ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে আসে।

তিনি জানান, শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩৫ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এক ডিগ্রি কমে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিরাজ করছে। পুরো আশ্বিন মাস জুড়ে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আসেনি। কার্তিক মাস পড়ার পর এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে আসার কারণে ধারণা করা হচ্ছে এখন প্রতিদিন তাপমাত্রা কমবে। এছাড়াও বিভিন্নস্থানে বৃষ্টি হওয়ার কারণেও তাপমাত্রা কমে আসছে। কিন্তু রাজশাহীতে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমলেও বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই।

তিনি জানান, নভেম্বর মাস থেকে রাজশাহী অঞ্চলে শীত পড়তে শুরু করবে। যদিও এবার শীতের সময়কাল কম। কিন্তু এবার শীতের প্রকোপ বেশি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

এদিকে কার্তিক মাস পড়ার পর দিন ছোট হয়ে এসেছে। সূর্য হেলান দিতে শুরু করেছে দক্ষিণ দিকে। কিন্তু কমছে না রোদের তাপ। সকাল থেকে শুরু হচ্ছে প্রখর রোদ আর চলছে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। প্রখর রোদের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে ভ্যাপসা গরম। রাত কি দিন ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে মানুষ। দিন ভর প্রখর রোদে কোথায় মিলছে না স্বস্তি। রাতেও প্রচণ্ড গরমে মানুষের মধ্যে হাসফাস শুরু হচ্ছে।

অপরদিকে কার্তিক মাস পড়ার পর বেশ কিছু এলাকায় আগাম জাতের আমনধান কাটা শুরু হয়। ভাদ্র মাসে ধান কাটা উৎসব হলেও এবার অতিবৃষ্টির কারণে মানুষ আউশ ধান রোপণ করতে পারেনি। দেরিতে ধান রোপণ করলেও বন্যার কারণে তলিয়ে গেছে ধান। কৃষকের ঘরে নেই ধান কাটার উৎসব। নেই খেজুর রসের সাথে নতুন ধানের ভাপা পিঠা খাওয়ারও ধুম।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930