IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারবর্গের অনুকূলে চেক হস্তান্তর ও বিতরণমহাদেবপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষের‌্যালী ও আলোচনা সভাফুলবাড়ীতে বাক্‌প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটকমানবতা ফেরিওয়ালা’ভুমি কর্মকর্তা শিবু দাশের বিদায়সিরাজগঞ্জে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভামান্দায় ভার্কের শিক্ষাবৃত্তি পেল ৩২ মেধাবী শিক্ষার্থীজনসেবা ও মানবিকতায় প্রশংসিত তারাগঞ্জের ইউএনও মোনাববর হোসেনখলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুরতামাক নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের সমন্বয় ও সম্পৃক্তকরণ শীর্ষক কর্মশালাএকাত্তরের চেতনার ব্যবসা করে জাতির মধ্যে বিভাজন করে রাখা হয়েছে: শিবির সভাপতি সাদ্দামমহাদেবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে নববধূর মৃত্যু, স্বামী গুরুতর অসুস্থচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারসিরাজগঞ্জে স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানেআড্ডা পুলিশের অভিযানমান্দায় খেলার মাঠের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভজাতীয় আদিবাসী পরিষদ নিয়ামতপুর উপজেলার শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন
Home >> জাতীয় >> লিড নিউজ >> সমন্বয়হীন পে স্কেলে চাপে পড়বে নতুন সরকার

সমন্বয়হীন পে স্কেলে চাপে পড়বে নতুন সরকার

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘাটতি আরও বেড়ে ৪৬ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন হবে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে বর্তমান কাঠামোর চেয়ে ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বেতন-ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদ্যমান বেতন-ভাতার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি বাড়বে। আর এ সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারকে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। তবে বেতনের ধাপ শেষ পর্যন্ত ২০টিই থাকছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন কমিশনের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন এই সুপারিশ করেছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বুধবার এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী ও অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সদস্যরা।

সূত্র জানায়, সরকার পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পরিমাণ চূড়ান্ত করতে একটি কমিটি গঠন করবে। এরপর ওই প্রস্তাব নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত পে-স্কেল অনুমোদন করা হবে। তবে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন সপ্তাহ আগে বিষয়টির সুরাহা হচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার হয়তো পর্যালোচনা কমিটি গঠন করে যেতে পারবে। কিন্তু সবকিছু চূড়ান্ত হবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের মেয়াদে। কার্যত সরকারি কর্মচারীদের বিশাল ব্যয় বৃদ্ধির চাপ পড়বে নির্বাচিত সরকারের ওপর। জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বেতন কমিশন ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এটি অত্যন্ত অযৌক্তিক এবং অস্বাভাবিক। বেতন বৃদ্ধির এ সুপারিশ অত্যন্ত বেশি। এর আগে কোনো কমিশন এই হারে বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করেনি। এই সুপারিশ আর্থিক শৃঙ্খলা নষ্ট করবে। তিনি বলেন, এই পরিমাণ ব্যয়ের ভার বহন করার সক্ষমতা দেশের অর্থনীতির নেই। এর ফলে পরবর্তী সরকারের ওপর চাপ তৈরি হবে। বেসরকারি খাতেও চাপ বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের অর্থনীতি এক দুষ্টচক্রের মধ্যে রয়েছে। কারণ রাজস্ব বাজেটের ৭০ শতাংশ চলে যায় বেতন-ভাতায়। ২৫ শতাংশ যায় ঋণের সুদ পরিশোধে। এ অবস্থায় বেতন কমিশনের এই সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে এর পরিমাণ আরও বাড়বে। এ কারণে সুপারিশ বাস্তবায়ন আরও বিলম্ব করা উচিত। তার মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের আকার আরও ছোট করতে হবে। কারণ দেশে এতগুলো মন্ত্রণালয় দরকার নেই। মন্ত্রণালয়গুলো দিয়ে শুধু ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে। বেতন বাড়ানোর আগে অবশ্যই এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

পে-কমিশনের সুপারিশ করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি চাকরিজীবীরা আগের মতো ২০টি স্কেলেই বেতন পাবেন। সর্বনিম্ন বেতন স্কেল (মূল বেতন) ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খান বলেন, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। কমিশনের প্রতিবেদনে বেশ কিছু নতুন প্রস্তাব মধ্যে রয়েছে। এগুলো হলো-সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা প্রবর্তন, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, সরকারি দপ্তরগুলোয় ভাতাসমূহ পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।

চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। এটি পুরো মাত্রায় কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতদিন ১১তম থেকে ২০তম ধাপের কর্মচারীদের জন্য যাতায়াতের ভাতা ছিল। এবার ১০ম ধাপ থেকে ২০তম পর্যন্ত যাতায়াত পাবেন। পাশাপাশি পেনশনভোগীদের পেনশনের হারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পান, এমন পেনশনভোগীদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। যারা মাসে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকার পেনশন পান, তাদের ৭৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান তাদের ৫৫ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। ৭৫ বছরের বেশি বয়সি পেনশনধারীদের চিকিৎসার ভাতা ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এমনিতে বয়সভেদে আট হাজার টাকা চিকিৎসার ভাতা। ৫৫ বছরের কম বয়সিদের চিকিৎসার ভাতা দেওয়ার সুপারিশ করা হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকা। প্রথম থেকে দশম ধাপ পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়িভাড়া তুলনামূলক কম হারে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ১১তম থেকে ২০তম ধাপে বাড়িভাড়ার হার তুলনামূলক বেশি থাকবে। সামরিক ও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা বেতন কমিশন চূড়ান্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে কোনো কর্মচারীর প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক দুই হাজার টাকা ভাতা প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ দুজন সন্তান এই সুবিধা পাবে। এতে আরও বলা হয়, টিফিন ভাতার হার বাড়বে। ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্তমানে প্রচলিত মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকার স্থলে ১ হাজার টাকা করা যেতে পারে।

এদিকে প্রতিবেদন গ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। ড. ইউনূস বলেন, ‘এটি একটি মস্ত বড় কাজ। সরকারি চাকরিজীবীরা বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছে। আউটলাইন দেখে বুঝলাম, এটি খুবই সৃজনশীল কাজ হয়েছে।’ এ সময়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নই এখন পরবর্তী কাজ। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে। ওই কমিটি বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবে।’

কমিশনপ্রধান সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খান বলেন, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে অর্থনীতির প্রায় সব সূচকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপণ্যের মূল্য বহুগুণ বেড়েছে। কিন্তু সময়োপযোগী ও যথাযথ বেতন কাঠামো নির্ধারণ না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে সুস্পষ্ট কার্যপরিধি নির্ধারণপূর্বক বিদ্যমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিশন কাজ করে। নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুসরণ করে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কমিশন বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করে এবং ২,৫৫২ জনের মতামত ও প্রস্তাব গ্রহণ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা সভার আয়োজন করে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়। কমিশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থান নির্ধারণ এবং এর বাস্তবায়নযোগ্যতা পর্যালোচনা করা।

গত বছরের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে অনলাইন জরিপের মাধ্যমে ২ লাখ ৩৬ হাজার অংশগ্রহণকারী মতামত দিয়েছেন। ২০১৩ সালে অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পর এই কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত শেষ তারিখ ছিল আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। কমিশন তাদের জন্য নির্ধারিত বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যয় করে তিন সপ্তাহ আগে প্রতিবেদন দিতে সক্ষম হয়েছে।

এদিকে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সংগঠন) সভাপতি ও উপসচিব আব্দুল খালেক বুধবার যুগান্তরকে বলেন, ‘কমিশন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো হাতে পাইনি। বৃহস্পতিবার (আজ) এই প্রতিবেদন পাব। এরপর পুরো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রতিক্রিয়া জানাব। তবে আমি অবশ্যই চাইব, কমিশন যে সুপারিশ করেছে, তা যেন চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়ন হয়।’

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930