IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ২২ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
রাণীনগরে গণছিনতাইয়ের ঘটনায় ২জন গ্রেফতার, হাসুয়া, মোবাইল-টাকা উদ্ধারদলের নাম ভাঙিয়ে ব্যবসা-চাঁদাবাজি- দখলদারিত্ব করলে দলে গ্রহণযোগ্যতা হারাবে: এমপি চাঁদচাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১ ককটেল উদ্ধার, উদ্ধারের সময় একটি ককটেল বিস্ফোরণচারঘাটে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল ও ট্রাকসহ গ্রেফতার ২বাগমারার সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নে এমপি ডাঃ আব্দুল বারীর গণসংযোগ ও পথসভাচাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৩টি টিয়া পাখি অবমুক্ত করেছে সদর উপজেলা প্রশাসনমহাদেবপুরে তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ অর্থায়ন কর্মসূচি প্রচার কার্যক্রম বিষয়ক আলোচনা সভাকৃষকের নিরাপত্তায় উথরাইল বিলে নির্মিত হলো সেডসিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত প্রতিরোধে সমন্বয় কমিটি’র সভাকুষ্টিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামির জামিনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশচাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভারাণীনগর যুবদলের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানকারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় জোর দেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতিররাণীনগরের মোজাফ্ফরকে “ভুয়া কাজী“ আখ্যায়িত করে সংবাদ সম্মেলনমহাদেবপুরে কাজী হামিদুল হকের পৈত্রিকসম্পত্তি দখল চেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
Home >> ধর্ম >> টপ নিউজ >> হযরত ফাতিমা (সা. আ.) সম্পর্কে জানুন

হযরত ফাতিমা (সা. আ.) সম্পর্কে জানুন

হযরত ফাতিমা (সা. আ.) সম্পর্কে জানুন

হযরত ফাতিমা (সা. আ.) সম্পর্কে জানুন

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : ফাতিমাতুজ্জাহরা নামে খ্যাত হযরত ফাতিমার জন্ম হিজরি-পূর্ব আট সনের ২০ জমাদিউসসানি। তিনি ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলীর স্ত্রী। তিনি ছিলেন আলে আবা তথা চাদরের অধিবাসী বা হাদিসে কিসায় উল্লেখিত পাঁচ পবিত্র মহামানব বা মাসুমের একজন; অন্য কথায় পবিত্র কুরআনের সুরা আহযাবের ৩৩ নম্বর আয়াতে উল্লেখিত পবিত্র ৫ জনের অন্যতম। এই আয়াত আয়াতে তাত্বহির নামে খ্যাত।

হযরত ফাতিমার সন্তানরা হলেন জগত-বিখ্যাত ইমাম হযরত হাসান ও ইমাম হুসাইন, কন্যা জাইনাব ও উম্মে কুলসুম। জাহরা (দ্যুতিময় বা আলোকময়), বাতুল (ধার্মিক বা পবিত্র), সিদ্দিকাহ শাহিদাহ, সাইয়্যেদাতুন নিসায়িল আলামিন তথা দুই জাহানের সেরা নারী ইত্যাদি তাঁর কয়েকটি উপাধি। উম্মু আবিহা বা পিতার মাতাও তাঁর অন্যতম বড় উপাধি। নাজরানের খ্রিস্টান পুরোহিতদের সঙ্গে মুবাহিলার দিনে যারা মহানবীর সঙ্গী ছিলেন তাঁদের মধ্যে একমাত্র নারী ছিলেন হযরত ফাতিমা।

হযরত ফাতিমার নামকরণ

মহান আল্লাহর নির্দেশে মহানবী (সা.) তাঁর কন্যাসন্তানের নাম রাখেন ফাতিমা। ‘ফাতম্’ শব্দের অর্থ রক্ষা করা। আর তাঁর এমন নামকরণ সম্পর্কে মহানবী বলেন : ‘তাঁর নামকরণ করা হয়েছে ফাতিমা। কেননা, আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর অনুসারীদের জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত রেখেছেন।’৭

হযরত ফাতিমার শৈশব

যখন হযরত খাদিযার সাথে রাসূলের বিয়ে হয় তখন হযরত খাদিযা ছিলেন আরবের অন্যতম সেরা ধনী ব্যক্তিত্ব। কিন্তু অসহায় মানুষদের সেবা ও নিপীড়িত মুসলমানদের পেছনে ব্যয় করতে গিয়ে তিনি শোচনীয় অবস্থায় নিপতিত হন।

ধর্ম প্রচারের কারণে রাসূলের ওপর কুরাইশরা নানাভাবে নির্যাতন শুরু করে। এভাবে হযরত ফাতিমার দুই বছর অতিক্রান্ত হয়। হযরত ফাতিমার জন্মের মাত্র দুই বছর পর তাঁরা সবচেয়ে কঠিন অবস্থায় পড়েন। বনু হাশিমের সাথে কুরাইশরা সব সম্পর্ক ছিন্ন করে। ফলে বনু হাশিমের নেতা হযরত আবু তালিব বনু হাশিমকে নিয়ে আবু তালিবের গিরি-খাদে আশ্রয় নেন।

দিনের পর দিন তাঁদেরকে না খেয়ে থাকতে হত। সন্তানরা দুধ না পেয়ে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে যেত। হযরত ফাতিমা শিশু বয়সেই এমন এক অবস্থার মধ্যে পড়েন। অবশেষে তিন বছর পর তাঁরা এ অবরোধ থেকে বেরিয়ে আসেন। কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে এতো কষ্ট সহ্য করার পর সেই বছরই হযরত ফাতিমার প্রাণপ্রিয় মা ইন্তেকাল করেন। যে বয়সে তাঁর মাতৃস্নেহের প্রয়োজন, যে বয়সে তাঁর লালিত-পালিত হওয়ার কথা সে বয়সেই মাত্র ৫ বছর বয়সে তাঁর ওপর রাসূলের দেখাশুনার গুরুদায়িত্ব এসে পড়ে। তিনি রাসূলকে মায়ের মতোই যত্ন করতেন, ঘরে ও ঘরের বাইরেও তাঁর দিকে খেয়াল রাখতেন। অন্যান্য শিশুর মতো তিনি খেলাধুলা করতেন না। যখনই তিনি জেনেছেন যে, কাফির-মুশরিকরা রাসূলকে নির্যাতন করছে, তখনই তিনি সেখানে ছুটে গেছেন।

নানা তৎপরতায় অংশগ্রহণ

হযরত ফাতিমা হিজরতের দ্বিতীয় বছরে আমিরুল মুমিনিন হযরত আলীর সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছেন, যেমন মক্কা বিজয়ের অভিযানসহ কোনো কোনো যুদ্ধে পিতার সঙ্গে ছিলেন, খন্দকের যুদ্ধে রসদ পৌঁছানের কাজে অংশ নিয়েছেন। অসুস্থ বা আহত পিতার সেবা-যত্ন করেছেন।

হযরত ফাতিমার বেশিরভাগ রাজনৈতিক তৎপরতা ঘটেছিল পিতার ওফাতের পর। নিজের দাফন অনুষ্ঠানে ও জানাযার নামাজে যেন তাঁর বিরোধীরা অংশ না নেয় সেই ওসিয়ত তিনি করেছিলেন শাহাদতের সময় আমিরুল মুমিনের কাছে। হযরত আলী-আ. তাকে গভীর রাতে অজ্ঞাত স্থানে দাফন করেন যা আজও অজ্ঞাত।

বক্তৃতা

হযরত ফাতিমার নানা ভাষণ বা বক্তৃতার কথা ইতিহাসে এসেছে শিয়া ও সুন্নি বর্ণনা অনুযায়ী। এসব ভাষণ তিনি দিয়েছেন মহানবীর ওফাতের পর। এসবের মধ্যে একটি বিখ্যাত ভাষণ হল ফাদাকের ভাষণ। এই ভাষণের কথা উল্লেখ করেছেন বিখ্যাত সুন্নি আলেম ইবনে ত্বাইফুর (২০৪-২৮০হিজরি)

মৃত্যু (শাহাদাত)

মহানবীর ওফাতের মাত্র ছয় মাস পর একটি ঘটনায় আহত হয়ে তিনি ঘরে শয্যাশায়ী হন এবং ১১ হিজরির ৩ জমাদিউস সানি মদিনায় দুনিয়া ত্যাগ করেন। পরিবারের লোকজন ও গুটি কয়েকজন বিশ্বস্ত সঙ্গীকে নিয়ে হযরত ফাতিমার জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করেন হযরত আলী।

ফাতিমিয়া এবং নারী ও মা দিবস

মহানবীর আহলে বাইতের অনুরাগীরা হযরত ফাতিমার শাহাদাত বা ওফাত দিবস উপলক্ষে শোক পালন করেন। ইরানে হযরত ফাতিমার জন্ম-বার্ষিকীর দিবসটি তথা ২০ জমাদিউস সানি নারী ও মা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ইরানের কন্যা বা মেয়েদের বেশিরভাগ নামই হল ফাতিমা ও জাহরা।

রাসূলের প্রতি ভালোবাসার দু’টি নমুনা

খন্দকের যুদ্ধের পূর্বে রাসূল (সা.) একদিন পরিখা খননের কাজে ব্যস্ত ছিলেন, হযরত ফাতিমা একটি রুটি তাঁর জন্য নিয়ে আসেন। রাসূল (সা.) জিজ্ঞাসা করেন, এটি কি? ফাতিমা বলেন, সন্তানদের জন্য কয়েকটি রুটি বানিয়েছিলাম। সেখান থেকে একটি আপনার জন্য নিয়ে এসেছি। রাসূল বলেন, হে ফাতিমা! এটাই প্রথম খাদ্য যা তিন দিন পর তোমার পিতার নিকট পৌঁছেছে।

তিনি তাঁর ছোট ছোট সন্তানদের ওপরও রাসূলকে প্রাধান্য দিতেন। প্রতিবেশীরা খাবার পাঠালে তিনি রাসূলকে সঙ্গে না নিয়ে তাঁদেরেকে সে খাবার খেতে দিতেন না। এভাবে রাসূলের ওফাত পর্যন্ত আমরা তাঁকে একজন মমতাময়ী মায়ের ভূমিকায় পাই যিনি সত্যিই ‘উম্মু আবিহা’(স্বীয় পিতার মাতা-এ উপাধি তিনি পিতার ক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা পালনের কারণে পেয়েছিলেন। কারণ রাসূল (সা.) যখনই তাঁর নিকট আসতেন যেন মাতার সান্নিধ্য পেতেন ও তাঁর সকল কষ্ট দূর’ত হত। রাসূল (সা.) এর ওপর ইসলাম প্রচারের যে গুরু দায়িত্ব ছিল ও এ পথে যত চাপ অনুভব করতেন ফাতিমার মাতৃস্নেহে রাসূল(সা) তা ভুলে যেতেন। বিশেষত হযরত আবু তালিব ও খাদিযার মৃত্যুর পর রাসূলের একাকীত্বে তিনি ছিলেন তাঁর পিতার সবচেয়ে বড় মানসিক প্রশান্তি।

গুণাবলী

হযরত ফাতিমার নানা গুণ সুন্নি ও শিয়া সূত্রে বর্ণিত। তার কোনো কোনো গুণের বিষয়টি পবিত্র কুরআনে এসেছে, যেমন তাত্বহির ও মুবাহিলা সংক্রান্ত আয়াত। এসব আয়াত মহানবীর (সা) আহলে বাইতের মর্যাদা ও প্রশংসা সম্পর্কিত। হযরত ফাতিমা মহানবীর পবিত্র আহলে বাইতের অন্যতম সদস্য। মহানবী –সা. ফাতিমাকে নিজ দেহের অংশ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, যে কেউ তাঁকে কষ্ট দিল সে যেন আমাকে কষ্ট দিল ও যে আমাকে কষ্ট দিল সে যেন আল্লাহকে কষ্ট দিল। হযরত জিবরাইলের মাধ্যমে তিনি অদৃশ্যের অনেক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন ও হাদিস বর্ণনা করতেন বলে তাঁকে মুহাদ্দিসাও বলা হয়।

তিনি দীর্ঘ সময় ধরে অনেক নামাজ পড়তেন, সব সময় দোয়া করতে গিয়ে প্রতিবেশীসহ অন্যদের জন্য আগে দোয়া করতেন, শহীদদের কবর জিয়ারত করতেন। এ জন্যই দোয়া ও মুনাজাতের নানা বইয়ে হযরত ফাতিমার বিশেষ কিছু নামাজ, দোয়া ও তাসবিহ’র বর্ণনা দেখা যায়।

মহান আল্লাহ ও রাসূলের কাছে হযরত ফাতিমার মর্যাদা

সুন্নি ও শিয়া বর্ণনা অনুযায়ী সুরা শুরার ২৩ নম্বর আয়াত অনুযায়ী হযরত ফাতিমাসহ মহানবীর আহলে বাইতকে ভালবাসা মুসলমানদের জন্য জরুরি। আর মহানবীর আহলে বাইতের প্রধান চার সদস্য হলেন হযরত ফাতিমা, হযরত আলী, ইমাম হাসান ও হুসাইন-আ.।
রাসূল (সা.) বলেন, ‘বেহেশতে সর্বপ্রথম আমার নিকট যে পৌঁছবে সে হচ্ছে ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ।’

ফাতিমার প্রতি মহানবীর শ্রদ্ধা ও অনুরাগ

ফাতিমার সঙ্গে দেখা হলে মহানবী-সা. দাঁড়িয়ে যেতেন ও তাঁকে নিজের কাজে বসতে দিতেন। তিনি তাঁর কপালে চুমু খেতেন। সফরে গেলে মহানবী-সা. সবার পরে আলী ও ফাতিমার কাছ থেকে বিদায় নিতেন ও ফিরে আসার পর সবার আগে তাদের সঙ্গে দেখা করতেন।

ফাতিমার মাধ্যমে মহানবীর-সা. বংশধারা অব্যাহত

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সকল নারীর সন্তানদের তাদের পুরুষদের সাথে সংযুক্ত করা হয় শুধু ফাতিমা ব্যতীত। ফাতিমার সন্তানদের আমার সাথে সম্পর্কিত করা হয়েছে। ‘আর সেজন্যই আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই যে, হযরত ফাতিমার সন্তানদের মানুষ ‘ইয়াবনা রাসূলিল্লাহ’ অর্থাৎ হে রাসূলের সন্তান বলে সম্বোধন করত।

হযরত ফাতিমার তাকওয়া, তাঁর দুনিয়াবিমুখতা, তাঁর দায়িত্বশীলতা সব মিলিয়ে মহান আল্লাহর কাছে তাঁর যে অবস্থান সে কারণেই রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে ভালবাসতেন। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে হযরত ফাতিমা আগমন করলে তিনি তাঁকে দাঁড়িয়ে সম্ভাষণ জানাতেন। এটি কি শুধু একজন কন্যার প্রতি পিতার ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ছিল? আলেমগণ বলেছেন, কখনই নয়। কারণ, অন্য কোন সন্তানের ক্ষেত্রে রাসূল এমন কাজ করতেন না। প্রকৃতপক্ষে এ ছিল বেহেশতের নারীদের নেত্রীর প্রতি মহান আল্লাহর রাসূলের সম্মান ও ভালবাসা প্রদর্শন।

দানশীলতা

দানশীলতার জন্য হযরত ফাতিমা ছিলেন বিখ্যাত। বিয়ের রাতে তিনি তার বিয়ের জন্য তৈরি করা নতুন পোশাক একজন দরিদ্র সাহায্যপ্রার্থীকে দিয়ে দেন। তিনি দাম্পত্য জীবনে স্বচ্ছলতার যুগেও সাদা-সিধা জীবন যাপন করতেন ও নিজে ক্ষুধার্ত ও রোজাদার হওয়া সত্ত্বেও পর পর তিন দিন নিজের ইফতারের সব খাবার সাহায্যপ্রার্থী ইয়াতিম, মিসকিন ও একজন বন্দিকে দিয়ে দেন। একই কাজ করেন হযরত আলী ও শিশু ইমাম হুসাইন। তাঁদের এ কাজের প্রশংসায় নাজিল হয় পবিত্র কুরআনের সুরা দাহির বা ইনসান।

জ্ঞান ও প্রজ্ঞা

হযরত ফাতিমা আকিদা ও ইসলামী আইন বিষয়ে মদিনার নারীদের নানা প্রশ্নের জবাব দিতেন। সামাজিক ও নৈতিক বিষয়সহ নানা বিষয়ে হাদিসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হযরত ফাতিমা থেকে বর্ণিত হয়েছে। মুসনাদে ফাতিমা ও আখবারে ফাতিমা নামে হাদিসের নানা বইও এক সময় প্রকাশ হয়েছিল, এসবের কোনো কোনটি হারিয়ে গেছে, কেবল রিজাল শাস্ত্রের বইয়ে ও বই পরিচিতির অংশে এইসব বইয়ের লেখক ও বর্ণনাকারীদের নাম দেখা যায়।

আরও নিউজ ও ভিডিও পেতে ক্লিক করুন :

ওয়েব সাইট : https://dhumkatunews.com/
ইউটিউব ভিডিও লিংক : https://www.youtube.com/@dhumkatunews/featured
টুইটার : https://twitter.com/dhumkatunews
ইন্সটেগ্রাম : https://www.instagram.com/dhumkatunews/
লিংকডইন : https://www.linkedin.com/in/dhumkatunews/
পিনটারেস্ট : https://www.pinterest.com/dhumkatunew

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031