IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারবর্গের অনুকূলে চেক হস্তান্তর ও বিতরণমহাদেবপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষের‌্যালী ও আলোচনা সভাফুলবাড়ীতে বাক্‌প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটকমানবতা ফেরিওয়ালা’ভুমি কর্মকর্তা শিবু দাশের বিদায়সিরাজগঞ্জে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভামান্দায় ভার্কের শিক্ষাবৃত্তি পেল ৩২ মেধাবী শিক্ষার্থীজনসেবা ও মানবিকতায় প্রশংসিত তারাগঞ্জের ইউএনও মোনাববর হোসেনখলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুরতামাক নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের সমন্বয় ও সম্পৃক্তকরণ শীর্ষক কর্মশালাএকাত্তরের চেতনার ব্যবসা করে জাতির মধ্যে বিভাজন করে রাখা হয়েছে: শিবির সভাপতি সাদ্দামমহাদেবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে নববধূর মৃত্যু, স্বামী গুরুতর অসুস্থচাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৯টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারসিরাজগঞ্জে স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানেআড্ডা পুলিশের অভিযানমান্দায় খেলার মাঠের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভজাতীয় আদিবাসী পরিষদ নিয়ামতপুর উপজেলার শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন
Home >> নগর-গ্রাম >> টপ নিউজ >> নিয়ামতপুরে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা ব্যবসা

নিয়ামতপুরে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা ব্যবসা

ধূমকেতু প্রতিবেদক, নিয়ামতপুর : নওগাঁর নিয়ামতপুরে রাতারাতি ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে বিভিন্ন চটকদার নামে ক্লিনিক, ডেন্টাল ক্লিনিক, থেরাপি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে উপজেলা সদরের দু’একটি ক্লিনিকের অনুমোদন (লাইসেন্স) থাকলেও তা মেয়াদ উত্তীর্ণ অধিকাংশ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই। অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে এসব অননুমোদিত ক্লিনিকের বেশির ভাগেরই জড়িত রয়েছেন সরকারী হাসপাতালের ডাক্তাররা। প্রশাসন নিবর দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব ক্লিনিকের কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। তাদের নেই কোনো জরুরি বিভাগ, নেই রোগ নির্ণয়ের মানসম্মত যন্ত্রপাতি বা ল্যাব টেকনোলজিস্ট। ধার করা পার্টটাইম ডাক্তার দিয়ে চলছে জটিল অপারেশনসহ নানা চিকিৎসা। উপজেলার স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাদের তালিকাভুক্ত ক্লিনিক কাম ডাযাগনস্টিক সেন্টার ৫ ও শুধু ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৫টি থাকলেও বাস্তবে এর সংখ্যা আরো বেশী। এ ছাড়া উপজেলা সদরসহ ইউনিয়নগুলোতে অবৈধভাবে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে অনেক ডেন্টাল ক্লিনিক, বেশ কিছু থেরাপি কেন্দ্র ও একাধিক কিডনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

উপজেলা সদর ছাড়াও চোখে পড়ে ছাতড়া বাজার, শিবপুর বাজার, গাংগোর বাজার, আড্ডা বাজারের অলিগলিতে নামিদামি ডাক্তারদের নাম সংবলিত চোখ ধাঁধানো ব্যানারসহ ডিজিটাল সাইনবোর্ড। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত সহজ সরল অসহায় মানুষগুলো তাদের পাতা ফাঁদে আটকে যাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা সদরসহ উপজেলা বিভিন্ন বাজারের ক্লিনিকগুলোতে চলছে চিকিৎসার নামে গলাকাটা ব্যবসা। কম্পিউটারাইজড, পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ও অত্যাধুনিক নামে সাইনবোর্ড সর্বস্ব এসব ক্লিনিকে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় মানুষ রোগ নিরাময়ের জন্য এসে অপচিকিৎসার জালে আটকা পড়ছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, উপজেলার কোন অবৈধ ডেন্টাল ক্লিনিক থাকলেও লাইসেন্সের জন্য একটি আবেদনও পড়েনি। এসব ক্লিনিকে নামিদামি ডাক্তারের নাম সংবলিত সাইনবোর্ড টানানো থাকলেও তাদের অনেকে আগেই বদলি হয়ে চলে গেছেন বিভিন্ন জেলা বা বিভাগীয় শহরে। তাদের কেউ কেউ মাসে দু-একবার এসে অপারেশন করে চলে যান। কোন ক্লিনিকেই নিয়মিত কোনো ডাক্তার থাকেন না। সেখানে নেই মানসম্মত পরীক্ষাগার, প্যাথলজি সরঞ্জাম বা ল্যাব টেকনোলজিস্ট। কম বেতনের অনভিজ্ঞ নার্স, আয়া ও দারোয়ানই হচ্ছে এসব হাসপাতালের একমাত্র ভরসা।

এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসার কথা মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করলেও মূলত তাদের বেশির ভাগই হচ্ছেন ডাক্তার কদম আলীর মতো। এসব ডাক্তারের নাম ভাঙিয়ে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়ে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। জেলা কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো ধরনের মনিটরিং কিংবা জবাবদিহি না থাকায় অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। উপজেলা প্রশাসনের নেই কোন নজরদারী। যে কারণে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু করতে উপজেলায় রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা সরকারের নির্দেশনা কিংবা নীতিমালার বাইরে যেতে পারবো না। সবাইকে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আমি ইতি মধ্যে বেসরকারী হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিকদের সাথে আমার কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। জেলার সকল উপজেলায় সরকারের নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকার যথেষ্ট সময় দিয়েছে। আগামী দু’একদিনের মধ্যেই আমরা মাঠ পর্যায়ে অভিযান শুরু করবো। যে সমস্ত বেসরকারী হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার সরকারের নীতিমালা যথাযথভাবে মানেনি, তাদের অনিয়মের পরিমাপ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যাদের অনুমোদন (লাইসেন্স) নেই তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, এসব বিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ নেই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমরা তো সরকারের নির্দেশনার বাইরে যেতে পারবো না। উপজেলার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন বিষয় সরকারের নির্দশনা মোতাবেক কাজ করে যাবো। বেসরকারী হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বিষয়ে সরকারী নির্দেশনা মেনে চলা হবে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930