IMG-LOGO

শনিবার, ৩ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
রাজশাহীতে “১১নং ওয়ার্ড ক্রিকেট প্রিমিয়ার লীগ ২০২৬, সিজন-১ এর কার্যক্রম ও রেজিস্ট্রেশনের উদ্বোধনবাঘায় যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ফুটবল একাডেমীর উদ্বোধন করেন এমপি চাঁদসিরাজগঞ্জে মরহুম মনিরুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও কুলখানিচলন বিল রক্ষার্থে রাণীনগরে যাচাই সমীক্ষা বিষয়ক মতবিনিময়পোরশায় জাতীয় আদিবাসী পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনেসভাপতি গবেশ সম্পাদক রিপনচাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি ককটেল বিস্ফোরণে আহত ২, ১১টি তাজা ককটেল উদ্ধারমহাদেবপুরে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পনিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধারফুলবাড়ীতে নকল কীটনাশক বিক্রির অভিযোগে, ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা আদায়ময়মনসিংহে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৭নিয়ামতপুরে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভারাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করলেন ভূমিমন্ত্রী মিনুসঠিক পথে দেশ পরিচালার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম: বিভাগীয় কমিশনারগ্যাস সিলিন্ডার, কসমেটিকস ও নিত্যপণ্যের দোকানে জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান ও জরিমানাপুঠিয়ায় জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ছয় মাসের কারাদণ্ড
Home >> জাতীয় >> নগর-গ্রাম >> যেভাবে গ্রেফতার হলেন প্রধান আসামি সাইফুর

যেভাবে গ্রেফতার হলেন প্রধান আসামি সাইফুর

ধূমকেতু নিউজউজ ডেস্ক : সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার সকাল ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ বলছে, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্ত হয়ে ভারত পালাতে চেয়েছিলেন আসামি সাইফুর। রোববার ভোর ৬ টার দিকে তিনি ছাতক নোয়ারাই এলাকায় সুরমা নদীর খেয়াঘাটে যান।

তবে প্রযক্তির সহায়তায় সীমান্ত এলাকার দিকে আসামি সাইফুর রহমানের অবস্থান নিশ্চিত করে পুলিশ। পরে সেখানে যান ছাতক সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বিল্লাল হোসেন।

এএসপি বিল্লাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ছবিতে সাইফুরের দাঁড়ি ছিল। তিনি দাঁড়ি কেটে মুখে মাস্ক লাগিয়ে খেয়াঘাটে যান। পরনে ছিল টি-শার্ট ও প্যান্ট। ভোরে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান। হয়তো সীমান্ত এলাকায় গিয়ে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা ছিল।

তিনি আরও বলেন, সাইফুরকে পালাতে কেউ সহায়তা করেছেন কিনা, তার খোঁজ করতে ছাতক ও দোয়ারাবাজারে তার আত্মীয়দের সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

এদিকে ছাতক থানা পুলিশ সূত্র জানায়, এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ছাতক উপজেলার সুরমা নদীর খেয়াঘাট এলাকায় নজরদারি করছিল।

সাইফুরকে ভোর ছয়টা থেকে প্রায় আধা ঘণ্টা খেয়াঘাট পার হয়ে অপেক্ষা করতে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। তার কাছে যেতেই বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া সাইফুরের ছবির সঙ্গে তার মিল পাওয়া যায়। তখন তাকে নাম জিজ্ঞেস করা হয়।

এতে তিনি সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় তাকে আটক করে থানায় নেয়া হয়। থানায় তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, প্রযক্তির সহায়তায় সীমান্ত এলাকার দিকে আসামি সাইফুর রহমানের অবস্থান নিশ্চিতের পরই একটি দল পুলিশ নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে তাকে গ্রফতার করে।

গ্রেফতারকৃত সাইফুর রহমান সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার সোনাপুরের চান্দাইপাড়ার মো. তাহিদ মিয়ার ছেলে।

ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর অস্ত্র মামলারও আসামি। মামলার এজাহারে তার বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে ‘ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়কের বাংলো’। ছাত্রাবাসে তিনি ২০৫ নম্বর কক্ষটি দখল করে থাকতেন। গত শুক্রবার রাতে ধর্ষণ ঘটনার পর ভোর রাতে ছাত্রাবাসে পুলিশের অভিযানে ২০৫ নম্বর কক্ষ থেকে পাইপগান, চারটি রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদি হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলা ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)।

তাদের মধ্যে তারেক ও অর্জুন শিক্ষার্থী না হলেও সবাই এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা এবং সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট রনজিত সরকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930