IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৪ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
রাণীনগরে এক কেজি গাঁজা ও ১১৩পিস ট্যাপেন্টাডল বড়ি উদ্ধারতানোরে গৃহবধূর রহস্যজনক ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারসিংড়ায় অবৈধভাবে সরকারি সার বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদন্ডরাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে ২মাদক সেবির কারাদন্ড১১ হাজার ৪৯৫ জন ডাক্তার নিয়োগ দেবে সরকার, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত ২বাঘায় গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ১অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিগত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যুচিত্রনায়িকা পরীমনির কোলে ফুটফুটে শিশুরাণীনগরে ৩য় শ্রেনীর শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটকপুঠিয়ায় সারের জন্য মহাসড়ক অবরোধযুক্তরাষ্ট্রে অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫, আহত ৫বাগমারায় পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ‘এক উপজেলার সব ইউপির ভোট একসঙ্গে’
Home >> রাজশাহী >> বিশেষ নিউজ >> বহুল প্রচলিত টাঙ্গা এখন সৌখিন যানবাহন

বহুল প্রচলিত টাঙ্গা এখন সৌখিন যানবাহন

ধূমকেতু প্রতিবেদক, জান্নাতুল মাওয়া : রাজশাহীতে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে দুই চাকা বিশিষ্ট এক ঘোড়ার টাঙ্গা বা টমটম গাড়ী। এক সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আদি যানবাহন ছিল যা এখন সৌখিন যানবাহনে পরিণত। দু’চাকার একঘোড়ায় টানা টাঙ্গা বা টমটমের চালককে বলা হয় কোচোয়ান। এক সময়ে রাজশাহীর রাস্তাঘাটে পণ্য বা যাত্রী বহন করা হতো এই গাড়ীতে। কালের বিবর্তনে ও আধুনিক যানবাহনের ছোঁয়ায় এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে টাঙ্গা বা টমটম বা ঘোড়ার গাড়ী। বর্তমানে এই গাড়ীটি শুধু বিনোদন স্থলগুলোতেই দেখা যায়।

যত দূর জানা যায়, নব্বই দশকেও রাজশাহীতে ঘোড়ার গাড়ী বা টমটমের বহুল প্রচলন ছিল যা আজ বিলুপ্তপ্রায়। বিলুপ্ত হতে হতে বর্তমানে তিনটিতে দাঁড়িয়েছে এই যানবাহনটি।

টাঙ্গা চালক কোচোয়ান আব্দুস সাত্তার ধুমকেতু নিউজকে জানান, তিনি বংশীয়ভাবে এই পেশাটি পেয়েছেন। তার পরবর্তী প্রজন্ম এই পেশায় আগ্রহী নন। তাই বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে এই গাড়ীটি।

বর্তমানে নগরীতে কতটি গাড়ী বা কয়জন কোচোয়ান আছে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মতো আরও ২ জন কোচোয়ান আছেন। পা চালিত রিক্সার প্রচলন শুরু হওয়ায় টমটমের ব্যবহার ক্রমশ কমতে থাকে। যা বর্তমানে ৩ টিতে এসে দাঁড়িয়েছে। দশকের গন্ডি না পেরোতেই হয়তো বিলুপ্ত হয়ে যাবে এই যানবাহনটি।

তিনি আরও জানান, টাঙ্গা গাড়িটি বর্তমানে সৌখিন যানবাহনে রূপান্তরিত হয়েছে। যার ফলে সিটি কর্পোরেশনের কোন ট্যাক্স প্রদান করতে হয় না।

আব্দুস সাত্তার বলেন, বর্তমানে পদ্মা পাড়ের শিমলা থেকে আইবাধ পর্যন্ত ব্যবহার হয় ঘোড়ার গাড়ী। যার নির্দিষ্ট কোনো ভাড়া নির্ধারিত নেই। তবে ১০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত যে যেমন ভাড়া দেন তাই তিনি গ্রহণ করেন। যা দিয়ে সংসার চালানো তার পক্ষে খুবই কষ্টদায়ক। একসময় এটিই প্রধান যানবাহন থাকলেও এখন আর এর চল খুব একটা নেই। তবে বিভিন্ন রকম উৎসবে ঘোরাঘুরির কাজে গাড়ীটিকে ব্যবহার করে বর্তমান প্রজন্ম।

তিনি আরও জানান, ঘোড়ার প্রতিদিনের খাবারের জন্য ব্যয় হয় ৩০০ টাকা। সংসার চালানো ও ঘোড়ার খাবারের টাকা আয় করতেই হিমশিম খেতে হয়। আর তাই হয়তো এই তিন কোচোয়ানকে দিয়েই শেষ হয়ে যাবে যুগ যুগ ধরে চলে আশা এই টমটম পেশা।

বিলুপ্তপ্রায় টাঙ্গা বা টমটম গাড়ীটি নষ্ট হলে মেরামত করেন কোথায় প্রশ্নের জবাবে আব্দুস সাত্তার ধূমকেতু নিউজকে বলেন, আগে রাজশাহীর তালাইমারী ঘোড়ার গাড়ী মেরামতের কারিগর ছিল। কিন্তু বর্তমানে গাড়ীটি নষ্ট হলে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী এলাকা থেকে গাড়ীটি ঠিক করে নিয়ে আসতে হয়।

বর্তমান প্রজন্মের কাছে এটি এখন কৌতুহলের বিষয় হলেও ভবিস্যৎ প্রজন্ম হয়তো জানবে না টমটম বা টাঙ্গা নামে কোন যানবাহন ছিল। কথায় আছে, যার শুরু আছে তার শেষও আছে। আর তাই হাজার হাজার বছর আগে শুরু হওয়া এই পেশা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

উল্লেখ্য, ঘোড়ায় টানা গাড়ি টমটম নামে পরিচিত। এক, দুই বা ততোধিক ঘোড়ায় টানা খোলা গাড়িকে টমটম নামে আখ্যায়িত করা হয়। তবে এক ঘোড়ায় টানা গাড়িকে বলা হয় টাঙ্গা। ইংরেজ শাসনামলে ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন শুরু হয়। ১৮৫৬ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আসে এই গাড়ীটি। যা তখন ‘ঠিকা গাড়ি’ নামে পরিচিত ছিল।

পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘোড়ার গাড়ীর প্রচলন ঘটে। কোথাও কোথাও এটি ‘টাঙ্গা, জুড়িগাড়ি কিংবা এক্কা গাড়ি’ নামেও পরিচিত ছিল। এসব গাড়ির চালকদের কোচোয়ান বা সহিস বলা হয়।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031