IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৪ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
সিংড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভানিয়ামতপুরে কাব ক্যাম্পুরীতে স্কাউটদের দক্ষ, সুনাগরিক ও দায়িত্বশীল হওয়ার প্রত্যয়রাণীনগরে এক কেজি গাঁজা ও ১১৩পিস ট্যাপেন্টাডল বড়ি উদ্ধারতানোরে গৃহবধূর রহস্যজনক ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারসিংড়ায় অবৈধভাবে সরকারি সার বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদন্ডরাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে ২মাদক সেবির কারাদন্ড১১ হাজার ৪৯৫ জন ডাক্তার নিয়োগ দেবে সরকার, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত ২বাঘায় গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ১অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিগত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যুচিত্রনায়িকা পরীমনির কোলে ফুটফুটে শিশুরাণীনগরে ৩য় শ্রেনীর শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটকপুঠিয়ায় সারের জন্য মহাসড়ক অবরোধযুক্তরাষ্ট্রে অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫, আহত ৫
Home >> শিক্ষা >> বিশেষ নিউজ >> অর্ধ কোটি টাকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ শিক্ষার্থী

অর্ধ কোটি টাকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ শিক্ষার্থী

ধূমকেতু প্রতিবেদক, রাণীনগর : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ৮২নং ছাতারদিঘী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে মাত্র ১৪জন শিক্ষার্থী নিয়ে। এর মধ্যে ৪র্থ শ্রেণীতে মাত্র একজন শিক্ষার্থী থাকলেও ৫ম শ্রেণী রয়েছে শিক্ষার্থী শূণ্য। অথচ ওই বিদ্যালয়েই দেয়া হয়েছে অর্ধ কোটি টাকার একটি নতুন ভবন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে এমন করুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে বিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, রাণীনগর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে কালীগ্রাম ইউনিয়নের ছাতারদিঘী গ্রামে অবস্থিত ৮২নং ছাতারদিঘী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এলাকায় শিক্ষা বিস্তার ও জনমানুষকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে এলাকার সচেতন ও গুণী লোকজনদের সহযোগিতায় ১৯৮৮ইং সালে বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। একসময় ভরপুর শিক্ষার্থী ছিল বিদ্যালয়ে। কিন্তু ধীরে ধীরে পড়া-লেখার মান, বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় বিদ্যালয় থেকে ঝরতে থাকে শিক্ষার্থী। এরই মধ্যে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গত দুই বছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকে। বিদ্যালয় খোলা হলেও পরিচালনা কমিটি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব গড়ায় বিদ্যালয়ের উপর। ভেঙ্গে পরে পড়া লেখার মান। ফলে শিক্ষার্থীরা পার্শ্ববতি বিদ্যালয়ে পার হয়ে যায়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দেয়া তথ্য মতে, করোনা ভাইরাসে বিদ্যালয় বন্ধ হবার আগে প্রায় ২৫ জন শিক্ষার্থী ছিল। বিদ্যালয় খোলার পর শিক্ষার্থীরা অন্য বিদ্যালয়ে চলে যাওয়ায় বর্তমানে ১ম শ্রেণীতে ৫জন, ২য় শ্রেণীতে ৪জন, ৩য় শ্রেণীতে ৪জন ও ৪র্থ শ্রেণীতে ১জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে ৫ম শ্রেণীর মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ জনই অন্য বিদ্যালয়ে চলে যাওয়ায় বর্তমানে কোন শিক্ষার্থীই নেই। বিদ্যালয়ে মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থীদের পড়াতে রয়েছেন তিন জন শিক্ষক।

শিক্ষক আরও জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৬০ লাখ ৬২ হাজার ১৩৯ টাকা প্রাক্কলিত ব্যায়ে নতুন একটি ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। হয়তো অল্প সময়ের মধ্যেই ভবনটি হস্তান্তর করবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

শিক্ষার্থী অভিভাবক জহুরুল হক বলেন,আমরা সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠায় ভাল শিক্ষা অর্জণের জন্য । কিন্তু ওই বিদ্যালয়ে পড়া লেখা হয়না। যে কারনে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দিয়েছি। অপর অভিভাবক লিটন হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ে পড়া লেখার কোনও সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পড়ায়না। আমরা বার বার পড়া-লেখা নিয়ে অভিযোগ করেছি। এমনকি সভাপতিকে বলেও কোন ফল পাইনি।

তিনি আরও বলেন, সভাপতির সাথে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দ্বন্দ্ব রয়েছে জন্য সভাপতির কথায় মান দেয়না প্রধান শিক্ষক। বাধ্য হয়ে দুই ছেলেকে ভাল পড়া-লেখার জন্য অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দিয়েছি।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দা হাসিনা আনোয়ার অভিভাবকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মূখী করতে শিক্ষকরা সবাই মিলে বাড়ী বাড়ী গিয়েও তাদেরকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে পারিনি। তিনি বলেন,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আফজাল হোসেনের সাথে আমার পারিবারিক দ্ব›দ্ব রয়েছে। আর এই দ্ব›েদ্বর কারনে সভাপতি নানানভাবে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভুল বুঝিয়ে আমাদের বিদ্যালয়ে আসতে দিচ্ছেনা। ফলে অভিভাবকরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সন্তানদের ভর্তি করে দিয়েছেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আফজাল হোসেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেনা এবং ভাল পড়া-লেখা করায়না। যে কারণে অভিভাবকরা সন্তানদের অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দিয়েছে। এবিষষে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের জানিয়েও কোন ফল হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, আমি অল্প দিন হলো এই উপজেলায় যোগদান করেছি। এসেই বিষয়গুলো শুনেছি। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে প্রয়োজনে মা, অভিভাবক সমাবেশ করে বা আরো অন্যান্য কোন প্রক্রিয়া থাকলে সেগুলো অনুসরণ করা হবে। তবে কেন শিক্ষার্থীরা অন্য বিদ্যালয়ে চলে গেছে সে বিষয়গুলো ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031