ধূমকেতু প্রতিবেদক, বাঘা : এবারের এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে রাজশাহীর বাঘায় ৩ বোর্ডের ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী ফেল করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
গত সোমবার (১০ জুলাই )ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, জেনারেল, কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে থাকা বানিয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, বাউসা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট ও সরেরহাট দাখিল মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি।
শতভাগ ফেল করা ৩ প্রতিষ্ঠান হলো – বানিয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে (জেনারেল): ৬ জন পরীক্ষা দিয়ে সবাই ফেল করেছে । প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন জানান, গত বছর ৪ জনের মধ্যে ৩ জন পাশ করেছিল। এবারই প্রথম এমন বিপর্যয়। তার বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ৬ জন।
বাউসা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট (কারিগরি) এ ৪১ জন পরীক্ষা দিয়ে কেহই পাশ করেনি। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক রয়েছেন ২০ জন। সুপারিনটেন্ট রেজাউল করিমের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সরেরহাট দাখিল মাদ্রাসা ( মাদ্রাসা) থেকে ১৪ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৪ জনই ফেল করেছে । প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক রয়েছে ১৪ জন। সুপার ইউনুস আলী জানান, গত বছর ২৩ জনের মধ্যে ৭ জন পাশ করেছিল। অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে খাতা পূনরমূল্যায়ের আবেদনের কথা জানানো হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৩ বোর্ডের অধীনে বাঘার ৬৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮৬৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ১৪১৫ জন। পাশের হার ৪৯.৩৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু জাফর জানান, জেনারেল ৪৯টি স্কুলে পাশের হার ৫৯.৬৭%, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪৯ জন।পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮৬২ জন। পাশ করেছে ১১১১ জন। কারিগরিতে ৯টি প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ২৭.৬৬%, পরীক্ষার্থী ছিল ৭৫২ জন। পাশ করেছে ২০৮ জন , জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৩ জন এবং মাদ্রাসায় ৯টি প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৩৭.৯৪%। পরীক্ষার্থী ছিল ২৫৩ জন। পাশ করেছে ৯৬ জন।জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৫ জন।
এ বিষয়ে (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, “ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসা হবে।”##



