IMG-LOGO

বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৬ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান সরকারমিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মারফত আফ্রিদী’র পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের মাঝে জার্সি বিতরণজালিয়াতির অভিযোগ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন হাসিনাকন্যা পুতুল‘রুনা লায়লার মৃত্যুর গুজব’ মেয়ে তানি লায়লা যা বললেনস্পেনে আরও একটি ক্লাব কিনতে যাচ্ছেন ফুটবল তারকা মেসিরুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে উপাচার্যের শোকবরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ’র) মাসিকসমন্বয় সভা অনুষ্ঠিতবাগমারার ভবানীগঞ্জে সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভাসিরাজগঞ্জে রায়পুর জংশন বাইপাস হলে সিরাজগঞ্জবাসী রেলসুবিধা বঞ্চিত হবেনন্দীগ্রামে ৪১২ ফুট সিসি ঢালাই রাস্তা নির্মাণকাজের উদ্বোধনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটিতে ডাঃ আব্দুল বারীঅবৈধ ইসরায়েলি বসতিতে ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞাচট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনায় ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ সংসদে প্রধানমন্ত্রীচারঘাটে নবী,ইসলাম ও মাদ্রাসা নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তিপূর্ণ পোস্টের অভিযোগে স্কুল শিক্ষক আটকনিয়ামতপুরে ১দিনের ব্যবধানে ২ নারীর আত্মহত্যা
Home >> স্বাস্থ্য >> টপ নিউজ >> করোনাকালে শিশুর যত্ন নিবেন যেভাবে

করোনাকালে শিশুর যত্ন নিবেন যেভাবে

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাসের বয়স আমাদের দেশে একবছর পার হয়ে গেল। এখানে আমরা গত বছরও দেখেছিলাম যেকোনো বয়সের মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে গত বছর বিশ্বে বাচ্চাদের আক্রান্ত হারটা ছিল ৮/৯ শতাংশ। কিন্তু গত ডিসেম্বর থেকে দেখা যায় যুক্তরাজ্যের ধরণটা আমাদের দেশে শনাক্ত হয়।

এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দেশে যেসব ধরনের করোনাভাইরাস আছে তার ভেতরে সাউথ আফ্রিকার ধরণটি আক্রান্ত করার ক্ষমতা বেশি। আর এই ধরণটি বয়স্কদের পাশাপাশি তরুণ ও শিশুদেরও আক্রান্ত করছে।

তিনি বলেন, গত বছর ভাইরাসের যে ধরণটি ছিল আমাদের দেশে তার এক রকম চরিত্র ছিল। আর বর্তমানের সাউথ আফ্রিকার ধরণটির চরিত্র আরেক রকম। যেটার আক্রমণ করার ক্ষমতা একটু বেশি। আর গত বছরের তুলনায় এবার বয়স্কদের সাথে তরুণদেরও আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। অর্থাৎ সাউথ আফ্রিকার ধরণটির চরিত্র হলো সে যেকোনো বয়সের মানুষের আক্রমণ করার ক্ষমতা রাখে।

বর্তমান যারা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে তাদের ফুসফুসের সিটিস্ক্যান করে দেখা যায়, ফুসফুসে তীব্র কোভিডের পরিমাণ, যেটা আগের ধরণের চেয়ে অনেক বেশি। সুতরাং এবারের এই ধরনটা নিয়ে আমাদের একটু বেশি সচেতন থাকতে হবে। কাজেই আমাদের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ করাটা জরুরি।

বর্তমান আমাদের দেশে করোনাভাইরাসের যে ধরণটা আছে তাতে অর্গান ড্যামেজ (বিকলাঙ্গ) হয়ে যাওয়ার প্রবণতাটা বেশি। যার কারণে আমাদের একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

করোনার প্রভাবে জ্বর একটা প্রধান উপসর্গ। এর সাথে কাশি থাকে গলায় ব্যাথা থাকে। এর বাহিরে অন্য উপসর্গও থাকে। যেমন: অনেক সময় বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা হয়, মুখের স্বাদ থাকে না, নাকে গন্ধ পাওয়া যায় না। কখনো তাদের নাক দিয়ে পানি আসে, নাক গন্ধ হয়ে যায়, শরীর দূর্বল হয়ে যায়, সমস্ত শরীরে ব্যাথা হয়। কখনো কখনো তার শ্বাসকষ্ট হতে পারে আর এখানে আমাদের বেশি খেয়াল করতে হবে।

এই উপসর্গটা আগেও ছিল এবং এখনও কিন্তু আছে। এখন কোনো বাচ্চা যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাদের একটা জটিলতা দেখা যায় যেখানে ওই বাচ্চার শরীরের বিভিন্ন অর্গান আক্রান্ত হয়ে যায়। অর্গান আক্রান্ত হয়ে গেলে পরে দেখা যায় যে, বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়ে যায়।

সাধারণভাবে যেসব বাচ্চারা করোনায় আক্রান্ত হয় তাদের ৮০-৯০ শতাংশ উপসর্গ পাওয়া যায় না। এখানে অনেক উপসর্গ খুব নরমাল আবার তাদের করোনা পজিটিভ। যেসব বাচ্চাদের জন্মগতভাবে হার্টের সমস্যা আছে, যেসব বাচ্চাদের শরীর অনেক মোটা, যাদের ডায়াবেটিস আছে, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা সবাই রিস্ক গ্রুপের মধ্যে পড়ে যায়। এসব বাচ্চারা আগে থেকেই একটা অসুস্থতা আছে এর ওপর আবার করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে অতি অল্পতে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।

শিশুদের সুরক্ষা দিতে আমাদের একটা বড় দায়িত্ব আছে। স্বাস্থ্যবিধিটা আমাদের সকলের মানতে হবে সাথে সাথে শিশুদের বুঝাতে হবে।

শিশুদের যেমন মাস্ক পরাতে হবে তেমন মাস্ক পরার গুরুত্বটাও বুঝাতে হবে। বাচ্চারা যদি কোনো জিনিসে হাত দেয় তারপর তাকে হাত ধোয়ার গুরুত্বটা বুঝাতে হবে। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে কিভাবে হাত ধুতে হয় তাকে সেটি শেখাতে হবে।

আর সব থেকে বড় বিষয় হলো সামাজিক দূরত্ব বা নিরাপদ দূরত্ব সেটা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। আর যারা বাইরে যান, তারা বাইরে থেকে ফিরে আগে নিজেকে পরিষ্কার করে বাচ্চার কাছে যেতে হবে।

এসব বিষয়গুলো বড়রাও মেনে চলবে একই সাথে ছোটদেরও বুঝিয়ে মেনে চলতে বাধ্য করাতে হবে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেভাবে বাড়াবেন
করোনা মোকাবেলায় এই সময়ে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ানো অতি জরুরি। তাহলে আমার মনে হয় বাচ্চাদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা যাবে।

এজন্য শরীরের ইমিউনিটি বুস্টার বাড়াতে প্রথমে প্রয়োজন প্রোটিন। এখন আমাদের কাছে প্রোটিন সোর্স ৪টা (মাছ, মাংস, ডিম, ডাল)।

দ্বিতীয়ত শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে প্রয়োজন ভিটামিন এ। আমরা আমাদের ৫ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য প্রতি ছয় মাস পরপর ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিয়ে থাকি। কিন্তু একই সাথে যেসব খাবারের মধ্যে ভিটামিন এ আছে সেগুলো খাওয়াতে হবে। যেমন: সবুজ শাক-সবজি, ছোট মাছের ভেতরে প্রচুর ভিটামিন এ আছে।

শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে তৃতীয় বিষয়টি হল ভিটামিন ডি এবং সি। ভিটামিন ডি থাকে কলিজার মধ্যে। খাবারে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ বাড়াতে মাশরুমকে বেছে নিতে পারেন। তবে সূর্যের আলোতে বেড়ে উঠা মাশরুমে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ বেশি থাকে। আর ভিটামিন সি পাওয়া যায় টক জাতীয় ফলের (কমলা, লেবু, জলপাই, মাল্টা, স্ট্রবেরি, আঙুর, বরই, জাম্বুরা, আমলকি ইত্যাদি) ভেতর।

সুতরাং, এই সময়ে আমরা যদি শিশুদের জন্য প্রোটিন এবং ভিটামিনগুলো নিশ্চিত করেতে পারি তাহলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র: ডক্টর টিভি

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031