IMG-LOGO

শনিবার, ২৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১১ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
শহর খ্রীষ্টান কো-অপারেটিভ লিমিটেডের ১৭তম ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিতছোট্ট নাতি ইব্রাহিমসিরাজগঞ্জ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নজরুল বর্ষ ২০২৬শে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ‘সাইবার সুরক্ষা আইন অপব্যবহার করবে না সরকার’সিরাজগঞ্জ জেলা স্কাউটের ৬৫তম নির্বাহী কমিটির সভাজাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, অর্ধশতাধিক আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটকগোমস্তাপুরে কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারসিরাজগঞ্জে প্রথম আলো জিপিএ -৫ প্রাপ্ত কৃতি সংবর্ধনা‘শৃঙ্খলা না মেনে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা’‘জাতিসংঘের পরমাণু পরিদর্শকদের ফের ইরানে প্রবেশের অনুমতি,মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি, তিন মরদেহ উদ্ধার, বাবা এখনও নিখোঁজকুষ্টিয়ায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১ : আহত ৩নিয়ামতপুরে অবৈধ ভুটভুটি দুর্ঘটনায় ঘটছে প্রাণহানিরাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন ‘রান ফর সিল্ক সিটি’বাঘায় চুরি যাওয়া স্বর্ণসহ চোর গ্রেফতার, ২টি স্বর্ণের বালা উদ্ধার
Home >> টপ নিউজ >> বিনোদন >> সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের

সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের

ছবি-সংগৃহীত

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : নদী, পাহাড় আমাকে বেশ টানে। এ কারণে সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পরি কোন দূরদেশে। ব্যক্তিগত ট্যুর কিংবা শুটিংয়ে অনেক সময়ই দেশের বাইরে যাওয়া হয়। তবে ব্যক্তিগত ট্যুর খুব উপভোগ করি।

সম্প্রতি ব্যক্তিগত ট্যুরে গিয়েছি জর্জিয়ায়। অনেক দিন থেকেই সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। সারাবছরই কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় দু’দণ্ড সময় পেলে হারিয়ে যাই অন্যরকম আনন্দে। ১০ দিনের মতো ছিলাম সেখানে। কখন যে ১০টি দিন চলে গেল টেরই পাইনি।

জর্জিয়া সত্যিই এক অন্যরকম দেশ। জীবনে অনেক দেশ ভ্রমণ করেছি, কিন্তু জর্জিয়ার প্রকৃতি, ইতিহাস এবং মানুষের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। ক্রনিকল, আদজারার বাতুমি উপসাগর, স্টেপান্টসমিন্ডা, মৎসখেতাসহ অনেক জায়গায় ঘুরেছি। কোনো স্থানে ঘুরতে গেলে সেখানকার নানা মূহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করি। এবার শেয়ার করতে ভুলিনি। কাছের মানুষরা অনেকেই জর্জিয়ার স্মৃতি রোমন্থন করেছেন।

তিবিলিসি পৌঁছানোর পর থেকেই চোখে লাগল শহরের শান্তিপূর্ণ সৌন্দর্য এবং পাহাড়-নদীর সমন্বয়। জর্জিয়ার ক্রনিকলের সেই বিশাল মনুমেন্টের কাছে দাঁড়িয়ে মনে হলো ইতিহাস চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।

প্রতিটি স্তম্ভে জর্জিয়ার রাজা-রানীদের ভাস্কর্য এবং নিচের অংশে খ্রিস্টধর্মের দৃশ্য দেখে মনে হলো এক প্রাচীন গল্পের ভেতরে প্রবেশ করেছি। পাহাড়ের দিকে তাকালে তিবিলিসি শহর যেন হাতের নাগালে মনে হয়। এখানে দাঁড়িয়ে প্রতিটি স্তম্ভ, প্রতিটি ভাস্কর্য এমনভাবে সাজানো, যেন মানুষ ও ইতিহাস এক সঙ্গে গল্প করছে।

বাতুমি আদজারা অঞ্চলের সমুদ্রবন্দর শহর। বাতুমি পুরোপুরি অন্যরকম জর্জিয়া। সমুদ্রের তীর, আধুনিক আর্কিটেকচার এবং শহরের প্রাণবন্ত জীবন এক সঙ্গে মিশে একটি স্বপ্নের মতো পরিবেশ তৈরি করে।

বুলেভার্ড ধরে হাঁটতে হাঁটতে আলাদা অনুভূতি হয়। সন্ধ্যায় সাগরের বাতাস এবং আলো-ঝলমলে শহরের সমন্বয় মন ছুঁয়ে যায়। প্রকৃতি এখানে রঙ ছড়ায়। এখানকার খাবারও অসাধারণ। কোন জায়গায় ঘুরতে গেল সেখানকার স্থানীয় খাবার খেতে চেষ্টা করি। হাচাপুরি, স্থানীয় চা খেয়েছি। সমুদ্রের কাছাকাছি থাকা রেস্তোরাঁর পরিবেশ মুগ্ধ করে।

বাহারি খাবারের স্বাদ নিতে অনেকেরই কাটে ব্যস্ত সময়। মৎসখেতা আমার কাছে বিশেষ মনে হয়েছে। এটি জর্জিয়ার প্রাচীন রাজধানী। কোনো নতুন শহরে গেলে আমি সেখানের ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করি। মৎসখেতা জায়গাটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। স্বেতিতসখোভেলি ক্যাথেড্রালে প্রবেশ করলে ভেতরের স্থাপত্য, দেয়ালে আঁকা চিত্রকর্ম এবং প্রার্থনার স্থিরতা গভীরভাবে স্পর্শ করে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে পুরো শহরটা দেখা বিস্ময়কর। নদীর দুই ধারার মিলন এবং শহরের ইতিহাস একসঙ্গে মিশে এক অনন্য চিত্র তৈরি করে।

পাহাড়প্রেমী হিসেবে গন্তব্য ছিল স্টেপান্টসমিন্ডা। কাজবেগি পর্বতের দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। গের্গেটি ট্রিনিটি চার্চ -এ উঠলে পাহাড়ের চূড়ায় চারপাশের বরফঢাকা শৃঙ্গ, ঠান্ডা বাতাস এবং শান্ত গ্রামগুলো এক ভিন্ন অনুভূতি দেয়। এখানকার প্রকৃতি নতুন শক্তি দেয়। প্রতিটি দিক থেকে প্রকৃতির সৌন্দর্য মুগ্ধ করে। জর্জিয়ায় প্রতিটি জায়গারই নিজস্ব আকর্ষণ আছে।

এখানে ক্রনিকল স্থানে ইতিহাসের শক্তি, মৎসখেতা শহরে প্রাচীন সভ্যতার ছাপ, স্টেপান্টসমিন্ডার পাহাড়ে প্রকৃতির রোমাঞ্চ এবং বাতুমির সমুদ্রকূলের প্রাণবন্ত জীবন মিলিয়ে জর্জিয়া অভিভূত করে। ভ্রমণের সময় বুঝতে পারা যায় ইতিহাস, ধর্ম, প্রকৃতি এবং আধুনিকতার সমন্বয় কীভাবে একটি দেশের সৌন্দর্যকে সম্পূর্ণ করে। প্রতিটি মুহূর্ত নতুন শিক্ষা দেয়। জর্জিয়া আসার জন্য যেমন আকর্ষণ তৈরি হয়, অনেক জায়গা ঘুরে দেখার পর এখানকার মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও সময় কাটানোর ইচ্ছে জন্মায়।

প্রতিটি পদক্ষেপে ইতিহাস, প্রকৃতি ও মানুষের সৌন্দর্য মিলিয়ে এই দেশটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দেয়। ক্রনিকল থেকে শুরু করে বাতুমি, আদজারা, স্টেপান্টসমিন্ডা এবং মৎসখেতা– সবই জর্জিয়ার ভিন্ন দিককে তুলে ধরে, যা ভ্রমণকারীর মনে গভীর ছাপ ফেলে।

প্রতিটি শহর, পাহাড় এবং সমুদ্রকূলের নিজস্ব গল্প আছে। এই দেশটি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপহার দেয় এবং স্মৃতি হয়ে থাকে জীবনের জন্য।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031