ধূমকেতু প্রতিবেদক,পুঠিয়া : রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে সারের জন্য ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে কৃষকরা। দীর্ঘ ১ ঘটনা মহাসড়ক অবরোধ পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উপস্থিতে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার হয়।
৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১ টার দিয়ে বানেশ্বর বাজারে সার ক্রয় করার জন্য কৃষিগণ তাদের চাহিদা মত সার না পেয়ে ঢাকা রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। বালেশ্বর বাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, পুঠিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় ১ ঘন্টা পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। বানেশ্বর বাজার ব্যবসায়িক সমিতির অফিসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তত্ত্বাবধানে কৃষকদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনা শেষে পুনরায় সার বিতরণ কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক হয়।
একাধিক কৃষকরা জানান, আমাদের চাহিদা মোতাবেক সার না পাওয়া আজকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের থেকে বেশি মূল্য দিলে অনেক সময় অনেক জায়গা থেকে স্যার পাওয়া যায়। অথচ আমরা ডিনার পর্যায়ে স্যার নেবার জন্য আসলে সেখান থেকে পাঁচ থেকে দশ কেজি করে সর্বোচ্চ সার দেওয়া হয় অথচ আমরা যারা ৫-৭ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি সামান্য সার দিয়ে আমাদের কিছুই হবে না। আমরা মনে করি কৃষি কর্মকর্তাদের বাজার মনিটরের ব্যবস্থা বৃদ্ধি করতে হবে এবং যারা বেশি দামে বাইরে সার বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে বলে মনে করি। কেউ অল্প জমিতে আবাদ করে ১ বস্তা সার চাই এই বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষকরা জানান, এই বিষয় টা সত্যি। অনেক কৃষক আছে যারা অল্প জমিতে আবাদ করে অতিরিক্ত সার নিয়ে গিয়ে মজুদ করছে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে অনেক কৃষক আমাদের উপজেলা থেকে সার সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী বলেন, বানেশ্বর বাজারে আজকে সার ক্রয় বিক্রয় নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। আমরা জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুঠিয়া থানা পুলিশ, বানেশ্বর বাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উপস্থিতিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং পরে কৃষকদের জমি এবং ফসলের উপর নির্ধারণ করে পুনরায় সার বিক্রি শুরু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান বলেন, সার ক্রয় বিক্রয় নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সাথে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়েছিলো। আমরা বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক বানেশ্বর বাজারে এসে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এবং মুহূর্তের মধ্যে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।



