ধূমকেতু প্রতিবেদক : দেশ নিয়ে কোন প্রকার নৈরাজ্য ও রাজশাহীকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবেনা। একটি রাজনৈতিক জোট দেশ নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করছে। তাদের সকল প্রকার ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার মত ক্ষমতা বিএনপির রয়েছে। কিন্তু বিএনপি সন্ত্রাসী কোন দল নয় এবং সন্ত্রাসকে প্রশ্চয় দেয়না বলে শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মহানগীর বাটার মোড়ে বিএনপি রাজশাহী জেলা শাখার আয়োজনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সমাবেশ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
তাঁরা আরো বলেন, আজকে একটি ঐতিহাসিক দিন। জাতিসঙ্গে একই পরিবারের তৃতীয় রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রেখেছেন। এটা গ্রিনিজ বুকে ঠাঁই পেয়েছে। এই ধরনের সফল নেতার নেতৃত্বে বিএনপি চলছে। বিএনপি কোন ভেসে আসা দল নয়। এটা রাজপথের দল। এই দল সকল প্রকার বাধা অতিক্রম করতে পারে। দীর্ঘ সতের বছরে পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির কিছুই করতে পারেনি। আর আগামীতে কেউ পারবেনা বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তাঁরা আরো বলেন, এই দেশবিরোধী রাজাকার দলের উস্কানীর ফাঁদে পা রাখার জন্য। কারণ এই জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছে। তারা চায়না দেশটাকে তারেক রহমান এগিয়ে নিয়ে যাক। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচী পালন করার জন্য সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে জল ঘোলা করা থেকে বিরত থাকার জন্য বিরোধীদের পরামর্শ দেন। কারন এটা বৈশ্যিক বিষয়। এটা শুধু বাংলাদেশের ইস্যু নয় বলে উল্লেখ করেন তারা।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বাঘা- চারঘাট আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ এর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, পুঠিয়া-দুর্গাপুর আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবা হাবিবা,
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, রুকুনুজ্জামান আলম, রায়হানুর আলম রায়হান, গোলাম মোস্তফা মামুন, ডিএম জিয়াউর রহমান, শেখ মকবুল হোসেন, সদর উদ্দিন, কামরুজ্জামান হেনা ও মিজানুর রহমান।
এছাড়াও পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুল হালিম, কুতুব উদ্দিন বাদশা, গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক রেজাউল করিম টুটুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল সরকার ডিকো, সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান স্বজন, যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম কুসুম, সদস্য ফরিদুল ইসলাম সাহেবজাদা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরফিন কনক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুল, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন সরকার টিটু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা হোসেন, জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম হীরোক, জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ নুরুল আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা মোঃ মাসুদ রানা, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামীম সরকার ও সদস্য সচিব আলামিনসহ জেলা বিএনপির অন্যান্য সদস্য এবং বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।



