ধূমকেতু প্রতিবেদক,সিরাজগঞ্জ : আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৩ জেলার ৭০ চরমপন্থিএকসময় সর্বহারা চরমপন্থিদের অবাধ বিচরণে আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছিল সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলা। চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও খুনের ঘটনা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক। সময়ের ব্যবধানে জেলাগুলো এখন অনেকটাই চরমপন্থিমুক্ত হয়েছে। দফায় দফায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন বিভিন্ন চরমপন্থি সংগঠনের সদস্যরা।এরই ধারাবাহিকতায় এবার ওই তিন জেলার আরও ৭০ জন চরমপন্থি আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২ এর প্রধান কার্যালয়ে তাদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এসআরবি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিস ফারজানা শারমীনের কাছে চরমপন্থি সর্বহারা দলের সদস্যরা আত্মসমর্পণ করবেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এসআরবির মহাপরিচালক আহসান হাবিব পলাশ।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তা, এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআরবি-১২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান মিয়া বলেন, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৭০ জন চরমপন্থি আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন।
আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর আগে, ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন চরমপন্থি দলের শীর্ষ নেতাসহ শতাধিক সদস্য। এরপর ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল পাবনায় পুলিশের কাছে ৫৯৬ জন চরমপন্থি সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।২০২৩ সালের ২১ মে সিরাজগঞ্জে তৎকালীন র্যাব-১২ কার্যালয়ে সাত জেলার আরও ৩২৩ জন চরমপন্থি আত্মসমর্পণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৭০ জন সর্বহারা চরমপন্থি আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে এসআরবি।



