IMG-LOGO

শনিবার, ২৯ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৩ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
‘আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়’শহীদ জিয়া শিশুপার্কের আধুনিকায়নে পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ডিজিরুয়েটে বজ্রপাত প্রতিরোধে তালগাছের চারা রোপণমহাদেবপুরে দিঘিতে গোসলে নেমে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু২৬ নং ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতার নতুন উদ্যোগ,নাঈমের ডাস্টবিন স্থাপনঅবৈধভাবে ধানী জমির মাটি কাটায় দুইজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ডরাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার ঐতিহ্য ফিরিয়েআনতে পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ডিজি‘খাদ্যগুদামে নয়ছয় হলে ছাড় নয়, সিন্ডিকেটও রেহাই পাবে না’সৌদির আগুনে নিহত বাগমারার শ্যামলের দাফন সম্পন্ন, স্বজনদের আহাজারিনেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা: চীনের উদ্ধারকাজ স্থগিতনিয়ামতপুরে ধান বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে কৃষকচাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে ৫ কিশোরীর মৃত্যুপুঠিয়ায় সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডদেশ ও জাতির কল্যাণে তোমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে : এমপি মোশারফ হোসেনবাগমারায় সংরক্ষিত নারী এমপির ডিও লেটার প্রত্যাখ্যান করে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন
Home >> লাইফস্টাইল >> শিশুদের খাবার

শিশুদের খাবার

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : আমরা সোনামণিদের খাওয়া দাবার নিয়ে অনেক সময়েই চিন্তিত থাকি। কোন খাবারগুলো খাওয়াবো আর কোন খাবারগুলো খাওয়াবো না। শিশুদের খাবারের বিষয়ে আমাদের অবশ্যই পুষ্ঠিগুণ বিচার করে খাদ্য তালিকা তৈরি করা উচিত। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক শিশুদের মেনুগুলো কী কী হওয়া উচিত-

নাস্তার মেনু:

যে কোনো একটি ফল। আঙ্গুল-আপেল হতে হবে এমন কোনো কথা নই। কারণ আমাদের দেশীয় ফলেও কম গুণ নয়। দেশীয় ফল সস্তা ফলে কম গুণ দিয়েছে আর দামী ফলে বেশি গুণ দিয়েছে, মোটেও তা নয়। কেউ যদি ফল খেতে না পারে তবে ফলের রস খাওয়া যায়। তবে আস্ত ফলে যে আঁশ থাকে তা খুব উপকারী।
ময়দা খাও চলবে না, আটার রুটি ও তার সাথে এক বা একাদিক সবজির ভাজি।
সেদ্ধ ডিম, মাঝে মাঝে স্বাদ বদলের জন্য ডিম ভাজা খাওয়া যায়, তবে তেল কম দিয়ে ভাজতে হবে। সাথে মাশরুম কুচি দেওয়া যায়।
খুব কম তেলে ভাত ভাজা। সাথে সালাদ হিসেবে শসা, গাজর ও টরেটো।
শসা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, মরিচ ও ধনেপাতার সঙ্গে সমপরিমাণ ভেজা চিড়া মিশিয়ে ভর্তা।
অঙ্কুরিত মুগের ঘুগনি। একইভাবে ছোলা ও মটরশুঁটির ঘুগনিও বানানো যায়। যবের ছাতু বা ওটস গরম দুধে ভিজিয়ে খাওয়া যায়।
আটার রুটি ও হালুয়া। হালুয়ায় গুড়ের সঙ্গে সুজি, সাগু ও গাজর দেওয়া যেতে পারে।
সাগুর সাথে ডাল মিশিয়ে খিচুড়ি বানানো যায়।
ঝাল বা মিষ্টি পিঠা, তবে চিনি নয়, গুড়ের মিষ্টি দেওয়া ভালো।
টক দই। মিষ্টি করতে হলে সাথে গুড় বা মধু মেশানো যেতে পারে।
স্মরণশক্তি বাড়ার জন্য সকালে থানকুনির রস ৪ টেবিল চামচ ও মধু খাওয়া ভালো।

স্কুলের টিফিন:

শসা, গাজর ও কাঁচা পেঁপে।
দেশি ফল, যেমন-আমলকি, পেয়ারা, আমড়া, জামবুরা, বাংগি, তরমুজ ও কলা।
ছোলা, মটর ও অংকুরিত মুগের ঘুগনি।
ভুট্টা সেদ্ধ।
রুটি-সবজি ভাজি বা ভাত ভাজা।
সবজির পাকুড়া, ঝাল বা মিষ্টি পিঠা, মমো (ভাঁপে তৈরী সবজি বা মাংসের পুর দেওয়া পিঠা)।
মাশরুমের পাকুড়া।
চিড়ার পোলাও।

স্কুল থেকে ফেরার পরে নাস্তা:

পুদিনাসেদ্ধ পানি বা পুদিনাপাতার চা, ফল, স্পিরিলুনা।
কাঁচা পাতার রস বা সবজির-যেমন গাজরের-রস।
টক ফল যেমন- আমড়া, জামবুরা, আনারস, কাঁচা আম, কামরাঙ্গা, জলপাই, জাম ও চালতা।
তেঁতুল ও আখের গুড়ের শরবত। কাঁচা আমের শরবত।
লেবু পানি।
টক দই ও মধু দিয়ে লাচ্ছি।
এ্যালো ভেরা বা ঘৃতকুমারীর সরবত।

দুপুরের খাবার

রান্নায় তেল যতোদূর সম্ভব কম ব্যবহার করা উচিত। পরিমিত পরিমাণে জলপাইয়ের তেল হলে ভালো হয়।
বেশি পরিমাণে কোনো না কোনো শাক।
দু’তিন রকমের সবজির নিরামিষ বা ভর্তা। থানকুনি পাতার ভর্তা পেটের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
শসা, টমেটো, কাঁচা পেপে, পেঁয়াজ, মরিচ, ধনেপাতা, লেটুস ইত্যাদির সালাদ ও লেবু।
মাছ বা মাংসের তরকারি, কিন্তু কোনোটাই দুই টুকরোর বেশি নয়।
ডাল। বিভিন্ন রকমের ডাল মিশিয়ে কিংবা একেকটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খাওয়া ভালো। ডালের সঙ্গে টক ফল ও সবজির টুকরোও মেশানো যায়।
টক দই, সাথে চারগুণ পানি মিশিয়ে। সেই সাথে গুড় দেওয়া যেতে পারে।

বিকেলের নাস্তা:

মেমো, ঘুগনি, চিড়া, মুড়ি, পিঠা, গুড়ের পায়েস ও আলুর দম।
চালের গুঁড়োর তৈরি চাপটি।
মুগের অঙ্কুর পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে মাখা।
দই-চিড়া।
শুকনো ফল, যেমন- খেজুর, বাদাম, কিসমিস, শিম বিচি ও মিষ্টি কুমড়ার বিচি।
যবের ছাতু বা ওটস গরম পানিতে ভিজিয়ে সবজির সাথে বা গরম দুধে ভিজিয়ে পরিজ বানিয়ে খাওয় যায়।
মাশরুমের সুপ।

রাতের খাবার:

নানা ধরনের সবজির নিরামিষ, তেল ছাড়া কিংবা জলপাইয়ের তেল দিয়ে। কোনো শাক নয়।
নরম ভাত, জাউ, আটার রুটি কিংবা যব।
মাছ-মাংস খুব অল্প পরিমাণে।
রাতে যে কোনো গুরুপাক খাবার না খাওয়াই ভালো। কিছু সবজি যেমন ফুলকপি, মিষ্টি কুমড়ো ইত্যাদি সবজি দুপুরে খাওয়াই ভালো।
দুধ, ছানা, পনির ও গুড় মেশানো টক দইয়ের সরবত।
শোয়ার আগে খিদে পেলে গম কিংবা যবের তৈরি ডাইজেস্টিভ জাতীয় বিস্কুট ময়দায় তৈরি নয়।
সবজির সঙ্গে মাশরুম দিয়ে ‍সুপ অথবা নিরামিষ তৈরি করা যায়।

লেখক : স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ সংস্থা হীল’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বাংলাদেশ বিমান এর প্রাক্তন পার্সার।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ