IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সাক্ষাৎআজ সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলচার সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১রায়গঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণমান্দায় গেটকা প্রকল্পের যুব সদস্যদের মাঝে সবজি চাষের উপকরণ বিতরণরায়গঞ্জে দিন দিন বাড়ছে পটলসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষসিরাজগঞ্জ জেলা স্কাউটস এর প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল আজিজ মিয়ার ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকীবদলগাছী প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক‘ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন ভাষা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের অবমাননা’মান্দায় নাগরিকের গোপন তথ্য বিক্রির অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তারস্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাদেশে ফিরে যা বললেন অভিনেত্রী বাঁধনমহাদেবপুরে ভুল চিকিৎসায় নারীর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল সীলগালাডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী আবু তৈয়বএকটি কিনলে একটি ফ্রি’ প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, বাগমারার সেই আঁখি সাড়ে চার বছর পর গ্রেপ্তার
Home >> অর্থনীতি >> চালের মজুদ গড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা

চালের মজুদ গড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা

ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : দিনাজপুর জেলায় এবার বোরোর বাম্পার ফলন হলেও এখানকার চালের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর কারণ মিল মালিক, মজুদদার ও ব্যবসায়ীদের চালবাজি।খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেও অনেক মিল মালিক শর্ত অনুযায়ী চাল সরবরাহ করেননি। উল্টো তারা ধান কিনে মজুদ করে রেখেছেন।

এখন সেই মজুদ দিয়েই তারা চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। সরকার চালের মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও তাদের কারণে বাজারে অস্থিরতা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে মজুদদার ও মিল মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে খাদ্য বিভাগ ও প্রশাসন।

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, বাম্পার ফলন হওয়ায় এ বছর সরকারি খাদ্য বিভাগ ১ লাখ ৪ হাজার ৮১৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। কিন্তু সংগৃহীত হয় মাত্র ৭৫ হাজার ৮০৫ মেট্রিক টন। আর ৩২ হাজার ৭২ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও সংগৃহীত হয় মাত্র ৯ হাজার ১৫৩ মেট্রিক টন।

চুক্তি অনুযায়ী মিল মালিকরা চাল না দেয়ায় খাদ্য বিভাগের চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। আর লটারিতে নাম উঠেও কৃষকরা ধান না দেয়ায় সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।সরকারি খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেও দিনাজপুরের প্রায় অর্ধেক মিল মালিক চুক্তি ভঙ্গ করেছে। ফলে সফল হয়নি সরকারি খাদ্য সংগ্রহ অভিযান।

দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশ্রাফুজ্জামান জানান, চাল সরবরাহের জন্য জেলার ২ হাজার ১৮১ জন মিল মালিক খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করে। কিন্তু সরবরাহ করেছে ১ হাজার ২৭৯ জন।বাকি ৮৪৮ জন মিল মালিক চুক্তি অনুযায়ী চাল সরবরাহ করেনি। চুক্তি ভঙ্গকারী এসব মিল মালিকের মধ্যে ১৫৭ জন আংশিক চাল সরবরাহ করেছে, আর ৬৯১ জন এক ছটাকও দেয়নি।

জানা যায়, একশ্রেণির মিল মালিক খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েও সরকারকে চাল না দিয়ে উল্টো তারা বাজার থেকে ধান কিনে মজুদ করেছেন। এখন সেই ধান দিয়ে তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন।মুনাফালোভী এসব মিল মালিক ও মজুদদারদের কারণেই বাম্পার ফলন সত্ত্বেও চালের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

অবৈধভাবে ধান ও চাল মজুদ রাখায় বৃহস্পতিবার বিকালে র‌্যাবের সহযোগিতায় প্রশাসন সদর উপজেলার রুবেল অটো রাইস মিলে এবং উলিপুর এলাকায় মেসার্স সাহা অটো রাইস মিলে অভিযান চালায়।এই দুটি মিলে ৩ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন ধানের মজুদ পায় অভিযানকারী দল। অবৈধভাবে ধান ও চাল মজুদ রাখায় রুবেল অটো রাইস মিলের মালিককে ৭০ হাজার টাকা এবং সাহা অটো রাইস মিলের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, এই দুই মিলের মালিক বোরো সংগ্রহ অভিযানে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েও এক ছটাক চালও সরবরাহ করেনি। অথচ তাদের মিলে প্রায় ৫ মাস ধরে বিপুল পরিমাণ ধান ও চাল মজুদ আছে।

খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশ্রাফুজ্জামান জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো মিল মালিক বাজার থেকে ধান ক্রয়ের ৩০ দিনের বেশি এবং চাল তৈরির ১৫ দিনের বেশি মজুদ রাখতে পারবে না।এই নিয়ম ভঙ্গ করে যারা ধান ও চাল মজুদ রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চালের বাজারের অস্থিরতা কমাতে ব্যবসায়ী ও চালকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে ভালো মানের মিনিকেট চাল প্রতি কেজি সাড়ে ৫১ টাকা এবং আটাশ জাতের মোটা চাল প্রতি কেজি ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এরপরও দিনাজপুরে বেড়েই চলেছে চালের দাম।শুক্রবার বাহাদুরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, ভালো মানের মিনিকেট চাল ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা এবং আটাশ জাতের চাল ৫০ থেকে ৫১ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল বিক্রেতারা জানান, সরকার মিলগেটে মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও মিল মালিকরা বেশি দামে চাল বিক্রি করছে। এজন্য তাদের বেশি দামে চাল কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও এক মাস ধরে প্রতি সপ্তাহে চালের দাম বাড়িয়ে চলছে মিল মালিকরা। এ কারণেই বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

এই অভিযোগ সম্পর্কে জেলা চালকল মালিক সমিতির নেতা সহিদুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, আড়তদাররা যে দামে মিল থেকে চাল কিনছে, তার ভাউচার চেক করা হোক।তাহলেই প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাবে, মিলাররা কি দামে চাল বিক্রি করছে এবং কারা দাম বাড়িয়েছে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031