IMG-LOGO

শনিবার, ২৪ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে মাইকিং, মান্দায় দুইজন আটকবেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলালালইচ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবার্ষিকী উদযাপনফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলনমান্দায় মাদক, দেশীয় অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তারতারাগঞ্জে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঋণ দেয়ার নামে নারীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগসড়ক দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ত্ব জীবনে চারঘাটের তফেজ পেটের দায়ে ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলে তার সংসার‘সৌদির বিভিন্ন কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি আছেন’চারঘাটে বিকল্প ফসল চাষে বদলে যাচ্ছেকৃষি, বাড়ছে আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগধামইরহাটে প্রতিপক্ষের শত্রুতার বিষে পুড়লো ৭ কৃষকের ১০ বিঘা জমির ধানরাণীনগরে রাইডোর দুই বছর পূর্তি ও উন্মুক্ত দাবা প্রতিযোগিতাচাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসচিবভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন শনিবারসৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে হামলার দাবিআরব বিমানবন্দরে হামলায় ২ প্রবাসী বাংলাদেশি আহতরাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনুর সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
Home >> টপ নিউজ >> কৃষি >> দুর্গাপুরে ‘ঢলন’ প্রথায় ঠকছে কৃষক

দুর্গাপুরে ‘ঢলন’ প্রথায় ঠকছে কৃষক

ধূমকেতু প্রতিবেদক,ফরিদ আহমেদ আবির, দুর্গাপুর : রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ‘ঢলন’ প্রথার নামে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সবজি ও কৃষিপণ্য নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সিঙ্গাহাট ও কানপাড়া হাটে আলু, বেগুন, পটল,ফুলকপি, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রির সময় প্রতি মণে অতিরিক্ত পণ্য নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকেরা।

সরেজমিনে উপজেলার সিঙ্গাহাট ও কানপাড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, হাটে কৃষকদের কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্য কেনার সময় নির্ধারিত ওজনের অতিরিক্ত পণ্য ‘ঢলন’ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে প্রতি মণে প্রায় দুই কেজি পর্যন্ত অতিরিক্ত পণ্য নেওয়া হয়। এর পাশাপাশি পণ্যের বস্তার ওজনও বাদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সিঙ্গাহাটে পটল বিক্রি করতে আসা কৃষক আক্কাস আলী বলেন, “বুধবার সকালে হাটে পটল বিক্রি করতে আসি। পটলের ওজন নেওয়ার পরও ব্যবসায়ী বস্তার ওজন হিসেবে আরও ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম বাদ দিতে চান। আমি এতে রাজি না হলে জোর করে পটল খামালে ঢেলে নেওয়া হয়। আমরা সাধারণ কৃষকরা সবজি ব্যবসায়ীদের কাছে অনেকটা জিম্মি।”

কানপাড়া হাটের পেঁয়াজ বিক্রেতা ইউনুস আলী বলেন, “জমি থেকে পেঁয়াজ তোলার পর কাঁচা বা ভেজা অবস্থায় হাটে আনলে প্রতি মণে দুই থেকে আড়াই কেজি ঢলন দেওয়া হতো। এখন পেঁয়াজ শুকিয়ে গেছে। এরপরও প্রতি মণে দুই কেজি করে ঢলন দিতে হচ্ছে। বিষয়টি হাট কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত।”

তবে হাটে সবজি ও মসলা ব্যবসায়ীদের দাবি, এটি দীর্ঘদিনের স্থানীয় হাটের প্রচলিত নিয়ম। তারা বলেন, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের সময় কিছুটা ঘাটতি হয়। সেই ঘাটতি পোষাতেই ঢলন নেওয়া হয়। একেক হাটে একেক ধরনের নিয়ম থাকলেও তাদের হাটে প্রতি মণে দুই কেজি ঢলন নেওয়া হয় বলে জানান তারা।

রাজশাহী বারের আইনজীবী আকমল হোসেন বলেন, “ঢলন বা ঢলতা” নামে হাট-বাজারে অতিরিক্ত পণ্য নেওয়ার প্রচলন রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অনেক সময় ফসল কাঁচা, ভেজা কিংবা পরিবহনের সময় পচে যাওয়ার অজুহাতে মণপ্রতি অতিরিক্ত পণ্য নিয়ে থাকেন। তবে কৃষকদের কাছ থেকে এভাবে অতিরিক্ত পণ্য নেওয়ার আইনগত ভিত্তি ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সিঙ্গাহাটের ইজারাদার বল্টু বলেন, “প্রায় সব সবজিই ৪২ কেজিতে মণ হিসেবে কৃষকদের কাছ থেকে কেনেন বেপারিরা। তবে দাম দেওয়া হয় ৪০ কেজির।”

অন্যদিকে কানপাড়া হাটের ইজারাদার জীবন বলেন, “কানপাড়া বাজারে কৃষকদের কাছ থেকে কোনো পণ্য কেনার আগে ঢলনের বিষয়টি জানানো হয়। তারা সম্মত হলেই ৪২ কেজিতে মণ নেওয়া হয়। তবে সব ধরনের সবজিতে এমনটি করা হয় না।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী বলেন, “কৃষকদের কষ্টে অর্জিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হোক, এটা আমরা চাই। ঢলন প্রথার নামে কৃষকরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপারী ও কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিব ফারজানা বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনার কাছ থেকে অবগত হলাম। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930