ধূমকেতু প্রতিবেদক : রাজশাহী বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী মহানগরী। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিবেশ বান্ধব গ্রীনসিটি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। আগামী ২১ জুন ২০২৩ তারিখে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০২৩ অনুষ্টিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে র্যাব বদ্ধপরিকর। আগামীকাল ভোর ৬টা থেকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অন্যান্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব এর অফিসার, ডিএডিসহ মোট ৩০০ জন র্যাব সদস্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা এবং বোমা নিস্ক্রিয়কারী হিসেবে নির্বাচনে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত থাকবে।
র্যাব-৫ এর ১৫টি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং পেট্রোল, স্ট্রাইকিং ফোর্স কমান্ডারসহ ১০টি জীপ, ২টি স্ট্রাইকিং ফোর্স রিজার্ভ টিম, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা দল, সুপার মোবাইল মোটরসাইকেল টিম এবং এ্যাম্বুলেন্স নির্বাচনের দিন আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত থাকবে। যেকোন উদ্বুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য র্যাব-৫ এর বোম ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত রয়েছে। র্যাব সদর দপ্তরে র্যাবের স্পেশাল ফোর্স হেলিকাপ্টারসহ যেকোন পরিস্থিতিতে মোতায়েন এর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও সার্বিক পরিস্থিতি তদারকির জন্য নির্বাচন সেল এবং কন্টোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
নির্বাচন পূর্ববর্তী ১০ জুন হতে ১৫ জুন ২০২৩ পর্যন্ত প্রতিদিন ২৪/৭ পেট্রোলিং এর পাশাপাশি সন্ধ্যা থেকে রাত্রী পর্যন্ত সকল আইন-শৃংখলা বাহিনীর সাথে যৌথবাহিনীর অংশ হিসেবে ডমিনেশন পেট্রোল পরিচালনা করেছে। ১৬ জুন সকাল থেকে ১৮ জুন রাত পর্যন্ত রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা এবং শহরে ঢোকা ও বাহির হওয়ার পয়েন্টে চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯ জুন ভোর ০৬০০ ঘটিকা হতে নির্বাচন পরবর্তী ২২ জুন ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত র্যাবের সকল কার্যক্রম বলবৎ থাকবে।
নির্বাচনে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে অথবা সহিংসতা বা নাশকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে র্যাব কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ কারী অথবা সিটি কর্পোরেশন এলাকার ভোটার নন এরকম নাগরিকদের নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ অথবা ভোটের দিন নির্বাচন কমিশনের বিধি নিষেধ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষে অনুপ্রবেশকারী কোন ব্যক্তিদের অপতৎপরতা আইন-শৃংখলা বাহিনী কঠোর ভাবে দমন করবে।
অবৈধ অস্ত্রের ব্যাপারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রয়েছে এবং আমরা ইতি মধ্যে বেশ কিছু অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছি। নির্বাচন কমিশনের বিধি নিষেধ অনুযায়ী নির্বাচন চলাকালে সকল নাগরিক’কে কোন প্রকার লাইসেন্স ধারী অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন না করার জন্য কঠোর ভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
নির্বাচন চলাকালীন সময়ে প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ এনআইডি কার্ড বহন এবং জেলা প্রশাসন এর নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমোদিত যানবাহন ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
নির্বাচনী বিধিনিষেধ পরিপন্থি কোন কার্যক্রম ঘটলে আপনারা রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেট কোন সহযোগিতা চাইলে র্যাব দ্রুততম সময়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব ফোর্সেস বন্ধপরিকর।


