IMG-LOGO

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৪ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
রাণীনগরে এক কেজি গাঁজা ও ১১৩পিস ট্যাপেন্টাডল বড়ি উদ্ধারতানোরে গৃহবধূর রহস্যজনক ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারসিংড়ায় অবৈধভাবে সরকারি সার বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদন্ডরাণীনগরে ভ্রাম্যমান আদালতে ২মাদক সেবির কারাদন্ড১১ হাজার ৪৯৫ জন ডাক্তার নিয়োগ দেবে সরকার, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু, আহত ২বাঘায় গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত ১, আহত ১অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলিগত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যুচিত্রনায়িকা পরীমনির কোলে ফুটফুটে শিশুরাণীনগরে ৩য় শ্রেনীর শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটকপুঠিয়ায় সারের জন্য মহাসড়ক অবরোধযুক্তরাষ্ট্রে অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫, আহত ৫বাগমারায় পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ‘এক উপজেলার সব ইউপির ভোট একসঙ্গে’
Home >> রাজশাহী >> বিশেষ নিউজ >> চারঘাটের পদ্মায় বাড়ছে পানি, আতঙ্কিত পাড়ের মানুষ

চারঘাটের পদ্মায় বাড়ছে পানি, আতঙ্কিত পাড়ের মানুষ

ধূমকেতু প্রতিবেদক, চারঘাট : রাজশাহীর চারঘাটে পদ্মায় বাড়ছে পানি, আতঙ্ক দেখা দিয়েছে নদীর তীরবর্তী গ্রামবাসীর মাঝে। গত কয়েকদিন ধরে উজান থেকে নেমে আসা পানি ও অসময়ের অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারনে পদ্মা নদীর পানি ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এতে উপজেলার পদ্মানদীর তীরবর্তী এলাকা গোপালপুর, পিরোজপুর, রাওথা, চন্দনশহর, ইউসুফপুর, টাঙ্গন এলাকার মানুষের দিন কাটছে ভয় আর আতঙ্কের মধ্যে। বছরের পর বছর ভাঙ্গনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে টাঙ্গন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাওথা এলাকার একটি মসজিদসহ নদীতীরে বসবাসকারী অসংখ্য ঘরবাড়ি। তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সরজমিনে গিয়ে তীরবর্তী গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, বছরের পর বছর ধরে পদ্মার ভয়াল থাবায় ভাঙ্গনের কবলে পড়ে অনেকেই হারিয়েছেন ভিটেমাটিসহ ফসলী জমি। এতে করে সদর ইউনিয়নের রাওথা ও ইউসুফপুর ইউনিয়নের বেশীর ভাগ এলাকা আজ নদীর গর্ভে বিলিন। তার পরেও মানুষ প্রতি বছরই বাড়ী ঘরে ভেঙ্গে নিরাপদ স্থানে সরে আসলেও প্রতি বছর থাকে ভাঙ্গন আতঙ্ক। ভঅঙ্গন দেখা দিলে জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের লোকজন বার বার প্রতিশ্রুতি দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়না। এতে করে চরম আতঙ্ক আর বয় নিয়ে দিন পার করতে হয় এসব নদীর তীরে বসবাসকারীদের।

রাওথা এলাকার ইউপি সদস্য তজলুল হক জানান, প্রতি বছরই নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে নদীর তীরবতী এলাকায় অনেক মানুষ আজ বাড়িঘর সহায় সম্বল এমনকি ভিটে মাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। সর্বনাশা পদ্মার করাল গ্রাসে ভিটে মাটি হারিয়ে অনেকে হচ্ছেন গৃহহীন ও ভুমিহীন। তবে বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে রাওথা এলাকাকে বাচাতে নদীর বাধ নির্মাণে ব্লক তৈরীর কাজ শুরু করেছে। দ্রুত ব্লক তৈরীর কাজ শেষ করে এখনই বাধ নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে পানি বৃদ্ধির ফলে দেখা দিতে পারে ভয়াবহ ভাঙ্গন। আর এই ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা না গেলে রাওথা এলাকাসহ বিলিন হতে পারে আশে পাশের আরো কয়েকটি গ্রাম।

রাওথা চাটাইপাড়ার এলাকার নদীতীরবর্তী বাসিন্দা ফকির মোহাম্মদ (৭০), মুনছার আলী (৬০), মনোয়ারা বেগমসহ একাধিক ব্যাক্তি বলেন, আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি, কখন জানি নদীর পানির জোয়ারে কাচাঁবাধ ভেঙ্গে চাটাইপাড়া জামে মসজিদ ও আমাদের বাড়ীঘর নদী গর্ভে চলে যায়। বৃষ্টি ও উজানের পানিতে ইতিমধ্যে নদীর পাড় ভাঙতে শুরু করেছে।

জানা যায়, চারঘাট সীমানায় পদ্মার প্রায় ২০ কি:মি: দীর্ঘ তীরবর্তী এলাকা রয়েছে যার অধিকাংশ তীরবর্তী জায়গায় মানুষ বসবাস করে। এই তীরবর্তী এলাকার প্রায় ৮ কি:মি: নদীতীরবর্তী এলাকা বøক দিয়ে পাঁকা বাধ দেয়া আছে এবং বাকি তীরবর্তী এলাকা অরক্ষিত বা কাঁচাবাধ। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম এলে বাধে ভাঙ্গন ধরলে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোডের সহায়তায় বালু ভর্তি জিওবি ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে কাচাঁ বাধ রক্ষার জন্য চেষ্টা করা হয়।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী গোলাম মোতুজা বলেন, চারঘাট ও বাঘা উপজেলার নদী তীরবর্তী মানুষের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষার্থে ৭শত ২২ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় বাঘা উপজেলার ১২ কি:মি: নদী ড্রেজিং এবং চারঘাট ও বাঘা উপজেলার ৫ হাজার ১শত মিটিার বøক দিয়ে পাকা বাধ তৈরি হবে। এর মধ্যে চারঘাট উপজেলার রাওথা ও টাঙ্গনে ১ হাজার ৫শত মিটার পাকা বাধ দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে বøক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে এবং বর্ষা মৌসুম শেষে বাঁধের কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা করেন।

নদীর বাধ নির্মাণ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা সামিরা বলেন, চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে টাঙ্গন ও রাওথা এলাকাকে রক্ষা করতে ইতিমধ্যে বøক তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে। ব্লক তৈরীর কাজ শেষ হলে দ্রæত সময়ের মধ্যেই বাধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান। তবে বর্তমানে ভাঙ্গন প্রতিরোধে সাময়িকভাবে জিওবি ব্যাগ ফেলে ফাটল বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031