IMG-LOGO

শুক্রবার, ২১ই আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
রায়গঞ্জের গ্রামপাঙ্গাসী কাঁচা সড়কটি পাকা চান এলাকাবাসীতানোরে সার সঙ্কটে দিশেহারা আমন চাষিরা,বাড়তি দামে অহরহরাতারাতি ব্রণ কমাতে যা করলেন অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডেমির্জা ফখরুল আলমগীরকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দনচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ১৬০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার‘ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও চাপ কোনো সমাধান নয়’ফুলবাড়ীতে বিএনপির ৪২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনকুষ্টিয়ায় বাসর রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যুচাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জের আমবাগান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধারজিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধাসাবেক ছাত্রদল নেতা রায়হানের উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দোয়া মাহফিলরাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের অভিনন্দনচাঁপাইনবাবগঞ্জে ২কেজি ৩২০ গ্রাম হেরোইনসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ২বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীরাণীনগরে আহত শিশুর চিকিৎসায় উপজেলা বিএনপির আর্থিক সহায়তা
Home >> টপ নিউজ >> রাজশাহী >> তানোরে সার সঙ্কটে দিশেহারা আমন চাষিরা,বাড়তি দামে অহরহ

তানোরে সার সঙ্কটে দিশেহারা আমন চাষিরা,বাড়তি দামে অহরহ

ধূমকেতু প্রতিবেদক,তানোর : রাজশাহীর তানোরে রোপা আমনের ভরা মৌসুমে তীব্র সার সঙ্কটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষীরা। পর্যাপ্ত সার থাকলেও সরকারের মূল্যে কোথাও মিলছেনা সার। প্রায় জমিতে সারের প্রয়োজন। বিশেষ করে ডিএপি সার না পেয়ে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়ছেন চাষীরা।

আবার কৃষি দপ্তর সাব জানিয়ে দিচ্ছে সারের কোন সঙ্কট নেই। কৃষকরা মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারনে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করেছেন ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। ফলে ডিলার ও খুচরা দোকানে অভিযান পরিচালনার জোর দাবি তুলেছেন কৃষকরা। কারন ন্যায্য দামে সার না পেলেও বাড়তি দাম দিলেই মিলছে সারের চাহিদা।

কৃষক কিতাব জানান, গত কয়েকদিন ধরে ডিএপি সার নেয়ার জন্য এদোকান ওই দোকান ঘুরেও মিলছে না। শুধু আমি না প্রায় কৃষকরা দোকানে দোকানে ঘুরেও চাহিদা মত ডিএপি সার পাচ্ছেনা। সার ব্যবসায়ীরা সাব জানি দিচ্ছে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এজন্য দোকানে সার নেই, দিব কিভাবে। তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবারে সরকারি মূল্যে আমশো মোড়ে সার দিয়েছে। সেখানে কৃষকরা লাইনে দাঁড়িয়ে সার নিয়েছেন। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সামান্য পরিমানে সার মিলছে।

কৃষকরা জানান, রোপা আমন রোপনের সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সারের সঙ্কট। এটা সার ব্যবসায়ীদের এক প্রকার মহা সিন্ডিকেট। কারন তারা নাকি চাহিদামত বরাদ্দ পায়না। আর যে পরিমান বরাদ্দ পায় সেটা দিয়ে কোন ভাবেই চাহিদা মিটবেনা। এজন্য তারা আশপাশের জেলা উপজেলা থেকে বাড়তি দামে চোরাপথে সার নিয়ে আসেন। যার কারনে ১০৫০ টাকার ডিএপি সার ১৬০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকায় বিক্রি করছে।

আবার অনেক বালাইনাশক ব্যবসায়ী তার চেয়েও বাড়তি দাম নিচ্ছে। এসব নিয়ে কৃষি বিভাগের কোন মাথা ব্যথা নেই। তাদের সাব কথা কৃষকরা না বুঝে অতিরিক্ত সার ব্যবহার করে থাকেন। তারা অতিরিক্ত সার ব্যবহার করলে তো সরকার অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয় না। নিয়ম অনুযায়ী সার বরাদ্দ হয়। নিয়মের বাহিরে কৃষকরা সার ব্যবহার করলেও অতিরিক্ত বরাদ্দ নেই।

কৃষকদের ভাষ্য, কৃষি অফিসের পরামর্শে বা তাদের কথামত জমিতে সার প্রয়োগ করলে কাঙ্খিত ফলন আসবে না। যখনই সারের সঙ্কট দেখা দিবে তখনই কৃষি দপ্তর এমন খোড়া অজুহাত তুলে দায় সারবে। আদি কাল থেকেই কৃষি দপ্তর এমন অজুহাত দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে।

উপজেলায় কি পরিমাণ চাষাবাদ হয় তা অজানা না। রোপা আমন চাষাবাদে কি পরিমাণ ডিএপি, এমওপি ও ইউরিয়া সারের প্রয়োজন সেটাতো তাদের অজানা না। কৃষকরা যে পরিমান সার ব্যবহার করে তারা সে পরিমান বরাদ্দের জন্য চাহিদা দিবে। কিছু দিন আগে সার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন স্থানীয় এমপি। তিনি ব্যবসায়ীদের সাব জানিয়ে দিলেন কোনভাবেই বাড়তি দাম নেয়া যাবেনা।

প্রয়োজনে বরাদ্দ বাড়ানোর দরকার হলে সেটা করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। সবাই আশ্বাস দেয় কিন্তু কৃষকের কথা কেউ ভাবেনা। এখন রোপা আমনের জমিতে বিঘায় ১০ কেজি করে ডিএপি, ১০ কেজি করে পটাশ ও ইউরিয়া সার দিতেই হবে। এখন সার দিতে না পারলে ফলনে বিপর্যয় দেখা দিবে। আর কৃষি অফিস বলছে এখন যত সামান্য ইউরিয়া সার দিলেই হয়ে যাবে। অন্য সার দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই।

কামারগাঁ ইউপির বিসিআইসির সার ডিলার বিকাশ ও বিএডিসি ডিলার জুয়েলের বিরুদ্ধে বাড়তি দামে সার বিক্রির বিষয়টি অবহিত করেন। কিন্তু কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

সুত্র মতে, উপজেলায় সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভায় নয়জন বিসিআইসির সার ডিলার রয়েছে। এছাড়াও উপজেলা জুড়ে বিএডিসির সার ডিলার রয়েছে ২১ জম। তারা প্রতি মাসে সরকারি ভাবে ভর্তুকির সার বরাদ্দ পেয়ে থাকেন। কিন্তু ভর্তুকির সার কৃষকের কপালে জুটেনা। আবার অনেক বিসিআইসির ডিলার সার উত্তোলন না করে নানা অজুহাতে মোকামেই বাড়তি দামে বিক্রি করে দেন।

সার মনিটরিং অবস্থা নাজেহাল। সঠিক ভাবে মনিটরিং না থাকার কারনে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত কৃষকের পকেট কাটছে। সারের বাড়তি দামের কারনে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। একারনে প্রতি আবাদে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষীদের।
ডিলারেকৃষকদের ভাষ্য, কৃষি অফিসের পরামর্শে বা তাদের কথামত জমিতে সার প্রয়োগ করলে কাঙ্খিত ফলন আসবে না। যখনই সারের সঙ্কট দেখা দিবে তখনই কৃষি দপ্তর এমন খোড়া অজুহাত তুলে দায় সারবে।

আদি কাল থেকেই কৃষি দপ্তর এমন অজুহাত দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। উপজেলায় কি পরিমাণ চাষাবাদ হয় তা অজানা না। রোপা আমন চাষাবাদে কি পরিমাণ ডিএপি, এমওপি ও ইউরিয়া সারের প্রয়োজন সেটাতো তাদের অজানা না। কৃষকরা যে পরিমান সার ব্যবহার করে তারা সে পরিমান বরাদ্দের জন্য চাহিদা দিবে। কিছু দিন আগে সার ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন স্থানীয় এমপি। তিনি ব্যবসায়ীদের সাব জানিয়ে দিলেন কোনভাবেই বাড়তি দাম নেয়া যাবেনা।

প্রয়োজনে বরাদ্দ বাড়ানোর দরকার হলে সেটা করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে। সবাই আশ্বাস দেয় কিন্তু কৃষকের কথা কেউ ভাবেনা। এখন রোপা আমনের জমিতে বিঘায় ১০ কেজি করে ডিএপি, ১০ কেজি করে পটাশ ও ইউরিয়া সার দিতেই হবে। এখন সার দিতে না পারলে ফলনে বিপর্যয় দেখা দিবে। আর কৃষি অফিস বলছে এখন যত সামান্য ইউরিয়া সার দিলেই হয়ে যাবে। অন্য সার দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই।

কামারগাঁ ইউপির বিসিআইসির সার ডিলার বিকাশ ও বিএডিসি ডিলার জুয়েলের বিরুদ্ধে বাড়তি দামে সার বিক্রির বিষয়টি অবহিত করেন। কিন্তু কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

সুত্র মতে, উপজেলায় সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভায় নয়জন বিসিআইসির সার ডিলার রয়েছে। এছাড়াও উপজেলা জুড়ে বিএডিসির সার ডিলার রয়েছে ২১ জম। তারা প্রতি মাসে সরকারি ভাবে ভর্তুকির সার বরাদ্দ পেয়ে থাকেন। কিন্তু ভর্তুকির সার কৃষকের কপালে জুটেনা। আবার অনেক বিসিআইসির ডিলার সার উত্তোলন না করে নানা অজুহাতে মোকামেই বাড়তি দামে বিক্রি করে দেন।

সার মনিটরিং অবস্থা নাজেহাল। সঠিক ভাবে মনিটরিং না থাকার কারনে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত কৃষকের পকেট কাটছে। সারের বাড়তি দামের কারনে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। একারনে প্রতি আবাদে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষীদের।
ডিলারের জানান, কৃষকের চাহিদা মত বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। চাহিদা মত বরাদ্দ পেলে সার দিতে সমস্যা নেই। কিন্তু যত সামান্য বরাদ্দ আর চাহিদা অনেক। এজন্য লাইনে দাঁড়িয়ে সার নিতে হচ্ছে।

কৃষকের চাহিদার কথা বিবেচনা করে কৃষি অফিসের মৌখিক অনুমতিতে বাহির থেকে বাড়তি দামে সার কিনে বাড়তি দামে বিক্রি করছে। বাহির থেকে সার না আনলে বরাদ্দের সার দিয়ে চাষাবাদ হবেনা। সামনে আলুর আবাদ। আলু চাষিদের চাহিদা মত সারের কোন অবস্থা নেই। সারের জন্য হয়তো আলুর আবাদ হবেনা। আলুতে প্রচুর লোকসান না হলে ধানী জমিতে সার পেত না। কারন এখন থেকেই চাষিরা সার মজুদ করা শুরু করতেন। আলুতে লোকসান খেয়ে চাষের উপর অনাগ্রহ দেখা দিয়েছে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, এসময় জমিতে ডিএপি সারের কোন প্রয়োজন নেই। চাষিরা অযথা ডিএপি সার ব্যবহার করছে। সারের কোন সঙ্কট নেই। ডিলারেরা বলছে বরাদ্দ নেই, আপনি বলছেন সঙ্কট নেই জানতে চাইলে তিনি জানান, ডিলারেরা বরাদ্দ পাওয়ার জন্য এধরণের কথা বলছেন বলেও দায় সারেন তিনি।র জানান, কৃষকের চাহিদা মত বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। চাহিদা মত বরাদ্দ পেলে সার দিতে সমস্যা নেই।

কিন্তু যত সামান্য বরাদ্দ আর চাহিদা অনেক। এজন্য লাইনে দাঁড়িয়ে সার নিতে হচ্ছে। কৃষকের চাহিদার কথা বিবেচনা করে কৃষি অফিসের মৌখিক অনুমতিতে বাহির থেকে বাড়তি দামে সার কিনে বাড়তি দামে বিক্রি করছে। বাহির থেকে সার না আনলে বরাদ্দের সার দিয়ে চাষাবাদ হবেনা। সামনে আলুর আবাদ। আলু চাষিদের চাহিদা মত সারের কোন অবস্থা নেই। সারের জন্য হয়তো আলুর আবাদ হবেনা। আলুতে প্রচুর লোকসান না হলে ধানী জমিতে সার পেত না। কারন এখন থেকেই চাষিরা সার মজুদ করা শুরু করতেন। আলুতে লোকসান খেয়ে চাষের উপর অনাগ্রহ দেখা দিয়েছে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, এসময় জমিতে ডিএপি সারের কোন প্রয়োজন নেই। চাষিরা অযথা ডিএপি সার ব্যবহার করছে। সারের কোন সঙ্কট নেই। ডিলারেরা বলছে বরাদ্দ নেই, আপনি বলছেন সঙ্কট নেই জানতে চাইলে তিনি জানান, ডিলারেরা বরাদ্দ পাওয়ার জন্য এধরণের কথা বলছেন বলেও দায় সারেন তিনি।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

August 2026
MTWTFSS
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031