ধূমকেতু প্রতিবেদক : গতরাতে পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কিছু নেতা কর্মী বোয়ালিয়া থানা এলাকায় অবস্থান করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতে ঝটিকা মিছিল, লিফলেট বিতরণ, সরকার বিরোধী প্রচারণা এবং এসব কাজে অর্থের যোগান দিচ্ছে। আরএমপির একটি টিম দ্রুত ঐ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ৩ নেতাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-নওগাঁ জেলার সদর থানার সুলতানপুর গ্রামের মৃত দেবেন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে প্রদীপ কুমার সরকার (৬০), উপ-দপ্তর সম্পাদক, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ; নওগাঁ জেলার মান্দা থানার তুরুকবাড়িয়া (মন্ডলপাড়া) গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে মোঃ সাদেকুল ইসলাম (৪০), যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ; এবং নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার সাহেবগঞ্জ গ্রামের মৃত মেহের আলী চৌধুরীর ছেলে মোঃ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ওরফে বাদল (৬৫), সাধারণ সম্পাদক, আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগ।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত ৩ জনই নওগাঁ জেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তারা রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের একত্রিত করে গোপন বৈঠকসহ বিভিন্ন সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছিল। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও তারা বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলের আয়োজন, আওয়ামী লীগের পক্ষে পোস্টার লাগানো এবং এসব কর্মকাণ্ডে অর্থের যোগান দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এছাড়াও, তারা বিভিন্ন কমিউনিকেশন অ্যাপস ব্যবহার করে সরকার বিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান, সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে লোকজনকে উদ্বুদ্ধ করণ এবং বিভিন্নভাবে সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, আসামি প্রদীপ কুমারের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় পেনাল কোড আইনে ১টি মামলা এবং গোলাম মোস্তাফার বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানায় ১টি সন্ত্রাস বিরোধী আইনে, ৩টি পেনাল কোড আইনে এবং ঢাকা মেট্রোপলিটনের পল্টন থানায় ১টি সিআর মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।



