ধূমকেতু নিউজ ডেস্ক : শুরু থেকেই বাংলাদেশ বোলারদের উপর রোলার কোস্টার চালিয়েছেন পাকিস্তান ওপেনার মাজ সাদাকাত। অবশেষে তাকে ফিরিয়ে শতরানের জুটি ভাঙলেন মিরাজ। ১৩তম ওভারের শেষ বলে স্কুপ করতে গিয়ে উইকেটকিপার লিটনকে ক্যাচ শিখিয়ে ফিরলেন সাদাকাত। ৪৬ বলে ৭৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেললেন তিনি। ফারহান ৩৩ বলে ২১ রানে অপরাজিত। ১৩ ওভারে ১ উইকেটে ১০৩ রানে ব্যাট করছে পাকিস্তান।
সাদাকাতের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দিশেহারা বাংলাদেশ
প্রথম ওয়ানডেতে নাহিদ রানা-তাসকিনদের তোপে যে পাকিস্তান স্রেফ উড়ে গিয়েছিল, দ্বিতীয় ম্যাচেই তার উল্টো চিত্র দেখল মিরপুর। টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের তুলোধুনা করছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার।
ইনিংসের শুরু থেকেই বাংলাদেশের পেসারদের ওপর চড়াও হন মাজ সাদাকাত। মুস্তাফিজুর রহমানের দুই ওভারে তিন চার দিয়ে শুরু করা এই বাঁহাতি ওপেনার তাসকিন আহমেদের এক ওভারেই হাঁকিয়েছেন জোড়া ছক্কা। নাহিদ রানার প্রথম ওভারটিও সাদাকাত স্বাগত জানান ছক্কা দিয়ে। প্রথম ৫ ওভারেই বিনা উইকেটে ৪৫ রান তুলে ফেলে পাকিস্তান।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে নাহিদ রানার বলে সাহিবজাদা ফারহান এলবিডব্লিউর শিকার হয়েছিলেন। তবে আম্পায়ার তানভীর আহমেদের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় ডেলিভারিটি স্টাম্পের ওপর দিয়ে চলে যেত। অন্যদিকে, অষ্টম ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে সাদাকাতের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন করে রিভিউ নষ্ট করে বাংলাদেশ। রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাটের কানায় স্পর্শ করেনি।
বাংলাদেশের নির্বিষ বোলিংয়ের ফায়দা তুলে ৩১ বলেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাজ সাদাকাত। নাহিদ রানার বলে বাউন্ডারি মেরে পঞ্চাশ স্পর্শ করার পরের বলেই আবার বিশাল ছক্কা হাঁকান তিনি। পাওয়ার প্লে শেষে অর্থাৎ ১০ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর দাঁড়ায় ৮৫/০। সাদাকাত ৩৫ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত ছিলেন, যেখানে ৫টি চার ও ৫টি ছক্কার মার ছিল।
১২ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৯৯ রান। মাজ সাদাকাত ৭৪ রানে এবং সাহিবজাদা ফারহান ১৮ রানে অপরাজিত আছেন।


