IMG-LOGO

শনিবার, ২৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১১ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যের সাথে রাসিক প্রশাসকের সাক্ষাৎপুঠিয়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি !ভোগান্তিতে গ্রাহকরানৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে রাজশাহী জেলা বিএনপির সমাবেশচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তারআজ সিরাজগঞ্জ সদর ও জেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কাল সমাবেশরাণীনগরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় ও আলোচনা সভামোহনপুরে মাকে কুপিয়ে হত্যা, বাবাকে গুরুতর জখমের অভিযোগসিংড়ায় ঈদগাহ মাঠের জমি দখল নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩০নিয়ামতপুরে বেড়াতে এসে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যুপোরশায় ছাত্রী-শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকান্ডের জেরে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভবাঘায় প্রকৃতি, পরিবেশ ও বড়াল নদী রক্ষায় করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা,খনন ও অবৈধ দখল মুক্ত করার আশ্বাস এমপি চাঁদেরনিয়ামতপুরে মাদলের তালে আর নৃত্যের ছন্দে কারাম উৎসব উদযাপনসিরাজগঞ্জে নারী পুরুষ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে সমতা ভিক্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন আলোচনা সভা‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন জানুয়ারিতে হতে পারে’‘সরকার কথা না শুনলে রাজপথেই ফয়সালা’
Home >> ধর্ম >> টপ নিউজ >> মহররম সম্পর্কে আলোচনা

মহররম সম্পর্কে আলোচনা

হাঃ মাওঃ মুরশিদ আলম ফারুকী : মহররম শব্দের অর্থ সম্মানিত। ইসলামের ইতিহাসে এই মাসটি অনেক ঘটনার জন্য উল্লেখযোগ্য এবং স্মৃতিবিজড়িত। স্মৃতিবিজড়িত ঘটনা ও মর্যাদার কারণেই মহররম মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। কুরআনুল কারিমে এ মাসকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন-

إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ

‘আসমান-জমিন সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর কাছে গণনায় মাসসমুহের সংখ্যা ১২টি। যা আল্লাহর কিতাবে (লৌহ মাহফুজে) লিপিবদ্ধ রয়েছে। তার মধ্যে চারটি মাস (রজব, জিলকদ, জিলহজ ও মহররম) হারাম (নিষিদ্ধ/সম্মানের)। এটা হল সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন।’ (সুরা তাওবাহ : আয়াত ৩৬)

সম্মানিত নির্ধারিত এ ৪ মাস সম্পর্কে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে- ‘বছরে ১২টি মাস রয়েছে, তন্মধ্যে ৪টি মাস হারাম (সম্মানিত মাস)। তিনটি মাস পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক- জিলকদ, জিলহজ ও মহররম আর অন্যটি হচ্ছে রজব মাস।’ (বুখারি)

২. মহররম মাসের নামকরণ

এই মাসটিকে মহররম হিসেবে নামকরণের অন্যতম কারণ হচ্ছে- এই মাসটি হারাম মাস; যাতে যুদ্ধ-বিগ্রহ, রক্তপাত করা হারাম বা নিষিদ্ধ। এ বিষয়টির প্রতি তাগিদ দিতেই মহররমকে হিজরি সনের প্রথম মাস করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন হজরত ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু। তাঁর প্রস্তাব অনুসারেই হিজরি সনের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হয় এবং নিষিদ্ধের জন্য মহররম নাম রাখা হয়।

৩. মহররম মাসে সতর্ক বার্তা

মহররম মাস আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ অর্থাৎ এই সময়ের (মহররম মাসের) মধ্যে তোমরা নিজেদের উপর জুলুম করো না।’ আল্লাহর পক্ষ থেকে হারামকৃত ৪ মাসের মধ্যে তোমরা একে-অপরের প্রতি জুলুম করো না। এই মাসে পাপাচার থেকে বিরত থাকার প্রতি বিশেষভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন যে, আল্লাহ তাআলা সব মাসেই জুলুম করতে নিষেধ করেছেন। তবে বিশেষভাবে হারামকৃত এই ৪ মাস মহররমসহ জিলকদ জিলহজ ও রজব মাসে জুলুম-পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে রিবত থাকার জন্য গুরুত্বারোপ করেছেন।

হজরত কাতাদাহ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, যদিও অন্যান্য মাসে জুলুম ও পাপাচার বড় গোনাহ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে তবে হারামকৃত অর্থাৎ নিষিদ্ধ এই মাসগুলোতেও জুলুম-পাপাচারে লিপ্ত হওয়া সবচেয়ে বড় গোনাহ।

৪. মহররম মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার ফজিলত

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসের পর সর্বোত্তম রোজা হচ্ছে- আল্লাহর হারামকৃত (চার) মাসে রোজা পালন করা (মুসলিম)। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা পালনের বিষয়টি প্রমাণিত হলেও তা হারামকৃত (চার) মাসের চেয়ে উত্তম নয়।

৫. আশুরার রোজা রাখার কারণ

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় আগমন করে ইয়াহুদিদেরকে মহররম মাসের ১০ তারিখে রোজা রাখতে দেখে বললেন- এটা কিসের রোজা?

তারা জানালো, এটি একটি উত্তম দিন; এই দিনে আল্লাহ তাআলা ফেরাউনের হাত থেকে মুসা আলাইহিস সালাম ও তার অনুসারীদেরকে মুক্ত করেছিলেন।

একথা শুনে তিনি বললেন, ‘হজরত মুসা আলাইহিস সালামের ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমিই বেশি হকদার। অতঃপর তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং সাহাবাদেরকেও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।’ (বুখারি)

মুক্তির এ আনন্দে হজরত মুসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে মহররমের ১০ তারিখ তথা আশুরার রোজা পালন করেছিলেন।

৬. আশুরার রোজার ফজিলত

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আশুরার দিনের রোজার উপরে অন্য কোনো দিনের রোজাকে প্রাধান্য দিতে দেখিনি এবং এ মাস অর্থাৎ রমজান মাস (এর উপর অন্য মাসের গুরুত্ব দিতেও দেখিনি)।’ (বুখারি)

আশুরার রোজা পালনের মাধ্যমে গোনাহ মাফের আশা করেছেন বিশ্বনবী। হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, আমি আশা রাখি যে, এর দ্বারা বিগত এক বছরের গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (মুসলিম)

আশুরার রোজা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বড় অনুগ্রহ যে, মহররম মাসে মাত্র একদিন রোজা রাখার বিনিময়ে আল্লাহ পূর্ণ এক বছরের (সগিরাহ) গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন।

৭. আশুরার রোজা রাখার হুকুম

আশুরার রোজা রাখা মোস্তাহাব। সেই সাথে ১০ তারিখের আগে ৯ তারিখও রোজা রাখা মোস্তাহাব। হাদিসে এসেছে, হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মহররম মাসের ১০ তারিখে নিজে রোজা রাখলেন এবং অন্যদের রোজা রাখতে নির্দেশ দিলেন তখন সাহাবাগণ বললেন- হে আল্লাহর রাসুল! এই দিনকে ইয়াহুদি-নাসারারাও মহান দিন হিসেবে পালন করে। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যখন সামনের বছর আসবে তখন ইনশা আল্লাহ আমরা ৯ মহররম রোজা পালন করব। হজরত ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন, পরবর্তী বছরের মহররম মাস আসার আগেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেছিলেন (মুসলিম)।

এ কারণেই হজরত ইমাম শাফেঈ, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল এবং ইসহাকসহ অন্যান্যরা ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখও রোজা রাখাকে মোস্তাহাব মনে করতেন। কেননা ১০ তারিখে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে রোজা রেখেছেন আর ৯ তারিখে রোজা রাখার ইচ্ছা করেছিলেন।

৮. আশুরার রোজা যেভাবে রেখেছিলেন বিশ্বনবী

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আশুরার রোজা পালনের ৪টি অবস্থা ছিল। তাহলো-মক্কায়। তিনি মক্কায় অবস্থানকালীন সময়ে নিজে আশুরার রোজা পালন করেছেন কিন্তু কাউকে সে সময় রোজা রাখতে নির্দেশ দেননি।

মদিনায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করলেন, তখন ইয়াহুদিদেরকে এই দিনে রোজা রাখতে দেখে কারণ জিজ্ঞাসা করে জানার পর তিনিও এই দিনে রোজা পালন করাকে পছন্দ করলেন এবং সাহাবাদেরকেও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।

দ্বিতীয় হিজরিতে

হিজরি দ্বিতীয় বছরে যখন রমজানের রোজা ফরজ হয় তখন তিনি সাহাবাদেরকে আাশুরার রোজা রাখার আর নির্দেশ দেননি। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তিনি সাহাবাদেরকে আর নির্দেশও করেননি আবার নিষেধও করেননি।

বিশ্বনবীর ইন্তেকালের আগে

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের আগে তিনি ও তার সাহাবায়ে কেরামগণ সকলে শুধু মহররমের ১০ম তারিখ রোজা রাখতেন। কিন্তু সাহাবাগণ যখন অভিযোগ জানালেন যে, এই দিনটিতে ইয়াহুদিরাও উৎসবের দিনে হিসেবে গণ্য করে থাকে এবং রোজা রাখে; তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘আমি যদি পরবর্তী বছর বেঁচে থাকি তবে ইনশা আল্লাহ ৯ তারিখও রোজা পালন করব।’

উল্লেখ্য, ইমাম কুরতুবি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহারে বর্ণনা থেকে জানা যায়, জাহেলি যুগে (মক্কার) কুরাইশরাও আশুরার রোজা রাখতো। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, জাহেলি যুগেও এই দিনটি তাদের কাছে পরিচিত ছিল। সম্ভবত এটি হজরত ইবরাহহিম ও ইসমাঈল আলাইহিমাস সালামের শরিয়তও ছিল। কারণ মক্কার কুরাইশরা ছিল হজরত ইবরাহিম ও ইসমাঈল আলাইহিমাস সালামের অনুসারী। আর মদীনার ইয়াহুদিগণ ছিলো হজরত মুসা আলাইহিস সালামের অনুসারী।

৯. সফর অবস্থায় আশুরার রোজার হুকুম কী?

হজরত আবু জাবালাহ থেকে মুআবিয়াহ বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, আমি ইমাম জুহরি (ইবনু শিহাব) এর সঙ্গে সফররত অবস্থায় ছিলাম। তিনি আশুরার রোজা রাখলে তাকে বলা হলো- আপনিকি সফররত অবস্থায় আশুরার রোজা রাখবেন? অথচ সফর অবস্থায় রমজানের ফরজ রোজা রাখার ব্যাপারে রুখসাত রয়েছে?

উত্তরে তিনি বলেছেন, নিশ্চয়ই রমজানের রোজা প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেছেন, সফর অবস্থায় থাকলে রমজান পরবর্তী দিনগুলোতে তা আদায় করে নেবে। কিন্তু আশুরার ব্যাপারে এ ধরণের কোনো বক্তব্য নেই, যদি তুমি সফর অবস্থায় আশুরার রোজা ছেড়ে দাও তাহলে এর ফজিলত ছুটে যাবে।

হজরত ইবনে রজব রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, সালাফদের একটি অংশ; তারা সফরাবস্থায়ও আশুরার রোজা রাখতেন। তারা হলেন- হজরত ইবনে আব্বাস, আবু ইসহাক, ইমাম জুহরি প্রমুখ।

১০. রমজানের ফরজ রোজা কাজা থাকলে আশুরার রোজা রাখার হুকুম কী?

শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের রোজা কাজা থাকা অবস্থায় আশুরার দিন আশুরার নিয়তে রোজা রাখবে তার রোযা শুদ্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু কেউ যদি এই (আশুরার) দিনে তার কাজা (ফরজ) রোজা রাখে তবে সে দুইটি সাওয়াবই অর্জন করবে। তার কাজা রোজার সাওয়াব এবং আশুরার রোজার সওয়াব।’ (ফাতাওয়া আল-উসাইমিন)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, মহররমের ফজিলত ও মর্যাদা রক্ষায় যে কোনো ঝগড়া-বিবাদ, রক্তপাত ও জুলম-অত্যাচার থেকে বিরত থাকা। আশুরার রোজা পালন করা। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করা। বছরের বাকি সময়ের জন্য মহররমের শিক্ষাকে গ্রহণ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মহররম মাসের মর্যাদা রক্ষার তাওফিক দান করুন। আশুরার রোজা রাখার তাওফিক দান করুন। বিগত এক বছরের সগিরাহ গোনাহ থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখকঃ হাঃ মাওঃ মুরশিদ আলম ফারুকী, ইমাম ও খতিব, কাজলা সাঁকোপাড়া জামে মসজিদ, মতিহার, রাজশাহী।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031