IMG-LOGO

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৯ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১ই রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

× Education Board Education Board Result Rajshahi Education Board Rajshahi University Ruet Alexa Analytics Best UK VPN Online OCR Time Converter VPN Book What Is My Ip Whois
নিউজ স্ক্রল
সিংড়ায় হতদরিদ্রের চাল আত্মসাত, ইউপি সদস্য পদ হারালেন সোহরাব হোসেনকুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবনজয়েন্ট ফ্যামেলি প্রোপার্টিজ লিমিটেড ও হোটেল হকস ইন এর বিরোধ নিষ্পত্তিদাম কমল এলপি গ্যাসেরবাগমারায় রান্নাঘরের দেয়াল ভেঙে শিশুর মৃত্যুনিয়ামতপুরে স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আটক ৩ফুলবাড়ীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনপোরশায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনপোরশায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার ক্রাইম রোধে পুলিশের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতরাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতির নবম নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিতকোট স্টেশন দলীয় কার্যালয় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতগোমস্তাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনদুর্গাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনবর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভাতানোরে যুবদল নেতার সরিষা মিলে তালা কেটে ডাকাতি, ১০ লাখ টাকার মালামাল লুটইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, শিশুসহ নিহত ৫
Home >> কৃষি >> বিশেষ নিউজ >> পুঠিয়ায় মিশ্র ফলচাষ বাড়ছে

পুঠিয়ায় মিশ্র ফলচাষ বাড়ছে

ধূমকেতু প্রতিবেদক, পুঠিয়া : রাজশাহীর পুঠিয়ায় চাষিরা বাণিজ্যিক ভাবে দেশি-বিদেশি ও উন্নত জাতের বিভিন্ন প্রকার ফলজ চারা রোপণ শুরু করছেন। এদের মধ্যে অনেকই মিশ্র ফলজ বাগান গড়ে তুলেছেন। অপরদিকে বাজারে দেশিয় উৎপাদিত ফলের চাহিদা এখন বেড়েছে। যার কারণে অনেকেই ফলের বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

সংশ্লিষ্ঠ চাষিরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদ করতে পারলে একই জমিতে দীর্ঘ মেয়াদী ফল চাষ করা যায়। সেই সাথে অল্প জমিতেও পরিকল্পিত ভাবে মিশ্রিত ফল বাগান গড়ে তোলা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেন বলেন, গত কয়েক বছর থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিক ভাবে মিশ্রিত ফলের বাগান গড়ে উঠছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রাথমিক তথ্য মোতাবেক প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার ফলজ চারা রোপণ করা হয়েছে। তবে রোপণকৃত বাগান থেকে আশানুরূপ ফলন আসা শুরু হয়েছে। এতে চাষিদের আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে জমির পরিমাণ তিনগুণ হবে। রোপণকৃত বাগানগুলোতে উন্নত জাতের বিভিন্ন কমলা, মাল্টা, ড্রাগন, পেয়ারা, বরই, আম গাছ রয়েছে। আর বাগানগুলোতে সঠিক সময় পরিচর্যা করতে পারলে এবং আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে চাষিরা অর্থনৈতিক ভাবে অনেক লাভবান হবে।

উপজেলার জিউপাড়া এলাকার বাণিজ্যিক মিশ্র ফল চাষি আসাদুল হক আসাদ বলেন, গত কয়েক বছর আগে এখানে ১৬ বিঘা জমি লিজ নিয়ে একটি মিশ্র ফল বাগান গড়ে তুলেছি। গত দেড় বছর আগে এই বাগানে বাহিরের উন্নত জাতের মাল্টা, কমলা, পেয়ারা, আমের চারা রোপণ করা হয়েছে। বাগানের কয়েকটি স্থানে একই সাথে পেয়ারা, বরই, মাল্টা ও কমলার চারা রোপণ করেছি। ইতিমধ্যে বাগানের অধিকাংশ গাছগুলোতে ফল আসা শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, এই বাগানের ভেতরে একটি অংশে উন্নত জাতের বিভিন্ন ফলের চারার নার্সারি গড়ে তোলা হয়েছে। সেই সাথে এই বাগান ঘিরে ২০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

ধোকড়াকুল ডিগ্রি কলেজেন উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক শাখাওয়াত উল্লাহ মুন্সি বলেন, কানাইপাড়া গ্রামে আমার নিজেস্ব ১৫ বিঘা জমিতে জাপানি সূর্য ডিম, কিউজাই, ব্যানানা ম্যাঙ্গ, গৌরমতি, কাটিমন, টাইওয়ান ও বারী ফোর জাতীয় আমের বাগান করেছি। পাশের জমিতে দার্জিলিং ও ম্যান্ডেলিনা জাতের কমলা চারা লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে সার্থী ফসল হিসেবে বারী-৪ ও সুপারে ১০ জাতের পেয়ারা, বলসন্দরী ও কাশমেরী জাতের বরই এর চারা রোপণ করা হয়েছে। এখন চারাগুলো ছোট আছে তাই বরই ও পেয়ারা দুই বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এরপর আম, কমলা গুলো থাকবে দীর্ঘ মেয়াদী। এই বাগানগুলো প্রাথমিক ভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে। তবে ফল আসার পর লাভজনক হলে জমির পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, এই ফলের বাগানগুলো দেখতে ও পরামর্শ নিতে সব সময় লোকজন আসছেন। তাদের পরামর্শের সাথে উন্নত জাতের চারা পেতে সহায়তা করছেন বলেও জানান তিনি।

নাটোর জেলার ফল চাষি নজরুল ইসলাম বলেন, গত বছর পুঠিয়া উপজেলার বিলমাড়িয়া এলাকায় দুটি স্থানে ৩৫ বিঘা জমি লিজ নিয়েছি। বর্তমানে ওই জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা হয়েছে। সঠিক নিয়মে পরিচর্যা করায় বাগান খুবই ভালো হয়ে উঠেছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী মৌসুমে বেশির ভাগ গাছগুলোতে পুরোদমে ফলন আসবে। তিনি বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষে ফলন আসা পর্যন্ত ৭৫ হাজার টাকা খরচ হবে। এরপর প্রকৃতিক দূর্যোগ না হলে ওই এক বিঘা জমি থেকে পর্যায় ক্রমে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ড্রাগন বিক্রি হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুনাহার ভূইয়া বলেন, এক সময় এই এলাকায় প্রায় হাজার একর জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে পেয়ারা চাষ করা হয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর পর আবহাওয়া ও জমি নির্বাচনে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক চাষিদের লোকসান গুণতে হয়েছে। তবে এখন ওই চাষিরাই উন্নত জাতের মিশ্র ফল চাষ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে কয়েকজন আশানুরূপ ফলন পাচ্ছেন। তাদের দেখে উৎসাহ হয়ে অনেকই আধুনিক প্রযুক্তিতে ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন। মাঝে মধ্যে অনেকেই পরামর্শ ও উন্নত জাতের চারার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন। এছাড়া আমাদের উপসহকারী কর্মকর্তারা সব সময় মাঠে থেকে চাষিদের সার্বিক খোঁজ-খবর ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

ধূমকেতু নিউজের ইউটিউব চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইব করুন

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। যেকোনো ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায়। নিউজ পাঠানোর ই-মেইল : [email protected]. অথবা ইনবক্স করুন আমাদের @dhumkatunews20 ফেসবুক পেজে । ঘটনার স্থান, দিন, সময় উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আপনার নাম, ফোন নম্বর অবশ্যই আমাদের শেয়ার করুন। আপনার পাঠানো খবর বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশ করা হবে ধূমকেতু নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টালে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে আমরা আছি আপনাদের পাশে। আমাদের ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো Dhumkatu news

সকল সংবাদ

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031